
সিলেট প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি মাসে সিলেট বিভাগে সংঘটিত ৩২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২ জনের মৃত্যু ও ১৪৪ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে ৩২ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ১৪৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন মোটরসাইকেল আরোহী। বিভাগের মধ্যে গত মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে সিলেট জেলায় এবং সবচেয়ে কম মৌলভীবাজারে।
ফেব্রুয়ারি মাসে সিলেট জেলায় ১৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত, আহত হন ২৭ জন। সুনামগঞ্জে ৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় আটজনের প্রাণহানি ঘটেছে, পাশাপাশি আহত হয়েছেন ৩৩ জন। মৌলভীবাজারে একটি দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন এবং হবিগঞ্জ জেলায় ৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৬ জন ও ৮১ জন আহত হয়েছেন।
নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম মিশু এক বিবৃতিতে জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার তথ্য, দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্য, অনুমেয় অনুজ বা অপ্রকাশিত ঘটনা ও নিসচা সিলেটের শাখা সংগঠনগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে নিসচা বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ফেব্রুয়ারি মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ১১ জন মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী ও ৬ জন সিএনজিচালক ও আরোহী ও ৬ জন পথচারী রয়েছেন। এছাড়াও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে ৬টি দুর্ঘটনায় ৪ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৫টি দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছের সঙ্গে ধাক্কায় ২টি দুর্ঘটনায় ২ জন, এসময় ১২ জন চালক নিহত হয়েছেন। ফেব্রুয়ারি মাসে নিহত ৩২ জনের মধ্যে ২৩ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছেন, বলা হয় প্রতিবেদনে।
জানুয়ারিতে সিলেটে ৩৩ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬ জন নিহত ও ৬৮ জন আহত হন।

ফেব্রুয়ারি মাসে সিলেট বিভাগে সংঘটিত ৩২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩২ জনের মৃত্যু ও ১৪৪ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ মার্চ) নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) সিলেট বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে ৩২ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি ১৪৪ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন মোটরসাইকেল আরোহী। বিভাগের মধ্যে গত মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে সিলেট জেলায় এবং সবচেয়ে কম মৌলভীবাজারে।
ফেব্রুয়ারি মাসে সিলেট জেলায় ১৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত, আহত হন ২৭ জন। সুনামগঞ্জে ৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় আটজনের প্রাণহানি ঘটেছে, পাশাপাশি আহত হয়েছেন ৩৩ জন। মৌলভীবাজারে একটি দুর্ঘটনায় একজন নিহত ও ৩ জন আহত হয়েছেন এবং হবিগঞ্জ জেলায় ৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন ৬ জন ও ৮১ জন আহত হয়েছেন।
নিসচা কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট বিভাগীয় কমিটির সদস্য সচিব ও সিলেট জেলার আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম মিশু এক বিবৃতিতে জানান, পাঁচটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা, অনলাইন পত্রিকার তথ্য, দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার তথ্য, অনুমেয় অনুজ বা অপ্রকাশিত ঘটনা ও নিসচা সিলেটের শাখা সংগঠনগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে নিসচা বিভাগীয় কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ফেব্রুয়ারি মাসে সিলেট বিভাগে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ১১ জন মোটরসাইকেলচালক ও আরোহী ও ৬ জন সিএনজিচালক ও আরোহী ও ৬ জন পথচারী রয়েছেন। এছাড়াও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি উল্টে ৬টি দুর্ঘটনায় ৪ জন, মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৫টি দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছের সঙ্গে ধাক্কায় ২টি দুর্ঘটনায় ২ জন, এসময় ১২ জন চালক নিহত হয়েছেন। ফেব্রুয়ারি মাসে নিহত ৩২ জনের মধ্যে ২৩ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও ৩ জন শিশু রয়েছেন, বলা হয় প্রতিবেদনে।
জানুয়ারিতে সিলেটে ৩৩ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬ জন নিহত ও ৬৮ জন আহত হন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে