
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শুরু হওয়া যুদ্ধে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের বিপ্লবী সামরিক বাহিনী আইআরজিসি। তারা বলছে, ‘শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ’ ছাড়া তারা আর কিছু তাদের ভাবনায় নেই।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার দাবি করেছেন, প্রায় গোটা ইরানকেই হামলায় বিপর্যস্ত করেছেন তারা। এখন এই যুদ্ধ খুব ‘শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে।
বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
এ দিন ইরানের সামরিক বাহিনী বিপ্লবী গার্ড তথা আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা হামলার ৩৮তম ধাপ শুরু করেছে। কুয়েতের আদিরি হেলিকপ্টার ঘাঁটিতে দুইটি শক্তিশালী ও যুগপৎ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়েছে, এতে আহত ১০০ জন ব্যক্তিকে দেশটির আল জাবের ও আল মুবারাক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
আদিরি ঘাঁটি বলতে আইআরজিসি মূলত বিউরিং ঘাঁটিকে বুঝিয়েছে, যেটি আগে আদিরি নামে পরিচিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘাঁটি কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
এটি ছাড়াও কুয়েতের আরও দুটি ঘাঁটিতে হামলার কথা জানিয়েছে আইআরজিসি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতের দুটি নৌ ঘাঁটি ‘মোহাম্মদ আল আহমদ’ ও ‘আলী আল সালেম’-এ অবস্থিত ক্যাম্প প্যাট্রিয়ট ও মার্কিন ‘সন্ত্রাসী’ সেনাদের আবাসন ও সরঞ্জাম রাখার গুদামগুলোতেও ভয়াবহভাবে হামলা করা হয়েছে।

কুয়েত ছাড়া বাহরাইনে হামলার কথা উল্লেখ করে আইআরজিসি বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাহরাইনের মিনা সালমান বন্দরে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইআরজিসি বলছে, আমরা কেবল শত্রুর সম্পূর্ণ পরাজয় শিকারের কথা ভাবছি। আমরা তখনই এই লড়াই শেষ করব যখন দেশ থেকে যুদ্ধের ছায়া অপসারিত হবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুদ্ধ কবে শেষ হবে, সেটি নির্ভর করছে তার নিজের ওপর। তিনি চাইলেই এই যুদ্ধ শেষ করে দিতে পারেন।
মার্কিন গণমাধ্যমকে অ্যাক্সিওসকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানে আঘাত করার মতো আসলে আর কিছুই বাকি নেই। ফলে এই যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে। আমি যখনই চাইব এটি শেষ হোক, তখনই এটি শেষ হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে অবশ্য এই যুদ্ধে তার অংশীদার ইসরায়েলের বক্তব্য খুব একটা মিলছে না। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বুধবার বলেছেন, কোনো সময়সীমা ছাড়াই এই যুদ্ধ চলতে থাকবে।
রয়টার্স ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত করা হয় কাৎজের বক্তব্য। তিনি জানিয়েছেন, যতদিন প্রয়োজন এবং ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ অভিযানের যত লক্ষ্য রয়েছে সবগুলো অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় শুরু হওয়া যুদ্ধে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা অব্যাহত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের বিপ্লবী সামরিক বাহিনী আইআরজিসি। তারা বলছে, ‘শত্রুর পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ’ ছাড়া তারা আর কিছু তাদের ভাবনায় নেই।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার দাবি করেছেন, প্রায় গোটা ইরানকেই হামলায় বিপর্যস্ত করেছেন তারা। এখন এই যুদ্ধ খুব ‘শিগগিরই’ শেষ হতে যাচ্ছে।
বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
এ দিন ইরানের সামরিক বাহিনী বিপ্লবী গার্ড তথা আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা হামলার ৩৮তম ধাপ শুরু করেছে। কুয়েতের আদিরি হেলিকপ্টার ঘাঁটিতে দুইটি শক্তিশালী ও যুগপৎ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করা হয়েছে, এতে আহত ১০০ জন ব্যক্তিকে দেশটির আল জাবের ও আল মুবারাক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
আদিরি ঘাঁটি বলতে আইআরজিসি মূলত বিউরিং ঘাঁটিকে বুঝিয়েছে, যেটি আগে আদিরি নামে পরিচিত ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘাঁটি কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
এটি ছাড়াও কুয়েতের আরও দুটি ঘাঁটিতে হামলার কথা জানিয়েছে আইআরজিসি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কুয়েতের দুটি নৌ ঘাঁটি ‘মোহাম্মদ আল আহমদ’ ও ‘আলী আল সালেম’-এ অবস্থিত ক্যাম্প প্যাট্রিয়ট ও মার্কিন ‘সন্ত্রাসী’ সেনাদের আবাসন ও সরঞ্জাম রাখার গুদামগুলোতেও ভয়াবহভাবে হামলা করা হয়েছে।

কুয়েত ছাড়া বাহরাইনে হামলার কথা উল্লেখ করে আইআরজিসি বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাহরাইনের মিনা সালমান বন্দরে অবস্থিত আমেরিকান ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
বিবৃতিতে আইআরজিসি বলছে, আমরা কেবল শত্রুর সম্পূর্ণ পরাজয় শিকারের কথা ভাবছি। আমরা তখনই এই লড়াই শেষ করব যখন দেশ থেকে যুদ্ধের ছায়া অপসারিত হবে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান যুদ্ধ কবে শেষ হবে, সেটি নির্ভর করছে তার নিজের ওপর। তিনি চাইলেই এই যুদ্ধ শেষ করে দিতে পারেন।
মার্কিন গণমাধ্যমকে অ্যাক্সিওসকে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানে আঘাত করার মতো আসলে আর কিছুই বাকি নেই। ফলে এই যুদ্ধ ‘শিগগিরই’ শেষ হবে। আমি যখনই চাইব এটি শেষ হোক, তখনই এটি শেষ হবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে অবশ্য এই যুদ্ধে তার অংশীদার ইসরায়েলের বক্তব্য খুব একটা মিলছে না। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বুধবার বলেছেন, কোনো সময়সীমা ছাড়াই এই যুদ্ধ চলতে থাকবে।
রয়টার্স ও দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে উদ্ধৃত করা হয় কাৎজের বক্তব্য। তিনি জানিয়েছেন, যতদিন প্রয়োজন এবং ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ অভিযানের যত লক্ষ্য রয়েছে সবগুলো অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলবে।

অস্ট্রেলিয়ার সিনেটে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি জানান, ইরানি হামলার ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে ক্যানবেরা।
১৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন হরমুজ প্রণালিতে থাকা অকার্যকর মাইন বসানো দশটি ইরানি নৌযানে মার্কিন বাহিনী হামলা করেছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানায়, এই হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসরাইলের বিভিন্ন শহর, যার মধ্যে তেল আবিব ও হাইফা রয়েছে। এছাড়া ‘পশ্চিম জেরুজালেম’ এলাকাও লক্ষ্যবস্তু করা হয়—এটি বিতর্কিত জেরুজালেম শহরের সেই এলাকা যা বর্তমানে পুরোপুরি ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এ কারণে আমাদের বিশেষ বাজেটের প্রয়োজন। কয়েক বিলিয়ন শেকেল (ইসরায়েলি মুদ্রা) লাগবে প্রতিরক্ষা বাজেটের জন্য এই যুদ্ধের জন্য।
১৮ ঘণ্টা আগে