
রাজশাহী ব্যুরো

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও পুলিশের বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায় দুর্বৃত্তরা। এসময় পুলিশের বিভিন্ন থানা, ইউনিট ও কর্তব্যস্থল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। লুট হওয়া কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে। তবে লুণ্ঠিত শতভাগ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার না হওয়ায় বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি। ফলে আগামী বুধবার থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেসরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এর আগে, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বেসামরিক জনগণকে দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। ওই সময় পর্যন্ত যাঁদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তাঁদের আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গোলাবারুদসহ আগ্নেয়াস্ত্র–সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে বলা হয়েছে।
রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কোটা সংস্কার ও পরে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে চলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। শেষ তিন দিন গত ৩ থেকে ৫ আগস্ট (শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা ছাড়ার আগে-পরে) রাজশাহী বিভাগে পুলিশের ১৬ থানা ও ১১টি পুলিশ ফাঁড়ি ও পুলিশ বক্সে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসময় পুলিশের ১৫ জন সদস্য নিহত হন (যাদের সবাই সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় কর্মরত ছিলেন) ও ১৮৮ জন আহত হন। এছাড়া, চাইনা, এলএনজি, এসএনজি পিস্তল, শর্টগানসহ ২০৭টি অস্ত্র ও ১১ হাজার ২৭টি গোলাবারুদ লুট হয়। আবার, পুলিশের ১৮টি পিকআপ, একটি মাইক্রো বাস, ২টি প্রাইভেট কার, ৩ লেগুনা ও ১৭৪টি মোটরসাইকেলেও ভাঙচুর ও অগ্নিংযোগ করা হয়। ফলে সহিংসতার জেরে আত্মগোপনে চলে যান পুলিশের সদস্য। থানাগুলো পুলিশশূন্য হয়ে পড়লে ধসে পড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এতে রাজশাহীজুড়ে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে ময়নুল ইসলাম যোগ দেওয়ার পর সবাইকে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিলে রাজশাহীতে সব থানায় কার্যক্রম শুরু হয়।
ডিআইজির কার্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, রাজশাহী বিভাগে লুণ্ঠিত ২০৭টি অস্ত্রের মধ্যে ১৫৭টি উদ্ধার হলেও এখন পর্যন্ত ৫০টি অস্ত্র মিসিং আছে। আবার, লুণ্ঠিত ১৬ হাজার ৮২২ টি গোলাবারুদের মধ্যে উদ্ধার হয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৭৯৫টি। ফলে এখনও ১১ হাজার ২৭টি গোলাবারুদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন রাজশাহীবাসী। এমন অবস্থায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে লুটকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ থানায় ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর আগামী বুধবার থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে কোনো অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একাধিক সদস্যের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ফলে গত ৫ আগস্ট দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর রাজশাহীর থানাগুলো পুলিশশূন্য হয়ে পড়ে। রাজশাহীতে পুলিশ সদস্যরা আবারও কর্মস্থলে ফিরলেও নানা সংকটের কারণে জনগণের সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুরো গতি এখনও ফিরেনি। তবে, জনগণের মধ্যে আস্থার সঞ্চার করে তাদের সহযোগিতায় শিগগিরই স্বাভাবিক কর্মস্পৃহা দেখাতে চান তারা।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশনস্) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের সকল পুলিশ সদস্য কাজে ফেরায় সকল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে পুরো উদ্দোমে কাজ করতে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্তক প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে জনগণ যত বেশি সহযোগিতা করতে পুলিশ সদস্যরা তত দ্রুত আগের ন্যায় পুরো উদ্দোমে কাজ করতে সক্ষম হবে।
জনগণকে পুলিশের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সুবিধাবাদী লোকজন সুবিধা নেওয়ার সুযোগ খুজছে। দৃস্কৃতিকারীরা সব সময় অরাজকতা করার চেষ্টা করে। জনগণ এগিয়ে এলে তা সম্ভব হবে না।
লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে লুটকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ থানায় ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর আগামী বুধবার থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে কোনো অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও পুলিশের বিভিন্ন থানা ও ফাঁড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায় দুর্বৃত্তরা। এসময় পুলিশের বিভিন্ন থানা, ইউনিট ও কর্তব্যস্থল থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটপাটের ঘটনাও ঘটে। লুট হওয়া কিছু অস্ত্র ও গোলাবারুদ ইতিমধ্যে উদ্ধার হয়েছে। তবে লুণ্ঠিত শতভাগ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার না হওয়ায় বাড়ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি। ফলে আগামী বুধবার থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারেসরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এর আগে, ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বেসামরিক জনগণকে দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। ওই সময় পর্যন্ত যাঁদের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, তাঁদের আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে গোলাবারুদসহ আগ্নেয়াস্ত্র–সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে বলা হয়েছে।
রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, কোটা সংস্কার ও পরে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে চলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। শেষ তিন দিন গত ৩ থেকে ৫ আগস্ট (শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতা ছাড়ার আগে-পরে) রাজশাহী বিভাগে পুলিশের ১৬ থানা ও ১১টি পুলিশ ফাঁড়ি ও পুলিশ বক্সে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এসময় পুলিশের ১৫ জন সদস্য নিহত হন (যাদের সবাই সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানায় কর্মরত ছিলেন) ও ১৮৮ জন আহত হন। এছাড়া, চাইনা, এলএনজি, এসএনজি পিস্তল, শর্টগানসহ ২০৭টি অস্ত্র ও ১১ হাজার ২৭টি গোলাবারুদ লুট হয়। আবার, পুলিশের ১৮টি পিকআপ, একটি মাইক্রো বাস, ২টি প্রাইভেট কার, ৩ লেগুনা ও ১৭৪টি মোটরসাইকেলেও ভাঙচুর ও অগ্নিংযোগ করা হয়। ফলে সহিংসতার জেরে আত্মগোপনে চলে যান পুলিশের সদস্য। থানাগুলো পুলিশশূন্য হয়ে পড়লে ধসে পড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এতে রাজশাহীজুড়ে থমথমে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে ময়নুল ইসলাম যোগ দেওয়ার পর সবাইকে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দিলে রাজশাহীতে সব থানায় কার্যক্রম শুরু হয়।
ডিআইজির কার্যালয় সূত্রে আরও জানা যায়, রাজশাহী বিভাগে লুণ্ঠিত ২০৭টি অস্ত্রের মধ্যে ১৫৭টি উদ্ধার হলেও এখন পর্যন্ত ৫০টি অস্ত্র মিসিং আছে। আবার, লুণ্ঠিত ১৬ হাজার ৮২২ টি গোলাবারুদের মধ্যে উদ্ধার হয়েছে মাত্র ৫ হাজার ৭৯৫টি। ফলে এখনও ১১ হাজার ২৭টি গোলাবারুদ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন রাজশাহীবাসী। এমন অবস্থায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে লুটকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ থানায় ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর আগামী বুধবার থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে কোনো অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের একাধিক সদস্যের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ফলে গত ৫ আগস্ট দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর রাজশাহীর থানাগুলো পুলিশশূন্য হয়ে পড়ে। রাজশাহীতে পুলিশ সদস্যরা আবারও কর্মস্থলে ফিরলেও নানা সংকটের কারণে জনগণের সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুরো গতি এখনও ফিরেনি। তবে, জনগণের মধ্যে আস্থার সঞ্চার করে তাদের সহযোগিতায় শিগগিরই স্বাভাবিক কর্মস্পৃহা দেখাতে চান তারা।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী রেঞ্জের অ্যাডিশনাল ডিআইজি (অপারেশনস্) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের সকল পুলিশ সদস্য কাজে ফেরায় সকল কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে পুরো উদ্দোমে কাজ করতে জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্তক প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে জনগণ যত বেশি সহযোগিতা করতে পুলিশ সদস্যরা তত দ্রুত আগের ন্যায় পুরো উদ্দোমে কাজ করতে সক্ষম হবে।
জনগণকে পুলিশের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সুবিধাবাদী লোকজন সুবিধা নেওয়ার সুযোগ খুজছে। দৃস্কৃতিকারীরা সব সময় অরাজকতা করার চেষ্টা করে। জনগণ এগিয়ে এলে তা সম্ভব হবে না।
লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে লুটকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ থানায় ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর আগামী বুধবার থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক সারাদেশের ন্যায় রাজশাহীতেও যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে। অভিযানে কোনো অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাদের আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশ এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র।
১৯ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, 'মা খালেদা জিয়া আমাকে রাজনীতিতে গড়ে তুলেছেন। ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। সর্বকনিষ্ঠ মেয়র হিসেবেও দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছি তাঁর কারণেই।'
২১ ঘণ্টা আগে
বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রবিউল হাসান ভূঁইয়া জানান, সোমবার অসুস্থ বোধ করলে চিকিৎসার জন্য তিনি ঢাকায় যান। সে সময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। আজ বুধবার সকাল সাতটায় মৃত্যুবরণ করেন।
১ দিন আগে