
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঈদকে সামনে রেখে ভিজিএফ চালের কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে মাগুরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ তরিকুল ইসলামসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় ইতোমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দলীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩০০ জনের জন্য ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কার্ড বিতরণসংক্রান্ত আলোচনা করতে ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে যান পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসাইন। এ সময় ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আবুল হোসেন আবু নামে এক কর্মী অভিযোগ করেন, তাকে আলোচনায় ডাকা হয়নি এবং কার্ড বণ্টনে তার অংশ রাখা হয়নি। এ নিয়ে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে গড়ায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইফতারের পর বাটিকাডাঙ্গা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষ পুনরায় মুখোমুখি হলে পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষ চলাকালে আবুল হোসেন আবু সমর্থিতরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শেখ তরিকুল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এছাড়া আসলাম, বাকের, দেলোয়ার, ইয়াছিন, রহিলসহ উভয় পক্ষের আরও অন্তত ১৪ জন আহত হন। এ সময় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে র্যাব সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত হন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ শিবলী সাদিক জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মাগুরা সদর থানা–এ উভয় পক্ষ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। দুটি মামলায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩৫ থেকে ৪৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে এক পক্ষের মামলার বাদীও রয়েছেন।
আটক প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, ভিজিএফ কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, দল-মত নির্বিশেষে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে পুলিশ কাজ করছে।

ঈদকে সামনে রেখে ভিজিএফ চালের কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে মাগুরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ তরিকুল ইসলামসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় ইতোমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
দলীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩০০ জনের জন্য ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কার্ড বিতরণসংক্রান্ত আলোচনা করতে ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে যান পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসাইন। এ সময় ছাত্রদল, যুবদলসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আবুল হোসেন আবু নামে এক কর্মী অভিযোগ করেন, তাকে আলোচনায় ডাকা হয়নি এবং কার্ড বণ্টনে তার অংশ রাখা হয়নি। এ নিয়ে শুরু হয় কথা-কাটাকাটি, যা একপর্যায়ে হাতাহাতিতে গড়ায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইফতারের পর বাটিকাডাঙ্গা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষ পুনরায় মুখোমুখি হলে পরিস্থিতি সহিংস রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষ চলাকালে আবুল হোসেন আবু সমর্থিতরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শেখ তরিকুল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এছাড়া আসলাম, বাকের, দেলোয়ার, ইয়াছিন, রহিলসহ উভয় পক্ষের আরও অন্তত ১৪ জন আহত হন। এ সময় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে র্যাব সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত হন। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ শিবলী সাদিক জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মাগুরা সদর থানা–এ উভয় পক্ষ পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। দুটি মামলায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৩৫ থেকে ৪৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে এক পক্ষের মামলার বাদীও রয়েছেন।
আটক প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, ভিজিএফ কার্ড বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি জানান, দল-মত নির্বিশেষে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে পুলিশ কাজ করছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে