
রাজশাহী ব্যুরো

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজশাহীর হাটগুলোতে কোরবানির পশুর সরবরাহ বেড়েছে। মানভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে গরু-ছাগল। তবে স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে গরু কেনা যেন বিলাসিতা। তাই এসব মানুষের প্রিয় পছন্দ ছোট পশু ছাগল। তবে ‘লাখ টাকার বাগান খায় ৫ টাকার ছাগলে’ প্রচলিত সেই প্রবাদের মতো সস্তাও নয় ছাগল। কেননা, মানভেদে ছাগলেরও দাম চাওয়া হচ্ছে গরুতুল্য। আজ মঙ্গলবার রাজশাহীর সিটি পশুর হাটে জোড়া ছাগলের দাম হাকানো হয়েছে দুই লাখ টাকা।
সরেজমিনে সিটি পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা থেকে এই হাটে দুইটা ছাগল বিক্রি করতে এসেছেন ফরিদুল ইসলাম। ছাগল দুটি আকারে বেশ বড়সড়। গরুতুল্য এই জোড়া ছাগলের ওজন প্রায় দুই মণ করে। প্রতিটি ছাগলের দাম এক লাখ টাকা করে চাইছেন বিক্রেতা। যা শুনে অনেকের চোখ কপালে উঠলেও ১ লাখ ৩০ হাজার পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছেন ক্রেতা। এতে এই পশুর হাটে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছে বিশাল আকৃতির জোড়া ছাগল। কেননা, এই টাকায় অনায়াশেই কেনা যায় দুই/তিনটি গরু!
সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজশাহীর পশুর হাটগুলোতে চলতি বছর এই প্রথম এতো বড় ছাগলের দেখা মিলেছে। তাও আবার যেনতেন ছাগল নয়, প্রথম দেখায় মনে হবে ছোটখাটো গরু। কোরবানির আগেই পশুর বাজারে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছে বিশাল আকৃতির এই ছাগল দুটি। শুধু আকৃতিতেই বড় নয়, দামেও যেন আকাশ ছুঁয়েছে। হাকানো হচ্ছে লাখ টাকা করে।
ছাগল দুটির মালিক ফরিদুল ইসলাম বলেন, বাড়িতে অতি আদরে বড় করেছেন সাদা-লাল মিশ্রণের ছাগল দুটিকে। তাই পরিবারের সদস্যরা ছাগল দুটিকে আদর করে ডাকেন টাইগার ও লাল্টু বলে। নিজ বাড়িতে পালন করা প্রায় দুই মণ করে ওজনের ছাগল দুটি সবনিন্ম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে চান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পৃথকভাবে টাইগারের দাম এক লাখ ১০ হাজার টাকা চাইলেও দাম উঠেছে ৭০ হাজার আর লাল্টুর দাম ৯০ হাজার টাকা চাওয়া হলে দাম উঠেছে ৬০ হাজার টাকা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সিটি হাটের ছাগল হাটে টাইগার ও লাল্টুকে দুটি দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতা ও ব্যাপারিরা। অনেকে ছাগল দুটির সাথে সেলফিও তুলছেন। কেউ বা আবার দাম হাকছেন। তবে মন মত দাম না ওঠায় এখনও অবিক্রিত রয়েছে টাইগার ও লাল্টু।
ছাগলের ব্যাপারি মাজিদুর রহমান বলেন, দুই মনের ছাগল ঢাকায় বেশ চাহিদা আছে। তাই ছাগল দুটি কিনতে আমি আগ্রহী। তবে দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। আমি টাইগারের দাম ৭০ হাজার ও লাল্টুর দাম ৬০ হাজার টাকা বলেছি। তারা রাজি হচ্ছে না।
টাইগার ও লাল্টুর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন হাটে আসা নিজামুল হক। তিনি বলেন, এত বড় ছাগল হাটে আমি কখনও দেখিনি। তাই এটির সাথে একটি ছবি তুলে রাখলাম। দাম অনেক বেশি তাই নিতে পারছি না। তবে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করলে টাইগারকে কিনতে চাই।
