
জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাটে শিশু রিয়াদকে অপহরণ করে হত্যা করার মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১০ জুলাই) জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দাপাঁচখুপি গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে একাব্বর আলী, মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম ও তার ভাই আব্দুল মতিন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত রায় প্রদান করেছেন। তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন আসামি একাব্বর আলী। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দাপাঁচখুপি গ্রামের মাসুদুর রহমান দুলালের ৫ বছরের ছেলে রিয়াদ ২০০০ সালের ২৫ মার্চ সকাল থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুজি করেও পরিবারের সদস্যরা তার কোন সন্ধান পাননি। পরে ২৬ মার্চ আসামিরা রিয়াদকে অপহরণ করেছে জানিয়ে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এরপর ১০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও আসামিরা রিয়াদকে ২৭ মার্চ রাতের কোন এক সময় হত্যা করে। পরে দুপুরে গ্রামের একটি গর্ত থেকে শিশু রিয়াদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মামা বেলাল উদ্দীন তালুকদার বাদী হয়ে ক্ষেতলাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।

জয়পুরহাটে শিশু রিয়াদকে অপহরণ করে হত্যা করার মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১০ জুলাই) জয়পুরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম এ রায় দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দাপাঁচখুপি গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে একাব্বর আলী, মৃত সোলায়মান আলীর ছেলে শফিকুল ইসলাম ও তার ভাই আব্দুল মতিন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত রায় প্রদান করেছেন। তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছেন আসামি একাব্বর আলী। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার হিন্দাপাঁচখুপি গ্রামের মাসুদুর রহমান দুলালের ৫ বছরের ছেলে রিয়াদ ২০০০ সালের ২৫ মার্চ সকাল থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুজি করেও পরিবারের সদস্যরা তার কোন সন্ধান পাননি। পরে ২৬ মার্চ আসামিরা রিয়াদকে অপহরণ করেছে জানিয়ে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন। এরপর ১০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও আসামিরা রিয়াদকে ২৭ মার্চ রাতের কোন এক সময় হত্যা করে। পরে দুপুরে গ্রামের একটি গর্ত থেকে শিশু রিয়াদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মামা বেলাল উদ্দীন তালুকদার বাদী হয়ে ক্ষেতলাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করলে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে