
রাজশাহী ব্যুরো

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গত ১৫ বছরে জামায়াত ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবির যেকোনো দলের চেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে জানিয়ে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির ডা. কেরামত আলী বলেছেন, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হলেও আমরা কোনো প্রতিবাদ করতে পারিনি। এমন কি কেউ মারা গেলে জানাযার নামাজটাও পড়তে দেওয়া হয়নি। আমাদের লোকজন যে কান্না করবে সেই স্বাধীনতাটুকুও ছিল না। দেশের পটভূমি পরিবর্তন হওয়ার পর রাজনৈতিকভাবে প্রতিশোধ নিলে আমাদের বেশি প্রতিশোধ নেওয়া উচিত। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। তাই আমরা প্রতিশোধ নিতে চাই না। ছাত্র-জনকার গণঅভ্যুত্থানের বিনিময়ে আমরা স্বৈরাচার হটাতে সক্ষম হয়েছি। এখন দেশ গড়ার সময়। তাই কোনো সহিংসতা নয়, বরং দেশ গড়তে কাজ করতে চায় জামায়াত।
আজ শনিবার দুপুরে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনার শাসনামলে রাজশাহীতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ১১ নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেন রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির ডা. কেরামত আলী।
এসময় মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি এমাজউদ্দীন মন্ডল, নায়েবে আমির ও রাজশাহী বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম, অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তারা পুলিশের সমালোচনা করে বলেন, অধিকাংশ মামলা ও নিযাতন রাজনৈতিক নেতৃবেৃন্দের আদেশে পুলিশের দারা সংঘটিত হয়েছে। তবে এই সকল মামলা দ্রুত সমাধান হবে বলে আশাব্যক্ত করেন তারা।
তারা বলেন, পুলিশ আমাদের নিযাতন করেছে। শুধু দেশের স্বার্থে পুলিশের থানাসহ ক্ষতিগ্রস্থ সকল সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনাগুল আমরা গুছিয়ে দিয়েছি। তবে ভবিষ্যতে যেন কোন নিরাপরাধ মানুষ মামলায় না জড়ায়, আমরা সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখছি। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। কোনো ধরনের অন্যায় ও লুটের সঙ্গে আমাদের নেতা-কর্মীদের সর্ম্পক নেই। আগামীতে অনেক কাজ আছে। আগামীতে জনগণকে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে চায় জামায়াত। আমরা নতুন প্রজন্মকে ন্যায় ও সত্য সম্পর্কে জানাতে ও চেনাতে চাই।
নগর জামায়াতের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক সারোয়ার জাহান প্রিন্সের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল মোহাইমিন, রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি সিফাত আলমসহ জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গত ১৫ বছরে জামায়াত ইসলামী এবং ইসলামী ছাত্রশিবির যেকোনো দলের চেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে জানিয়ে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির ডা. কেরামত আলী বলেছেন, জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হলেও আমরা কোনো প্রতিবাদ করতে পারিনি। এমন কি কেউ মারা গেলে জানাযার নামাজটাও পড়তে দেওয়া হয়নি। আমাদের লোকজন যে কান্না করবে সেই স্বাধীনতাটুকুও ছিল না। দেশের পটভূমি পরিবর্তন হওয়ার পর রাজনৈতিকভাবে প্রতিশোধ নিলে আমাদের বেশি প্রতিশোধ নেওয়া উচিত। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। তাই আমরা প্রতিশোধ নিতে চাই না। ছাত্র-জনকার গণঅভ্যুত্থানের বিনিময়ে আমরা স্বৈরাচার হটাতে সক্ষম হয়েছি। এখন দেশ গড়ার সময়। তাই কোনো সহিংসতা নয়, বরং দেশ গড়তে কাজ করতে চায় জামায়াত।
আজ শনিবার দুপুরে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনার শাসনামলে রাজশাহীতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ১১ নেতাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেন রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির ডা. কেরামত আলী।
এসময় মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি এমাজউদ্দীন মন্ডল, নায়েবে আমির ও রাজশাহী বার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম, অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তারা পুলিশের সমালোচনা করে বলেন, অধিকাংশ মামলা ও নিযাতন রাজনৈতিক নেতৃবেৃন্দের আদেশে পুলিশের দারা সংঘটিত হয়েছে। তবে এই সকল মামলা দ্রুত সমাধান হবে বলে আশাব্যক্ত করেন তারা।
তারা বলেন, পুলিশ আমাদের নিযাতন করেছে। শুধু দেশের স্বার্থে পুলিশের থানাসহ ক্ষতিগ্রস্থ সকল সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনাগুল আমরা গুছিয়ে দিয়েছি। তবে ভবিষ্যতে যেন কোন নিরাপরাধ মানুষ মামলায় না জড়ায়, আমরা সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখছি। আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। কোনো ধরনের অন্যায় ও লুটের সঙ্গে আমাদের নেতা-কর্মীদের সর্ম্পক নেই। আগামীতে অনেক কাজ আছে। আগামীতে জনগণকে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে চায় জামায়াত। আমরা নতুন প্রজন্মকে ন্যায় ও সত্য সম্পর্কে জানাতে ও চেনাতে চাই।
নগর জামায়াতের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক সারোয়ার জাহান প্রিন্সের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল মোহাইমিন, রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি সিফাত আলমসহ জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১৮ ঘণ্টা আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
সিলেটের বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ আয়োজনে বাধ সেধেছে ‘তৌহিদী জনতা’ নামে একটি গোষ্ঠী। তারা প্রতিযোগিতা বন্ধের দাবি জানালেও আয়োজকরা ২৮ আগস্ট নৌকাবাইচ আয়োজনের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া কোনো নৌকাবাইচ হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২০ ঘণ্টা আগে
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বলেন, কলকাতা থেকে রওনা দেওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মরদেহ ৫টি বেনাপোলে পৌঁছাতে পারে। তবে ঠিক কখন মরদেহগুলো সীমান্তে পৌঁছাবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
২১ ঘণ্টা আগে