
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ঝড়ে উপড়ে পড়া বটগাছের চাপায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় কমপক্ষে চারজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাঘার বাউসা ইউনিয়নের চকবাজার গ্রামের রাজার মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- বাঘার পাঁচপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিন (৪০), জাকির হোসেন (৩৫), মো. সেন্টু মিয়া (৩০) ও অজ্ঞাত একজন। এছাড়া, আহতরা হলেন বাঘার চক বাউসা গ্রামের তাহেরের ছেলে মুকুল, সুকামের ছেলে রুবেল, হারানের ছেলে শাহারুল ও জান মোহাম্মদের ছেলে আজগর। তাদের উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ করেই রাজশাহীর আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়। শুরু হয় প্রচণ্ড আকারে বাতাস আর ধুলো ঝড়। এই ঝড়ের তাণ্ডবে বিশাল বড় একটা বটগাছ বাউসা বাজার মোড় এলাকায় উপড়ে চায়ের স্টলের ওপর পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ শুরু করে। এ ঘটনায় চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া, বাকি চারজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মো. এহসারুল্লাহ নামের স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে বৃষ্টির সাথে ঝড়ও শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ গ্রামের পুরোনো বটগাছটি উপরে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন ওই বটগাছের নিচে পড়ে যান।
জানতে চাইলে রাজশাহীর বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলার ওপর দিয়ে মঙ্গলবার রাতে বৃষ্টির সঙ্গে আকস্মিক ঝড়ও বয়ে যায়। এতে রাজার মোড় এলাকার একটি পুরাতন বড় বটগাছ উপড়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা গিয়ে উদ্ধার কাজ চালিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় ঝড়ে উপড়ে পড়া বটগাছের চাপায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় কমপক্ষে চারজন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাঘার বাউসা ইউনিয়নের চকবাজার গ্রামের রাজার মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- বাঘার পাঁচপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিন (৪০), জাকির হোসেন (৩৫), মো. সেন্টু মিয়া (৩০) ও অজ্ঞাত একজন। এছাড়া, আহতরা হলেন বাঘার চক বাউসা গ্রামের তাহেরের ছেলে মুকুল, সুকামের ছেলে রুবেল, হারানের ছেলে শাহারুল ও জান মোহাম্মদের ছেলে আজগর। তাদের উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তরিকুল ইসলাম জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে হঠাৎ করেই রাজশাহীর আকাশ কালো মেঘে ছেয়ে যায়। শুরু হয় প্রচণ্ড আকারে বাতাস আর ধুলো ঝড়। এই ঝড়ের তাণ্ডবে বিশাল বড় একটা বটগাছ বাউসা বাজার মোড় এলাকায় উপড়ে চায়ের স্টলের ওপর পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ শুরু করে। এ ঘটনায় চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া, বাকি চারজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মো. এহসারুল্লাহ নামের স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে বৃষ্টির সাথে ঝড়ও শুরু হয়। এ সময় হঠাৎ গ্রামের পুরোনো বটগাছটি উপরে পড়ে। এতে বেশ কয়েকজন ওই বটগাছের নিচে পড়ে যান।
জানতে চাইলে রাজশাহীর বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলার ওপর দিয়ে মঙ্গলবার রাতে বৃষ্টির সঙ্গে আকস্মিক ঝড়ও বয়ে যায়। এতে রাজার মোড় এলাকার একটি পুরাতন বড় বটগাছ উপড়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয়রা গিয়ে উদ্ধার কাজ চালিয়ে হতাহতদের উদ্ধার করে।

ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৭ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে