
রাজশাহী ব্যুরো

ঘটা করে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রায় ৯ মাস পর রাজশাহী জেলা ও মহানগর যুবলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের যৌথ সইয়ে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত কমিটিতে জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন মাহমুদ হাসান ফয়সল সজল। তিনি আগের কমিটিতে সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়া, আগের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত সৈকতকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৯ সদস্য বিশিষ্ট এই আংশিক কমিটিতে আলমগীর হোসেন রঞ্জু, জোবায়ের হাসান রুবন, মুজাহিদ হোসেন মানিক, আরিফুল ইসলাম রাজা, তছিকুল ইসলাম, ওয়াসিম রেজা লিটন, কাজী মোজাম্মেল হক ও জাহাঙ্গীর আলমকে সহসভাপতি; মোবারক হোসেন মিলন, সামাউন ইসলাম ও সেজানুর রহমানকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক; কামরুল ইসলাম মিঠু, রফিকুজ্জামান রফিক, হাবিবুর রহমান হাবিব, মেরাজুল ইসলাম মেরাজ ও ফয়সাল আহমেদ রুনুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
এদিকে, মহানগর যুবলীগের সভাপতি করা হয়েছে আগের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান মনিরকে। সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আগের কমিটির আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনিকে। ১৪ সদস্য বিশিষ্ট এই আংশিক কমিটিতে আমিনুর রহমান খান রুবেল, মোখলেসুর রহমান মিলন, মুখুল শেখ, মাজেদুল আলম শিবলী ও জয়নাল আবেদীনকে সহ-সভাপতি; শফিকুজ্জামান শফিক ও রায়হানুল রহমান রয়েলকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, খালেদ হাসান বিপ্লব ও অরবিন্দ দত্ত বাপ্পীকে সাংগঠনিক সম্পাদক; মুরসালিন হক বাবুকে গ্রন্থনা-প্রকাশনা সম্পাদক এবং প্রনব কুমার সরকার ও এস এম আশিকুর রহমানকে সহ-সম্পাদক করা হয়েছে।
যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সম্মেলনের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য মাহমুদ হাসান ফয়সল সজলকে সভাপতি এবং মো. ইয়াসির আরাফাত সৈকতকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী জেলা যুবলীগের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির মধ্যে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে মো. মনিরুজ্জামান খান মণিরকে সভাপতি ও তৌরিদ আল মাসুদ রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের ১১১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির মধ্য থেকে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, দুই মেয়াদে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের নেতৃত্বে ছিলেন রমজান আলী ও মোশাররফ হোসেন বাচ্চু। ২০০৪ সালের ১৮ এপ্রিল মহানগর যুবলীগের সম্মেলনে তারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। একযুগ পর ২০১৬ সালের ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সম্মেলনেও দ্বিতীয়বার একই পদে থেকে যান তারা।
অন্যদিকে, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহও দায়িত্বে ছিলেন দেড় যুগের বেশি সময়। এছাড়া জেলার সাধারণ সম্পাদক এইচএম খালিদ ওয়াসি কেটুর মৃত্যুর পর দীর্ঘ চার বছর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকরে দায়িত্ব সামলান আলী আযম সেন্টু।
অবশেষে গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘটা করে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহানগর ও জেলা যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ঘটা করে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রায় ৯ মাস পর রাজশাহী জেলা ও মহানগর যুবলীগের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের যৌথ সইয়ে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
অনুমোদিত কমিটিতে জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন মাহমুদ হাসান ফয়সল সজল। তিনি আগের কমিটিতে সহ-সভাপতি ছিলেন। এছাড়া, আগের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত সৈকতকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৯ সদস্য বিশিষ্ট এই আংশিক কমিটিতে আলমগীর হোসেন রঞ্জু, জোবায়ের হাসান রুবন, মুজাহিদ হোসেন মানিক, আরিফুল ইসলাম রাজা, তছিকুল ইসলাম, ওয়াসিম রেজা লিটন, কাজী মোজাম্মেল হক ও জাহাঙ্গীর আলমকে সহসভাপতি; মোবারক হোসেন মিলন, সামাউন ইসলাম ও সেজানুর রহমানকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক; কামরুল ইসলাম মিঠু, রফিকুজ্জামান রফিক, হাবিবুর রহমান হাবিব, মেরাজুল ইসলাম মেরাজ ও ফয়সাল আহমেদ রুনুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে।
এদিকে, মহানগর যুবলীগের সভাপতি করা হয়েছে আগের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান মনিরকে। সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে আগের কমিটির আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনিকে। ১৪ সদস্য বিশিষ্ট এই আংশিক কমিটিতে আমিনুর রহমান খান রুবেল, মোখলেসুর রহমান মিলন, মুখুল শেখ, মাজেদুল আলম শিবলী ও জয়নাল আবেদীনকে সহ-সভাপতি; শফিকুজ্জামান শফিক ও রায়হানুল রহমান রয়েলকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, খালেদ হাসান বিপ্লব ও অরবিন্দ দত্ত বাপ্পীকে সাংগঠনিক সম্পাদক; মুরসালিন হক বাবুকে গ্রন্থনা-প্রকাশনা সম্পাদক এবং প্রনব কুমার সরকার ও এস এম আশিকুর রহমানকে সহ-সম্পাদক করা হয়েছে।
যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সম্মেলনের তারিখ থেকে পরবর্তী ৩ বছরের জন্য মাহমুদ হাসান ফয়সল সজলকে সভাপতি এবং মো. ইয়াসির আরাফাত সৈকতকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী জেলা যুবলীগের ১০১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির মধ্যে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে মো. মনিরুজ্জামান খান মণিরকে সভাপতি ও তৌরিদ আল মাসুদ রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের ১১১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির মধ্য থেকে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, দুই মেয়াদে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে রাজশাহী মহানগর যুবলীগের নেতৃত্বে ছিলেন রমজান আলী ও মোশাররফ হোসেন বাচ্চু। ২০০৪ সালের ১৮ এপ্রিল মহানগর যুবলীগের সম্মেলনে তারা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। একযুগ পর ২০১৬ সালের ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত সম্মেলনেও দ্বিতীয়বার একই পদে থেকে যান তারা।
অন্যদিকে, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহও দায়িত্বে ছিলেন দেড় যুগের বেশি সময়। এছাড়া জেলার সাধারণ সম্পাদক এইচএম খালিদ ওয়াসি কেটুর মৃত্যুর পর দীর্ঘ চার বছর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকরে দায়িত্ব সামলান আলী আযম সেন্টু।
অবশেষে গত বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘটা করে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহানগর ও জেলা যুবলীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

হত্যাকাণ্ডের সময় আবুল মৃধা ও তার দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে ছিলেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে