
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশের প্রতিরক্ষায় অংশগ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতার জন্য তরুণ-যুবাদের ‘সর্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণ’ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন জেলা প্রশাসকরা।‘ইউনিভার্সাল মিলিটারি ট্রেনিং’ চেয়েছেন দেশের বিভিন্ন জেলার প্রশাসকরা (ডিসি)।
তিন দিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিন মঙ্গলবার প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী আব্দুল হাফিজ।
আব্দুল হাফিজ বলেন, ডিসিদের পক্ষ থেকে যুব সমাজের জন্য ইউনিভার্সাল মিলিটারি ট্রেনিং দেওয়া যায় কিনা- এমন প্রস্তাব এসেছে। যুবারা মিলিটারি ট্রেনিং পেতে পারেন; দেশের প্রতিরক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল জেনারেল স্টাফ এ নিয়ে সুন্দর কথা বলেছেন। এটা ভালো দিক, তবে সিদ্ধান্তটা রাজনৈতিক। সরকার চাইলে সামরিক বাহিনী প্রশিক্ষণ দিতে প্রস্তুত।
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী আরও বলেন, এটা একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার। আর্থিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমরা চিন্তা করতেই পারি। আমরা সরকারকে জানিয়েছি- এটা জনগণের সিদ্ধান্ত, সরকারের সিদ্ধান্ত। সরকার চাইলে, নির্দেশনা পেলে সশস্ত্র বাহিনী করতে প্রস্তুত।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ আরও বলেন, ‘যুব সমাজকে প্রশিক্ষণ দিতে প্রত্যেক উপজেলায় ও ইউনিয়নে আনসার-ভিডিপির একটি কোম্পানির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এটা সীমিত পর্যায়ে ইতোমধ্যে হচ্ছে। ডিসিরা এটিকে আরও ব্যাপক আকারে করার প্রস্তাব করেছেন।
মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সামরিক কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে সামরিক বাহিনী সম্পৃক্ত হয়ে আরও কীভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করা যায়- সেটি ভাবা হচ্ছে। ডিসিরা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম হয় সেটির সংখ্যা বাড়ানো ও ডিভিশন পর্যায়ে করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

দেশের প্রতিরক্ষায় অংশগ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতার জন্য তরুণ-যুবাদের ‘সর্বজনীন সামরিক প্রশিক্ষণ’ দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন জেলা প্রশাসকরা।‘ইউনিভার্সাল মিলিটারি ট্রেনিং’ চেয়েছেন দেশের বিভিন্ন জেলার প্রশাসকরা (ডিসি)।
তিন দিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিন মঙ্গলবার প্রথম অধিবেশন শেষে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী আব্দুল হাফিজ।
আব্দুল হাফিজ বলেন, ডিসিদের পক্ষ থেকে যুব সমাজের জন্য ইউনিভার্সাল মিলিটারি ট্রেনিং দেওয়া যায় কিনা- এমন প্রস্তাব এসেছে। যুবারা মিলিটারি ট্রেনিং পেতে পারেন; দেশের প্রতিরক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেন। সেনাবাহিনীর প্রিন্সিপাল জেনারেল স্টাফ এ নিয়ে সুন্দর কথা বলেছেন। এটা ভালো দিক, তবে সিদ্ধান্তটা রাজনৈতিক। সরকার চাইলে সামরিক বাহিনী প্রশিক্ষণ দিতে প্রস্তুত।
প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী আরও বলেন, এটা একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার। আর্থিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমরা চিন্তা করতেই পারি। আমরা সরকারকে জানিয়েছি- এটা জনগণের সিদ্ধান্ত, সরকারের সিদ্ধান্ত। সরকার চাইলে, নির্দেশনা পেলে সশস্ত্র বাহিনী করতে প্রস্তুত।
লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আব্দুল হাফিজ আরও বলেন, ‘যুব সমাজকে প্রশিক্ষণ দিতে প্রত্যেক উপজেলায় ও ইউনিয়নে আনসার-ভিডিপির একটি কোম্পানির প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এটা সীমিত পর্যায়ে ইতোমধ্যে হচ্ছে। ডিসিরা এটিকে আরও ব্যাপক আকারে করার প্রস্তাব করেছেন।
মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে সামরিক কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী বলেন, সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সঙ্গে সামরিক বাহিনী সম্পৃক্ত হয়ে আরও কীভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন করা যায়- সেটি ভাবা হচ্ছে। ডিসিরা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে যে ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম হয় সেটির সংখ্যা বাড়ানো ও ডিভিশন পর্যায়ে করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই) এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশ নিয়েছেন। আয়োজনে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের এক হাজারের বেশি নতুন
১৪ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি একটা সাহায্য চাই, হেল্প চাই। আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশে স্কাউটসের সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি সদস্যের সংখ্যা ২২ হাজার। এছাড়া প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসা ছাড়াও সারা দেশে হাইস্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। আর প্রাথমিক স্কুল-মাদ্রাসাসহ আড
১৬ ঘণ্টা আগে
ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শতভাগ না পারলেও ৮০ শতাংশ ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব।৩ মাসে ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবে সরকার।
১৬ ঘণ্টা আগে