
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে চিকিৎসা নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে ধানবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় হাবিবুর রহমান নামের এক স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্ত্রী শিরিন সুলতানা। সোমবার (১ জুলাই) দিনগত রাত ১টার দিকে চারঘাট-বানেশ্বর সড়কের মোক্তারপুর ট্রাফিক মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমান রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের কামীনিগঙ্গারামপুর গ্রামের কাসেম প্রামাণিকের ছেলে। তিনি বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এদিকে, দুর্ঘটনায় আহত শিরিন সুলতানাকে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
অন্যদিকে, এই দুর্ঘটনায় ঘাতক ট্রাকসহ চালক শাজাহান আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পরে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে চালকের নামে নিয়মিত মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান পাশের বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। সোমবার বিকেলে তারা স্বামী-স্ত্রী রাজশাহী শহরে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। তবে তাদের ফিরতে অনেক রাত হয়ে যায়।
চিকিৎসা শেষে তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রাজশাহী শহর থেকে চারঘাট-বানেশ্বর সড়ক হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা মোক্তারপুর ট্রাফিক মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ধানবোঝাই ট্রাক (কুষ্টিয়া-ট-১১-১২৮৮) তাদের সিএনজিচালিত রিকশাকে ধাক্কা দিলে স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী শিরিন সুলতানা। পরে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে নিহতের স্ত্রী শিরিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সেখান থেকে পরে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে আহত শিরিন সুলতানার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
রাজশাহীর চারঘাট মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আফজাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের ছেলে কাইনাথ হাবিব লামিম বাদী হয়ে মঙ্গলবার নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। এতে আটক ট্রাকচালক শাজাহান আলীকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। সেই মামলায় দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজশাহীতে চিকিৎসা নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফেরার পথে ধানবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় হাবিবুর রহমান নামের এক স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্ত্রী শিরিন সুলতানা। সোমবার (১ জুলাই) দিনগত রাত ১টার দিকে চারঘাট-বানেশ্বর সড়কের মোক্তারপুর ট্রাফিক মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমান রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের কামীনিগঙ্গারামপুর গ্রামের কাসেম প্রামাণিকের ছেলে। তিনি বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এদিকে, দুর্ঘটনায় আহত শিরিন সুলতানাকে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
অন্যদিকে, এই দুর্ঘটনায় ঘাতক ট্রাকসহ চালক শাজাহান আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পরে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে চালকের নামে নিয়মিত মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান পাশের বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ও তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। সোমবার বিকেলে তারা স্বামী-স্ত্রী রাজশাহী শহরে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। তবে তাদের ফিরতে অনেক রাত হয়ে যায়।
চিকিৎসা শেষে তারা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে রাজশাহী শহর থেকে চারঘাট-বানেশ্বর সড়ক হয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তারা মোক্তারপুর ট্রাফিক মোড়ে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ধানবোঝাই ট্রাক (কুষ্টিয়া-ট-১১-১২৮৮) তাদের সিএনজিচালিত রিকশাকে ধাক্কা দিলে স্কুল শিক্ষক হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় গুরুতর আহত হন তার স্ত্রী শিরিন সুলতানা। পরে উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা তার স্ত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে নিহতের স্ত্রী শিরিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সেখান থেকে পরে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে আহত শিরিন সুলতানার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
রাজশাহীর চারঘাট মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আফজাল হোসেন জানান, এ ঘটনায় নিহত হাবিবুর রহমানের ছেলে কাইনাথ হাবিব লামিম বাদী হয়ে মঙ্গলবার নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। এতে আটক ট্রাকচালক শাজাহান আলীকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে। সেই মামলায় দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে