ইশতেহারে বিএনপি উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের সীমান্তের বাইরে ‘বন্ধু আছে, প্রভু নেই। দলটি জোর দিয়ে বলেছে, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের কল্যাণ—এই বিষয়গুলোই তাদের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে থাকবে।’
যমুনা ও আশপাশের এলাকায় ‘বেআইনি’ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কোনো প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
ঢাকা-১১ আসনের ১১-দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া নিয়ে তাদের শঙ্কা রয়েছে।
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে জুমার নামাজের সময় আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৩১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৬৯ জন।
জামায়াতে ইসলামীর আদর্শ ও কর্মকাণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে দেশবাসীকে তাদের ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। জামায়াতকে ‘ইসলামের শত্রু’ আখ্যা দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ করার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) শ্রীলংকার ক্রিকেট বোর্ড শ্রীলংকা ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) অ্যাশলে ডি সিলভা বলেন, ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচের জন্য সব নিরাপত্তা ব্যবস্থা, হোটেল বুকিং ও টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। আমরা পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছি।
ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের দুই দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। জামায়াতের প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে (দাঁড়িপাল্লা) সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা (রিকশা)।
বিএনপি তাদের এই ইশতেহারকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করেছে। এগুলো হলো— রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কার; বৈষম্যহীন আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা অর্জন; ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধার; অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন; এবং ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও সংহতি।
চেতন শর্মার মতে, বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে এবং পাকিস্তানের বর্তমান অবস্থান মূলত ওই নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ। ১২ ফেব্রুয়ারির পর পাকিস্তান সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে বলতে পারে—জনগণের আবেগের কথা বিবেচনা করে এবং ক্রিকেটের স্বার্থে পাকিস্তান ভারতের ব
ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন। পুলিশ কিছুটা সরে গেলে তারা আবার ফের মূল সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এ সময় পুলিশ আবারও সামনে এগিয়ে গিয়ে টিয়ার শেল ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।