ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৮০।
বিশ্বমানের একাডেমিক জীবন ছেড়ে দেশে ফিরে দীর্ঘ দুই দশক ধরে গণিত শিক্ষা ও গবেষণা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদারকে ২০২৬ সালের ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করা হয়েছে।
ইসলাম উদ্দিন পালাকার বাংলাদেশের গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পালাগান শিল্পী হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৮ সাল থেকে পালাগান শিক্ষা শুরু করা এই শিল্পীর দল হাওর অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লোকসংস্কৃতি-ভিত্তিক পরিবেশনা করে আসছে।
বাংলাদেশে নৃত্যচর্চায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ‘অ্যাডাল্ট বিগিনার্স ড্যান্স ক্লাসেস’ প্রবর্তন করেন অর্থী। ২০২০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি’ এবং শিশুদের বয়স-উপযোগী সঠিক নৃত্যশিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ড্যান্স ইওর এজ’ আন্দোলনের সূচনা করেন।
পাক সেনাবাহিনীর দাবি, নিহতদের মধ্যে আফগান নাগরিকও রয়েছে এবং তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
১৯৫০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্পোর্টস রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন শফিক রেহমান। পরে তিনি লন্ডনে বিবিসির বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ৩৫ বছর কাজ করেন। ১৯৭১ সালের জুন মাসে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পক্ষে কাজ শুরু করেন।
শিক্ষাবিদ হিসেবে নেদারল্যান্ডসের ডেলফট ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, হার্ভার্ড, ইয়েল ও টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন স্থপতি মেরিনা। ২০১৬ সালে ঢাকার ‘বায়তুর রউফ মসজিদ’ ও ২০২৫ সালে ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্পের জন্য তিনি দুবার সম্মানজনক আগা খান পুরস্কার অর্জন করেন।
অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীতে ‘ছাপচিত্র বা প্রিন্ট মেকিং’ মাধ্যমে গ্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড (স্বর্ণপদক) অর্জনের গৌরব লাভ করেন। ১৯৮৮ সালে লুবিয়ানা আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে (যুগোস্লাভিয়া) বিশ্বের সেরা ১২৫ জন শিল্পীর তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
ববিতা দীর্ঘ অভিনয় জীবনে ৩০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, ‘আলোর মিছিল’, ‘আবার তোরা মানুষ হ’।
বাংলাদেশের সংগীত ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক ২০২৬-এ ভূষিত হয়েছে ব্যান্ডদল ওয়ারফেজ। দেশের ইতিহাসে তারাই প্রথম কোনো ব্যান্ডদল হিসেবে এই পদকে ভূষিত হলো।