ব্যান্ডদল হিসেবে প্রথম একুশে পদক পেল ওয়ারফেজ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩: ৩৫
বৃহস্পতিবার ওসমানী মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে একুশে পদক গ্রহণ করেন ওয়ারফেজের টিপু। ছবি: ভিডিও থেকে

​বাংলাদেশের সংগীত ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একুশে পদক ২০২৬-এ ভূষিত হয়েছে ব্যান্ডদল ওয়ারফেজ। দেশের ইতিহাসে তারাই প্রথম কোনো ব্যান্ডদল হিসেবে এই পদকে ভূষিত হলো।

শিল্পকলা (সংগীত) ক্ষেত্রে এ বছর দলগতভাবে এই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওয়ারফেজের দলনেতা শেখ মনিরুল আলম টিপুর হাতে একুশে পদক তুলে দেন।

১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলাদেশের হেভি মেটাল ও হার্ড রক সংগীতধারার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে ওয়ারফেজ। ১৯৯১ সালে প্রকাশিত তাদের প্রথম অ্যালবামের মাধ্যমেই তারা বাংলা ভাষায় হেভি মেটাল গানকে জনপ্রিয় করে তোলে এবং দেশের ব্যান্ড সংগীতে একটি নতুন ধারা ও মানদণ্ড স্থাপন করে।

দীর্ঘ চার দশকের সংগীত-যাত্রায় দেশের সংগীত ও সংস্কৃতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখায় রাষ্ট্রীয়ভাবে এই সম্মানে ভূষিত হলো ব্যান্ডটি।

ad
ad

খবরাখবর থেকে আরও পড়ুন

শিক্ষা-গবেষণায় একুশে পদক পেলেন অধ্যাপক মাহবুবুল

​বিশ্বমানের একাডেমিক জীবন ছেড়ে দেশে ফিরে দীর্ঘ দুই দশক ধরে গণিত শিক্ষা ও গবেষণা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদারকে ২০২৬ সালের ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করা হয়েছে।

১ ঘণ্টা আগে

পালাগানে একুশে পদক পেলেন ইসলাম পালাকার

​ইসলাম উদ্দিন পালাকার বাংলাদেশের গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পালাগান শিল্পী হিসেবে পরিচিত। ১৯৮৮ সাল থেকে পালাগান শিক্ষা শুরু করা এই শিল্পীর দল হাওর অঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে লোকসংস্কৃতি-ভিত্তিক পরিবেশনা করে আসছে।

১ ঘণ্টা আগে

একুশে পদক পেলেন নৃত্যশিল্পী অর্থী আহমেদ

বাংলাদেশে নৃত্যচর্চায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ‘অ্যাডাল্ট বিগিনার্স ড্যান্স ক্লাসেস’ প্রবর্তন করেন অর্থী। ২০২০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি’ এবং শিশুদের বয়স-উপযোগী সঠিক নৃত্যশিক্ষা নিশ্চিত করতে ‘ড্যান্স ইওর এজ’ আন্দোলনের সূচনা করেন।

১ ঘণ্টা আগে

একুশে পদকে ভূষিত সাংবাদিক শফিক রেহমান

১৯৫০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে স্পোর্টস রিপোর্টার হিসেবে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করেন শফিক রেহমান। পরে তিনি লন্ডনে বিবিসির বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ৩৫ বছর কাজ করেন। ১৯৭১ সালের জুন মাসে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পক্ষে কাজ শুরু করেন।

১ ঘণ্টা আগে