
দিনাজপুর প্রতিনিধি

দেড় মাস বয়সী শিশুকন্যা সিফাতকে নিয়ে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে রওয়ানা হয়েছিলেন কোহিনুর বেগম (২৭)। পথে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সন্তানকে নিয়ে ছিটকে পড়েন সড়কে। সে ধাক্কার রেশ আর কাটিয়ে উঠতে পারেননি দুজনের কেউই। দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে ঘটেছে এ দুর্ঘটনা।
নিহত কোহিনুর বিরামপুর পৌর এলাকার ধানগড়া গ্রামের বাসিন্দা গোলাম রব্বানীর স্ত্রী। দুর্ঘটনায় রব্বানী আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বিরামপুর থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে কোহিনুর তার স্বামীর সঙ্গে বের হন বাসা থেকে। মোটরসাইকেলে করে এক আত্মীয়ের বাসায় যাচ্ছিলেন। পথে সোনালী ব্যাংকের সামনে দ্রুতগতির একটি ট্রাক পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এ সময় কোলে থাকা সন্তানকে নিয়ে ছিটকে পড়েন কোহিনুর। মারা গেছেন তারা দুজনেই।
বিরামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধারে যান। কিন্তু মা ও সন্তানের কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এসআই জাহাঙ্গীর আরও বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাক নিয়ে চালক পালিয়ে গেছেন। চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

দেড় মাস বয়সী শিশুকন্যা সিফাতকে নিয়ে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে রওয়ানা হয়েছিলেন কোহিনুর বেগম (২৭)। পথে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সন্তানকে নিয়ে ছিটকে পড়েন সড়কে। সে ধাক্কার রেশ আর কাটিয়ে উঠতে পারেননি দুজনের কেউই। দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর পৌর শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে ঘটেছে এ দুর্ঘটনা।
নিহত কোহিনুর বিরামপুর পৌর এলাকার ধানগড়া গ্রামের বাসিন্দা গোলাম রব্বানীর স্ত্রী। দুর্ঘটনায় রব্বানী আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বিরামপুর থানা পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে কোহিনুর তার স্বামীর সঙ্গে বের হন বাসা থেকে। মোটরসাইকেলে করে এক আত্মীয়ের বাসায় যাচ্ছিলেন। পথে সোনালী ব্যাংকের সামনে দ্রুতগতির একটি ট্রাক পেছন থেকে তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এ সময় কোলে থাকা সন্তানকে নিয়ে ছিটকে পড়েন কোহিনুর। মারা গেছেন তারা দুজনেই।
বিরামপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এস এম জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধারে যান। কিন্তু মা ও সন্তানের কাউকেই বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এসআই জাহাঙ্গীর আরও বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ট্রাক নিয়ে চালক পালিয়ে গেছেন। চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে