বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর তেলের বাজার যেভাবে অস্থির হয়ে উঠেছে, আইইএর এ পদক্ষেপ তাকে কিছুটা হলেও শান্ত করতে পারে। তবে এ পদক্ষেপ বারবার নেওয়া সম্ভব না। ফলে এটি বৈশ্বিক তেল সংকটের স্থায়ী কোনো সমাধান নয়।
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন, রাষ্ট্রপতির ভাষণ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালীন অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যসূচি নিয়ে শুরু হওয়া এই সংসদকে ঘিরে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। তবে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ওয়াকআউটের ই
‘কর্তৃপক্ষ আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং সব বাসিন্দা নিরাপদ রয়েছেন। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ তবে ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে ওই পোস্টে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
আইআরআইবি স্পোর্টস নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরানের এই মন্ত্রী বলেন, ‘যেহেতু এই দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার (যুক্তরাষ্ট্র সরকার) আমাদের নেতাকে হত্যা করেছে, তাই কোনো অবস্থাতেই আমাদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের মতো উপযুক্ত পরিবেশ নেই। আমাদের ছেলেরা সেখানে (যুক্তরাষ্ট্রে) নিরাপদ নয় এবং অংশগ্রহণের জন্য প্রয়ো
বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, যেহেতু ফ্যাসিস্ট রেজিমে আমরা মারাত্মক আকারে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সংঘটিত হতে দেখেছি বিশেষ করে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে। সেজন্য একটি রাজনৈতিক দল বা জাতি হিসেবে আমরা মানবাধিকার সংরক্ষণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ; বিশেষ করে সংবিধানে যেসব মৌলিক মানবাধিকার সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে।
পল্টন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বলেন, অধ্যাপক জামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তবে শুরুর আগেই সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে সরকারি ও বিরোধী দলের অবস্থান রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়িয়েছে। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং প্রথম বৈঠকে সভাপতিত্বের মতো বিষয়গুলোও রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা ছড়িয়েছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ইস্যুতে প্রথম অধিবেশনেই বিরোধী দলের ওয়াকআ
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সহায়তার জন্য আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছি। আমি এটি গ্রহণ করেছি এবং দ্রুত বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব।’
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দক্ষিণাঞ্চলে লবণাক্ততা সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা চালু এবং টেকসই অবকাঠামো গড়ে তোলার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন করতে স্কুল পাঠ্যক্রমে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’