
রাজশাহী ব্যুরো

সিল মারা ব্যালট পেপার নিয়ে বুথের মধ্যেই সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ওমর ফারুক ফারদিন নামে ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা। পোস্টে তিনি লিখেন, 'এলাকায় শ্বশুর দায়িত্বে🤣, আমরা বাপের ভুমিকা পালন করছি। আল্লাহ ভরসা।'
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে বুধবার (২৯ মে) চলমান রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর উপজেলার ভোট চলাকালে পবা উপজেলা নির্বাচনের একটি কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া ওমর ফারুক ফারদিন রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত)। তিনি পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের মাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। সকালে তিনি কয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে ভোট দিতে ঢোকেন। এরপর বুথে সিল দেওয়া ব্যালট নিয়ে সেলফিও তোলে তা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট দেন। পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হলে রাজশাহীজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি পোস্টটা সরিয়ে নেন।
এর আগে, ভোটকেন্দ্রে বুথের মধ্যে সিল দেওয়া ব্যালট নিয়ে তুলা সেলফি ফেসবুকে নিজের প্রোফাইলে পোস্টকালে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ওমর ফারুক ফারদিন ক্যাপশন হিসেবে লিখেন- ' এলাকায় শ্বশুর দায়িত্বে🤣, আমরা বাপের ভুমিকা পালন করছি। আল্লাহ ভরসা।'
দ্রুত ভাইরাল হওয়া ওই পোস্টে দেখা হয়ে যায়, ছবিটি বুথের ভেতরই তোলা। এছাড়া, হাতে থাকা ব্যালটে আনারস প্রতীকে সিল দেওয়া। আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দফতর সম্পাদক ফারুক হোসেন ডাবলু।
বুথের ভেতর সিল মারা ব্যালটসহ ফেসবুকে ছবি পোস্ট দেওয়ার বিষয়ে জানতে ওমর ফারুক ফারদিনকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে পবা উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সরকার অসীম কুমারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি কিছুক্ষণ আগেই আমার নজরে এসেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

সিল মারা ব্যালট পেপার নিয়ে বুথের মধ্যেই সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন ওমর ফারুক ফারদিন নামে ছাত্রলীগের এক সাবেক নেতা। পোস্টে তিনি লিখেন, 'এলাকায় শ্বশুর দায়িত্বে🤣, আমরা বাপের ভুমিকা পালন করছি। আল্লাহ ভরসা।'
ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে বুধবার (২৯ মে) চলমান রাজশাহীর পবা ও মোহনপুর উপজেলার ভোট চলাকালে পবা উপজেলা নির্বাচনের একটি কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া ওমর ফারুক ফারদিন রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত)। তিনি পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের মাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। সকালে তিনি কয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে ভোট দিতে ঢোকেন। এরপর বুথে সিল দেওয়া ব্যালট নিয়ে সেলফিও তোলে তা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে পোস্ট দেন। পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হলে রাজশাহীজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। এর প্রেক্ষিতে তিনি পোস্টটা সরিয়ে নেন।
এর আগে, ভোটকেন্দ্রে বুথের মধ্যে সিল দেওয়া ব্যালট নিয়ে তুলা সেলফি ফেসবুকে নিজের প্রোফাইলে পোস্টকালে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ওমর ফারুক ফারদিন ক্যাপশন হিসেবে লিখেন- ' এলাকায় শ্বশুর দায়িত্বে🤣, আমরা বাপের ভুমিকা পালন করছি। আল্লাহ ভরসা।'
দ্রুত ভাইরাল হওয়া ওই পোস্টে দেখা হয়ে যায়, ছবিটি বুথের ভেতরই তোলা। এছাড়া, হাতে থাকা ব্যালটে আনারস প্রতীকে সিল দেওয়া। আনারস প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দফতর সম্পাদক ফারুক হোসেন ডাবলু।
বুথের ভেতর সিল মারা ব্যালটসহ ফেসবুকে ছবি পোস্ট দেওয়ার বিষয়ে জানতে ওমর ফারুক ফারদিনকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে পবা উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সরকার অসীম কুমারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি কিছুক্ষণ আগেই আমার নজরে এসেছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

হত্যাকাণ্ডের সময় আবুল মৃধা ও তার দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে ছিলেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
১ দিন আগে
আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
১ দিন আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
২ দিন আগে