
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজশাহীতে রবিউল ইসলাম রবি (৪০) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত ৯টার দিকে নগরের পঞ্চবটী এলাকার খড়বোনার গাড়োয়ানপাড়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৩১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রাতেই অস্ত্রোপচার শুরু হলেও অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় দ্রুত তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
আহত আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবির বাড়ি নগরীর মতিহার থানার বিনোদপুর এলাকায়। তিনি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদের ছোট ভাই। রবি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চাকরি করেন। তিনি রাবি ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি শরিফুজ্জামান নোমানী হত্যা মামলাসহ পাঁচটি মামলার আসামি।
এদিকে, রবির উপর হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, রবি একটি বাড়ির পাশে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন এসে তাঁকে ঘিরে ফেলে। তখনই গুলির শব্দ শোনা যায়। এরপর এক ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কোপাতে থাকেন। দৌড়াতে গিয়ে রবি হোঁচট খেয়ে পড়ে যান। তখন ফের ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কোপানো হয়। একপর্যায়ে একজন হামলাকারী কাছ থেকে তাঁর পায়ে গুলি করেন।
আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ জানান, রবিউল নগরীর সাহেব বাজার থেকে বিনোদপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় খড়বোনা এলাকায় রিকশার গতি রোধ করে দুর্বত্তরা তাকে গুলি ও কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পাঁচ রাউন্ড গুলির খোসা পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, রবিউলের এক পায়ে গুলি করা হয়েছে। অন্য পা এবং দুটি হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পর তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। পরে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, রবির বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রাবি শিবির নেতা নোমানী হত্যা মামলার আসামি হিসেবে তাঁর নাম রয়েছে। হামলার ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত জড়িতদের শনাক্ত বা আটক করা যায়নি।
তিনি আরও জানান, হামলার ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাঁরা ফিরে এসে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রবিউল ইসলাম। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জে জনতার হাতে আটক হয়েছিলেন আত্মগোপনে থাকা রবিউলের ভাই শহিদুল ইসলাম। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। শহিদুল কারাগারে থাকলেও রবিউল জামিনে বের হয়ে আসেন।

রাজশাহীতে রবিউল ইসলাম রবি (৪০) নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গুলি ও কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত ৯টার দিকে নগরের পঞ্চবটী এলাকার খড়বোনার গাড়োয়ানপাড়ায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৩১ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। রাতেই অস্ত্রোপচার শুরু হলেও অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় দ্রুত তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
আহত আওয়ামী লীগ নেতা রবিউল ইসলাম রবির বাড়ি নগরীর মতিহার থানার বিনোদপুর এলাকায়। তিনি নগরীর ২৬ নং ওয়ার্ড (দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহিদের ছোট ভাই। রবি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) চাকরি করেন। তিনি রাবি ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি শরিফুজ্জামান নোমানী হত্যা মামলাসহ পাঁচটি মামলার আসামি।
এদিকে, রবির উপর হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, রবি একটি বাড়ির পাশে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ কয়েকটি মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন এসে তাঁকে ঘিরে ফেলে। তখনই গুলির শব্দ শোনা যায়। এরপর এক ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কোপাতে থাকেন। দৌড়াতে গিয়ে রবি হোঁচট খেয়ে পড়ে যান। তখন ফের ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে কোপানো হয়। একপর্যায়ে একজন হামলাকারী কাছ থেকে তাঁর পায়ে গুলি করেন।
আরএমপির বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ জানান, রবিউল নগরীর সাহেব বাজার থেকে বিনোদপুরের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় খড়বোনা এলাকায় রিকশার গতি রোধ করে দুর্বত্তরা তাকে গুলি ও কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে পাঁচ রাউন্ড গুলির খোসা পাওয়া গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।
রামেক হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. শংকর কে বিশ্বাস জানান, রবিউলের এক পায়ে গুলি করা হয়েছে। অন্য পা এবং দুটি হাতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। হাসপাতালে ভর্তির পর তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। পরে পরিবারের ইচ্ছায় তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) সাবিনা ইয়াসমিন জানান, রবির বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে রাবি শিবির নেতা নোমানী হত্যা মামলার আসামি হিসেবে তাঁর নাম রয়েছে। হামলার ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত জড়িতদের শনাক্ত বা আটক করা যায়নি।
তিনি আরও জানান, হামলার ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাঁরা ফিরে এসে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
পুলিশ জানায়, গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রবিউল ইসলাম। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর সিরাজগঞ্জে জনতার হাতে আটক হয়েছিলেন আত্মগোপনে থাকা রবিউলের ভাই শহিদুল ইসলাম। পরে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। শহিদুল কারাগারে থাকলেও রবিউল জামিনে বের হয়ে আসেন।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন বলেন, একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে তার পারিবারে। এটা কেন্দ্র করে তিনি এখন বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছেন। পাঁচ লাখ টাকার একটি অযৌক্তিক, অহেতুক, হয়রানিমূলক, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথা বলে বেড়াচ্ছেন। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। এমন ঘটে থাকলে তিনি যখন যশোর গেছেন,
১৮ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেন, মেয়েদের সবচেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছে ইসলাম। জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা তো বলিনি ছেলেরা সরো, মেয়ে বন্ধুরা এখন তোমরা আসো। আর মেয়েদের পাশে বসে সেলফি তোলে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষটা। বেপর্দা মেয়েদের সঙ্গে সেলফি তোলে। এটা তো ইসলামী আন্দোলন পারে না।
২০ ঘণ্টা আগে
এখনো ষড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এখন আরেকটি মহল ভেতরে-ভেতরে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, যেন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বাধাগ্রস্ত বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে, কেউ যেন নির্বাচন বানচাল করতে না পারে।
১ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ সম্ভব হলে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ পুরো উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা বদলে যাবে। কৃষি উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
১ দিন আগে