
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকারি হাসপাতালে বায়োমেট্রিক হাজিরা দিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নিজ চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগে এক চিকিৎসকের নিবন্ধন ছয় মাসের জন্য স্থগিতের সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-কে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
অভিযুক্ত চিকিৎসক রাজেশ মজুমদার শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু)। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব মুহাম্মদ আবদুর রউফ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, রাজেশ মজুমদার বায়োমেট্রিক হাজিরা দিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখেছেন—এমন অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে বিষয়টি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
ওই সময় তিনি নিজেকে অসুস্থ দাবি করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায় তার বিএমডিসি নিবন্ধন ছয় মাসের জন্য স্থগিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে একই অভিযোগে শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান নোটিশ জারি করে রাজেশ মজুমদারের কাছে কৈফিয়ত তলব করেছেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, তার এ ধরনের আচরণের কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সেবা ব্যাহত হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর পরিপন্থী। কেন তার বিরুদ্ধে একই বিধিমালার ৩৯(১) বিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে নোটিশ জারির তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরকারি হাসপাতালে বায়োমেট্রিক হাজিরা দিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নিজ চেম্বারে রোগী দেখার অভিযোগে এক চিকিৎসকের নিবন্ধন ছয় মাসের জন্য স্থগিতের সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)-কে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
অভিযুক্ত চিকিৎসক রাজেশ মজুমদার শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (শিশু)। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উপসচিব মুহাম্মদ আবদুর রউফ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, রাজেশ মজুমদার বায়োমেট্রিক হাজিরা দিয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখেছেন—এমন অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়। ৪ মার্চ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে বিষয়টি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
ওই সময় তিনি নিজেকে অসুস্থ দাবি করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়মের পাশাপাশি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। এ অবস্থায় তার বিএমডিসি নিবন্ধন ছয় মাসের জন্য স্থগিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এদিকে একই অভিযোগে শরীয়তপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান নোটিশ জারি করে রাজেশ মজুমদারের কাছে কৈফিয়ত তলব করেছেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, তার এ ধরনের আচরণের কারণে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের সেবা ব্যাহত হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর পরিপন্থী। কেন তার বিরুদ্ধে একই বিধিমালার ৩৯(১) বিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—সে বিষয়ে নোটিশ জারির তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পেলে পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তালিকায় মোছা. সালমা আক্তারের নাম থাকলেও তার নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে অর্থ জমা হয়নি; বরং অন্য এক নারীর হিসাবে টাকা জমা ও উত্তোলনের তথ্য মিলেছে। ফলে গত দুই বছর ধরে সরকারি ভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন প্রকৃত ভাতাভোগী সালমা আক্তার।
১ দিন আগে
ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনে কার্যালয় এলাকায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রতিমন্ত্রী অফিসের বারান্দায় প্রায় আধা ঘণ্টা বসে কর্মকর্তাদের জন্য অপেক্ষা করেন। স্থানীয় সেবাগ্রহীতা ও সাধারণ মানুষ এ দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন।
১ দিন আগে
পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিহত শিশু ইরার বাবা মনিরের সঙ্গে বাবু শেখের বিরোধ ছিল। বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এর জের ধরে মনিরের মেয়ে ইরাকে হত্যা করে প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি।
২ দিন আগে
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের গ্রামের প্রবাসী সাইদুল সরদারের ছেলে ফরিদ সরদারের কাছে দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন সাইফুল সরদার ও তাইজুল সরদার নামের দুই যুবক। এ সময় ফরিদ চাঁদা দিতে অস্বীকার জানালে গত ৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যার দিকে ফাসিয়াতলা বাজারের অটোস্ট্যান্ডে
২ দিন আগে