
রাজশাহী ব্যুরো

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের স্টেকহোল্ডার হিসেবে যারা নিজেদের দাবি করে, তারা দেশে নৃশংস ঘটনার (ধর্ষণ ও যৌন হয়রানী) পরও এখন নির্লিপ্ত রয়েছে। শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার অভিলাসে, ক্ষমতায় যাওয়ার অভিপ্রায়ে তারা দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। রাষ্ট্র পঁচে-গলে যাওয়ার অবস্থা তৈরি হলেও তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।
আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহী কলেজের সামনে এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নিপীড়ন, ধর্ষণ, অনলাইন হেনস্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের রাজশাহী কলেজ শাখা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
আমানুল্লাহ আমান বলেন, বাংলাদেশে অব্যাহতভাবে নারীদের প্রতি যে বর্বরতা, সহিংসতা, নৃশংসতা ও নিপীড়ন চলছে, এটি ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশের জনগণ কোনোভাবে চিন্তাও করতে পারেনি। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি ফোঁটা রক্তের বিনিময়ে আরেকবার আমরা বাক স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি। সেই বাংলাদেশে আছিয়ার মতো ঘটনা ঘটবে এটা আমাদের কাছে মেনে নেওয়ার মতো না। আমরা ৫ আগস্টের স্পিরিটকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে পারছি না। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র যে নিপীড়নকে প্রশ্রয় দিচ্ছে সেটার একটা জঘন্য দৃষ্টান্ত এই আছিয়ার ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, যদি একটি ঘটনারও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতো তাহলে অন্য কুলাঙ্গাররা আর সাহস পেতো না। বাংলাদেশে ধর্ষণবিরোধী প্রচলিত যে আইন রয়েছে সেটিও ধর্ষকদের রেহাই দেওয়ার আরেকটি জঘন্য প্রক্রিয়া। বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘ সূত্রতার কারণে দৃষ্টান্তমূলক কোনো বিচার হচ্ছে না। ফলে ধর্ষকরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সতর্ক করে এই ছাত্রদল নেতা বলেন, রাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা পঁচে-গলে যাওয়া সিস্টেমেই থাকবে নাকি দেশের মানুষ যে কারণে রক্ত দিয়েছে সেই প্রত্যাশা পূরণ করবে। যদি ঠিক মতো না বিচার করতে পারেন, জনগণ হাসিনার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে, আপনাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতেও সময় লাগবে না।
মানববন্ধনে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির, সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশিকুজ্জামান প্রিতমসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানুল্লাহ আমান বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের স্টেকহোল্ডার হিসেবে যারা নিজেদের দাবি করে, তারা দেশে নৃশংস ঘটনার (ধর্ষণ ও যৌন হয়রানী) পরও এখন নির্লিপ্ত রয়েছে। শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার অভিলাসে, ক্ষমতায় যাওয়ার অভিপ্রায়ে তারা দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। রাষ্ট্র পঁচে-গলে যাওয়ার অবস্থা তৈরি হলেও তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।
আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহী কলেজের সামনে এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দেশব্যাপী নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, নিপীড়ন, ধর্ষণ, অনলাইন হেনস্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে ছাত্রদলের রাজশাহী কলেজ শাখা এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
আমানুল্লাহ আমান বলেন, বাংলাদেশে অব্যাহতভাবে নারীদের প্রতি যে বর্বরতা, সহিংসতা, নৃশংসতা ও নিপীড়ন চলছে, এটি ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশের জনগণ কোনোভাবে চিন্তাও করতে পারেনি। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি ফোঁটা রক্তের বিনিময়ে আরেকবার আমরা বাক স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি। সেই বাংলাদেশে আছিয়ার মতো ঘটনা ঘটবে এটা আমাদের কাছে মেনে নেওয়ার মতো না। আমরা ৫ আগস্টের স্পিরিটকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে পারছি না। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র যে নিপীড়নকে প্রশ্রয় দিচ্ছে সেটার একটা জঘন্য দৃষ্টান্ত এই আছিয়ার ঘটনা।
তিনি আরও বলেন, যদি একটি ঘটনারও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতো তাহলে অন্য কুলাঙ্গাররা আর সাহস পেতো না। বাংলাদেশে ধর্ষণবিরোধী প্রচলিত যে আইন রয়েছে সেটিও ধর্ষকদের রেহাই দেওয়ার আরেকটি জঘন্য প্রক্রিয়া। বিচারিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘ সূত্রতার কারণে দৃষ্টান্তমূলক কোনো বিচার হচ্ছে না। ফলে ধর্ষকরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।
অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সতর্ক করে এই ছাত্রদল নেতা বলেন, রাষ্ট্রকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা পঁচে-গলে যাওয়া সিস্টেমেই থাকবে নাকি দেশের মানুষ যে কারণে রক্ত দিয়েছে সেই প্রত্যাশা পূরণ করবে। যদি ঠিক মতো না বিচার করতে পারেন, জনগণ হাসিনার বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে, আপনাদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতেও সময় লাগবে না।
মানববন্ধনে রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদ আবির, সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশিকুজ্জামান প্রিতমসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চাকরি পুনর্বহাল, পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন দেশের পাঁচটি ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আজ সোমবার সকালে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
১ দিন আগে
চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খাইরুল ইসলাম সজীবকে আটকের কয়েক ঘণ্টা পর রাতেই ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল রোববার দুপুরে আটকের পর মুচলেকা নিয়ে তাকে রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
যে ঘর লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছে, সেটি রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব ও লক্ষ্মীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাত্তার মজুমদারের। গুলি ছোড়া যুবকের নাম সুমন মজুমদার। তিনি যুবদল নেতা আবদুস সাত্তার মজুমদারের ছোট ভাই। এলাকায় তিনি পৃথক ঘরে বসবাস করেন।
২ দিন আগে
রোববার (২১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় তাকে আটক করে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ। পরে সন্ধ্যায় যুবদলের দপ্তরের দায়িত্বে থাকা সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেলের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
২ দিন আগে