
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান (১)। সোমবার বিকালে রুয়েটের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান (১)- কে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পরিচালক (ছাত্র-কল্যাণ) পদে দায়িত্ব প্রদান করা হল। তিনি নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে উক্ত দায়িত্ব পালন করবেন। যোগদানের তারিখ থেকে এটা কার্যকর হবে। তিনি নিয়মানুযায়ী ভাতাদি পাবেন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান (১) ১৯৯৮ সালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পূর্ববর্তী বিআইটি) পুরকৌশল বিভাগ থেকে বি.এসসি ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৯৯ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হোন। এছাড়াও তিনি এম.এসসি, পিএইড.ডি ও পোস্ট ডক্টোরাল ফেলোশিপ ডিগ্রী অর্জন করেন। রুয়েটে ইতিপূর্বে তিনি ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক, পুরকৌশল বিভাগের প্রধান এবং নগর অঞ্চল ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি হল প্রভোস্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও একাডেমিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান (১)। সোমবার বিকালে রুয়েটের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান (১)- কে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পরিচালক (ছাত্র-কল্যাণ) পদে দায়িত্ব প্রদান করা হল। তিনি নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসাবে উক্ত দায়িত্ব পালন করবেন। যোগদানের তারিখ থেকে এটা কার্যকর হবে। তিনি নিয়মানুযায়ী ভাতাদি পাবেন।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান (১) ১৯৯৮ সালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পূর্ববর্তী বিআইটি) পুরকৌশল বিভাগ থেকে বি.এসসি ডিগ্রী অর্জন করেন। ১৯৯৯ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত হোন। এছাড়াও তিনি এম.এসসি, পিএইড.ডি ও পোস্ট ডক্টোরাল ফেলোশিপ ডিগ্রী অর্জন করেন। রুয়েটে ইতিপূর্বে তিনি ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক, পুরকৌশল বিভাগের প্রধান এবং নগর অঞ্চল ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি হল প্রভোস্টসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও একাডেমিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১৭ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৮ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
২০ ঘণ্টা আগে