
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকাণার বারহাট্টায় উপজেলায় গত রোববার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি আসার পথে এক দম্পতির গলায় ছুরি ঠেকিয়ে সাথে থাকা স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে ধরা পড়ে তিন ছিনতাইকারী।
পরে তাদেরকে ফকিরের বাজার পুলিশ ফাঁড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এই সময় তাদের সাথে থাকা দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এই ঘটনায় গত মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তিন ছিনতাইকারীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান।
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাট্টাপাড়া এলাকায় এই ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটে।
ছিনতাইকারীরা হলো নেত্রকোণা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোণা ইউনিয়নের কয়েরপাড় গ্রামের মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে সাব্বির (১৯) সতরশ্রী গ্রামের মঞ্জুরুল হকের ছেলে ইমন খান (২৭) ও আ. কুদ্দুস মিয়ার ছেলে মারুফ মিয়া। তাদের সাথে থাকা আরেক ছিনতাইকারী পাভেল মিয়া পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, রিকেল মিয়া ও তাঁর স্ত্রী জোসনা আক্তার ঢাকায় কাজ করেন। ঈদের ছুটিতে রিকেল মিয়া তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বারহাট্টা উপজেলার চল্লিশকাহনিয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি আসতেছিলেন। কিন্তু রাস্তায় যানজটের কারণে আসতে দেরি হওয়ায় ঠাকুরাকোণা বাজারে এসে নামেন। তারপর ঠাকুরাকোণা বাজার থেকে ফকিরে বাজার এলাকার গাড়ি না পাওয়া হেঁটে বাড়ির পথে রওনা হন।
এরপর ফকিরের বাজারের রাস্তায় কর্ণপুর এলাকায় পৌঁছলে দুটি মোটরসাইকেল যোগে চারজন ছিনতাইকারী ওই দম্পতির রাস্তা রোধ করে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে মোটরসাইকেলে তুলে বাট্টাপাড়া এলাকায় নিয়ে যায়। এ সময় তাদের সাথে থাকা স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীরা চিৎকার দিলে আশপাশের জনতা ছিনতাইকারীদের ধরে গণধোলাই দেয়। পরে গত সোমবার ভোর পাঁচটার সময় ফকিরের বাজার পুলিশ ফাঁড়ি থানায় তাদের হস্তান্তর করে জনতা।
বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রিকেল মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

নেত্রকাণার বারহাট্টায় উপজেলায় গত রোববার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে বাড়ি আসার পথে এক দম্পতির গলায় ছুরি ঠেকিয়ে সাথে থাকা স্বর্ণালংকার ও টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে ধরা পড়ে তিন ছিনতাইকারী।
পরে তাদেরকে ফকিরের বাজার পুলিশ ফাঁড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এই সময় তাদের সাথে থাকা দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এই ঘটনায় গত মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তিন ছিনতাইকারীকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান।
পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের বাট্টাপাড়া এলাকায় এই ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটে।
ছিনতাইকারীরা হলো নেত্রকোণা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোণা ইউনিয়নের কয়েরপাড় গ্রামের মৃত আনোয়ার মিয়ার ছেলে সাব্বির (১৯) সতরশ্রী গ্রামের মঞ্জুরুল হকের ছেলে ইমন খান (২৭) ও আ. কুদ্দুস মিয়ার ছেলে মারুফ মিয়া। তাদের সাথে থাকা আরেক ছিনতাইকারী পাভেল মিয়া পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, রিকেল মিয়া ও তাঁর স্ত্রী জোসনা আক্তার ঢাকায় কাজ করেন। ঈদের ছুটিতে রিকেল মিয়া তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বারহাট্টা উপজেলার চল্লিশকাহনিয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি আসতেছিলেন। কিন্তু রাস্তায় যানজটের কারণে আসতে দেরি হওয়ায় ঠাকুরাকোণা বাজারে এসে নামেন। তারপর ঠাকুরাকোণা বাজার থেকে ফকিরে বাজার এলাকার গাড়ি না পাওয়া হেঁটে বাড়ির পথে রওনা হন।
এরপর ফকিরের বাজারের রাস্তায় কর্ণপুর এলাকায় পৌঁছলে দুটি মোটরসাইকেল যোগে চারজন ছিনতাইকারী ওই দম্পতির রাস্তা রোধ করে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে মোটরসাইকেলে তুলে বাট্টাপাড়া এলাকায় নিয়ে যায়। এ সময় তাদের সাথে থাকা স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও ৬৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভুক্তভোগীরা চিৎকার দিলে আশপাশের জনতা ছিনতাইকারীদের ধরে গণধোলাই দেয়। পরে গত সোমবার ভোর পাঁচটার সময় ফকিরের বাজার পুলিশ ফাঁড়ি থানায় তাদের হস্তান্তর করে জনতা।
বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী রিকেল মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ২৮ মে। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকলেও পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে। দুইজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা
১৮ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
২০ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে