
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মোনায়েম হায়দার (২৬) হিযবুত তাহরীরের ‘মতাদর্শ প্রচারকারী ও অন্যতম সংগঠক’। গত ৭ মার্চ রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের সামনে হিযবুত তাহরীর ‘মার্চ ফর খিলাফত’ নামে যে মিছিল করে, তাতে অংশ নিয়েছিলেন মোনায়েম।
রোববার (১৬ মার্চ) রাতে ডিএমপি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোনায়েম হায়দার বিভিন্ন নামে ফেসবুকে ভুয়া পেজ খুলে হিযবুত তাহরীরের উগ্রবাদী মতাদর্শ প্রচার ও গোপনে হিজবুত তাহরীরকে সংগঠিত করে আসছিলেন।
গ্রেপ্তারের সময় মোনায়েমের কাছ থেকে ‘উগ্রবাদী মতাদর্শ’ প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনসেট জব্দ করা হয়েছে। ডিএমপি বলছে, ৭ মার্চের ওই মিছিলের আগে ও পরে অনলাইনে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সংগঠনের পক্ষে যোগাযোগের কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তিনি।
ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শরিয়া আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে ২০০১ সালে বাংলাদেশে হিযবুত তাহরীরের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়। জননিরাপত্তার জন্য হুমকি বিবেচনায় সংগঠনটিকে ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও গোপনে গোপনে কিছু সাংগঠনিক তৎপরতা হিযবুত তাহরীর চালু রেখেছিল। তবে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নতুন করে তৎপর হয়ে ওঠে ধর্মভিত্তিক এই নিষিদ্ধ সংগঠনটি।
এর মধ্যে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান হিযবুত তাহরীরের নেতারা। নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সরকারের কাছে তারা আবেদন করেছেন বলেও জানান সংবাদ সম্মেলনে।
তবে সরকার বলছে, সংগঠনটি এখনো নিষিদ্ধই রয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ একাধিক বার্তায় জানিয়েছে, নিষিদ্ধ হওয়ায় হিযবুত তাহরীরের সাংগঠনিক কার্যক্রম অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। তাদের কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।
এর মধ্যে সংগঠনটির বেশকিছু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারও করেছে ডিএমপি। সবকিছুর মধ্যেই সংগঠনটি ৭ মার্চ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বড় মিছিল বের করে। পল্টন হয়ে বিজয়নগরের দিকে যাওয়ার পর পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ডগ্রেনেড ছুড়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মোনায়েম হায়দার (২৬) হিযবুত তাহরীরের ‘মতাদর্শ প্রচারকারী ও অন্যতম সংগঠক’। গত ৭ মার্চ রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের সামনে হিযবুত তাহরীর ‘মার্চ ফর খিলাফত’ নামে যে মিছিল করে, তাতে অংশ নিয়েছিলেন মোনায়েম।
রোববার (১৬ মার্চ) রাতে ডিএমপি থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোনায়েম হায়দার বিভিন্ন নামে ফেসবুকে ভুয়া পেজ খুলে হিযবুত তাহরীরের উগ্রবাদী মতাদর্শ প্রচার ও গোপনে হিজবুত তাহরীরকে সংগঠিত করে আসছিলেন।
গ্রেপ্তারের সময় মোনায়েমের কাছ থেকে ‘উগ্রবাদী মতাদর্শ’ প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোনসেট জব্দ করা হয়েছে। ডিএমপি বলছে, ৭ মার্চের ওই মিছিলের আগে ও পরে অনলাইনে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে সংগঠনের পক্ষে যোগাযোগের কথা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন তিনি।
ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শরিয়া আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে ২০০১ সালে বাংলাদেশে হিযবুত তাহরীরের সাংগঠনিক কার্যক্রম শুরু হয়। জননিরাপত্তার জন্য হুমকি বিবেচনায় সংগঠনটিকে ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর নিষিদ্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও গোপনে গোপনে কিছু সাংগঠনিক তৎপরতা হিযবুত তাহরীর চালু রেখেছিল। তবে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নতুন করে তৎপর হয়ে ওঠে ধর্মভিত্তিক এই নিষিদ্ধ সংগঠনটি।
এর মধ্যে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর রাজধানী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানান হিযবুত তাহরীরের নেতারা। নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর সরকারের কাছে তারা আবেদন করেছেন বলেও জানান সংবাদ সম্মেলনে।
তবে সরকার বলছে, সংগঠনটি এখনো নিষিদ্ধই রয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ একাধিক বার্তায় জানিয়েছে, নিষিদ্ধ হওয়ায় হিযবুত তাহরীরের সাংগঠনিক কার্যক্রম অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। তাদের কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।
এর মধ্যে সংগঠনটির বেশকিছু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তারও করেছে ডিএমপি। সবকিছুর মধ্যেই সংগঠনটি ৭ মার্চ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে বড় মিছিল বের করে। পল্টন হয়ে বিজয়নগরের দিকে যাওয়ার পর পুলিশ টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ডগ্রেনেড ছুড়ে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

সকাল সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে ৩৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের মধ্যে কোথাও কোনো ভোটকেন্দ্র বন্ধ হয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস বলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিকরা ভোটে অংশগ্রহণে উৎসাহী এবং তারা আশা করছেন এবারের নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য।
১২ ঘণ্টা আগে
ভোট দেওয়ার অনুভূতি জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, খুব ভালো লাগল। আমার জীবনে মহা আনন্দের দিন। বাংলাদেশের সবার জন্য মহা আনন্দের দিন। আজ মুক্তির দিন। আমাদের দুঃস্বপ্নের অবসান। নতুন স্বপ্ন শুরু। সেটাই আমাদের আজকের এই প্রক্রিয়া।
১৩ ঘণ্টা আগে
সিইসি বলেন, আমরা চাই— বাংলাদেশ এই যে গণতন্ত্রের ট্রেনে উঠে গেল, এই ট্রেন ইনশাল্লাহ গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবে আপনাদের সবার সহযোগিতায়। আপনারা জানেন, ২০২৬ সালে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় একটা নির্বাচন দিচ্ছে বাংলাদেশ। এত বড় নির্বাচন আর এ বছরে কোথাও হয় নাই।
১৩ ঘণ্টা আগে