শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প নতুন এ আলটিমেটাম দেন ইরানকে। দুই দিন সময় বেঁধে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের ওপর ‘ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ’ বা ‘জাহান্নাম’ নেমে আসবে।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা। ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা। আর সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই দোকান ও শপিং মল বন্ধ করতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব দ্রুত কীভাবে আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে পারি, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এটাই ছিল মূল আলোচনা। খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে যেতে চেষ্টা করব।’
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, রাত ১২টার দিকে নতুন একটি লাশ পাওয়া গেছে এ কারখানায়। এখানে কর্মরত অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানাচ্ছেন স্বজনরা। আমাদের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
সভায় গ্রীষ্মকাল ও সেচ মৌসুমে জ্বালানি সাশ্রয় ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চান মন্ত্রী। বলেন, আপাতত তিন মাসের জন্য সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কোরবানির ঈদের আগে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে সময়সূচিতে সমন্বয় করা যেতে পারে।
বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী হতাহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি তদন্তের মাধ্যমে দুর্ঘটনার কারণ অবিলম্বে খুঁজে বের করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নির্দেশ দেন তিনি।
শনিবার (৪ এপ্রিল) যুব বাঙালির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কমিটির পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে এ সব কথা বলা হয়। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন কেন্দ্রীয় সংগঠক অপু, তানসেন, অয়ন আমান, রায়হান তানভীর, ইউসুফ সরকার রুজেল, বাঁধন ফাহাদ, ওয়ালিদ হাসান ভুবন, সৈয়দ স্বাধীন, মোহাম্মদ আলী পারভেজ, কাজী কাওছার, সিয়াম, হৃদয়, রেদওয়ান,
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত অস্থিতিশীল ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশে জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক (ইউএই) ডিবিএস ট্রেডিং হাউস এফজেডসিওর কাছ থেকে আন্তর্জাতিক ক্রয়ে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১০ লাখ মেট্রিক টন
তিনি বলেন, ‘দুর্গাপুরে এই মহিলা কলেজ একমাত্র কলেজ, যা পার্শ্ববর্তী উপজেলা কলমাকান্দাতেও নেই। এই কলেজটি যদি আমরা সমৃদ্ধ করতে পারতাম, তাহলে আমাদের অনেক ছাত্রীকে নেত্রকোনায় যেতে হতো না, অনেক ছাত্রীকে ময়মনসিংহে যেতে হতো না। কেন যাচ্ছে? আমার-আপনার কারণেই যাচ্ছে। এখানে এসে পড়ানোর যে পরিবেশটা পাওয়ার কথা বা
আজহারুল ইসলাম বলেন, আজকে আমি সংসদে গিয়েছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। আজ আমি এখানে বক্তব্য দিচ্ছি জুলাই বিপ্লবের কারণে। জুলাই বিপ্লব আমাদের নতুন জীবন দান করেছে। সেই জুলাই বিপ্লবকে অস্বীকার করা মানে নতুন জীবনকে অস্বীকার করা। জুলাই বিপ্লব একদলকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে আরেক দলকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য ছিল না।