সিটি হাটের ইজারাদার অতিকুর রহমান কালু বলেন, ঈদ কাছাকাছি চলে আসায় জমতে শুরু করেছে কেনা-বেচা। তবে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে পশুর লালন-পালন খরচও বেশি ছিল। ফলে এবার পশুর দাম বেশি হাকানো হচ্ছে। ফলে অধিকাংশ মানুষ ছাগল ক্রয়ের দিকে ঝুঁকছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার ছাগলের দামও বেশি। সিটি হাটে ১০ হাজার থেকে লাখ টাকার ছাগল পাওয়া যাচ্ছে।
রাজশাহী প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার রাজশাহীতে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা বেড়েছে। জেলাতে এবার যে পরিমাণ পশুর চাহিদা রয়েছে, লালন-পালন করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি। ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়ে এবারও অন্য জেলার চাহিদা মেটাবে রাজশাহীর গরু-ছাগল। চলতি বছর কোরবানি ঘিরে রাজশাহীতে চার লাখ ৬৬ হাজার ১৯৬টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে সাড়ে ১৭ হাজার খামারে ও বিভিন্ন বাসাবাড়িতে এসব পশু লালন-পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৩ হাজার ৩৬৫টি গরু, তিন হাজার ৭৬৯টি মহিষ ও তিন লাখ ৪২ হাজার ৭৫৩টি ছাগল রয়েছে।
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত বছর জেলায় ৩ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৭টি পশু কোরবানি করা হয়। এবারও কোরবানির পশুর চাহিদা একই রয়েছে। ফলে বর্তমানে জেলায় চাহিদার তুলনায় ১ লাখ ৪১ হাজার ২১৯টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজশাহীর হাটগুলোতে কোরবানির পশুর সরবরাহ বেড়েছে। মানভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে গরু-ছাগল। তবে স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে গরু কেনা যেন বিলাসিতা। তাই এসব মানুষের প্রিয় পছন্দ ছোট পশু ছাগল। তবে ‘লাখ টাকার বাগান খায় ৫ টাকার ছাগলে’ প্রচলিত সেই প্রবাদের মতো সস্তাও নয় ছাগল। কেননা, মানভেদে ছাগলেরও দাম চাওয়া হচ্ছে গরুতুল্য। আজ মঙ্গলবার রাজশাহীর সিটি পশুর হাটে জোড়া ছাগলের দাম হাকানো হয়েছে দুই লাখ টাকা।
সরেজমিনে সিটি পশুর হাট ঘুরে দেখা যায়, নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা থেকে এই হাটে দুইটা ছাগল বিক্রি করতে এসেছেন ফরিদুল ইসলাম। ছাগল দুটি আকারে বেশ বড়সড়। গরুতুল্য এই জোড়া ছাগলের ওজন প্রায় দুই মণ করে। প্রতিটি ছাগলের দাম এক লাখ টাকা করে চাইছেন বিক্রেতা। যা শুনে অনেকের চোখ কপালে উঠলেও ১ লাখ ৩০ হাজার পর্যন্ত দিতে রাজি হয়েছেন ক্রেতা। এতে এই পশুর হাটে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছে বিশাল আকৃতির জোড়া ছাগল। কেননা, এই টাকায় অনায়াশেই কেনা যায় দুই/তিনটি গরু!
সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, রাজশাহীর পশুর হাটগুলোতে চলতি বছর এই প্রথম এতো বড় ছাগলের দেখা মিলেছে। তাও আবার যেনতেন ছাগল নয়, প্রথম দেখায় মনে হবে ছোটখাটো গরু। কোরবানির আগেই পশুর বাজারে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছে বিশাল আকৃতির এই ছাগল দুটি। শুধু আকৃতিতেই বড় নয়, দামেও যেন আকাশ ছুঁয়েছে। হাকানো হচ্ছে লাখ টাকা করে।
ছাগল দুটির মালিক ফরিদুল ইসলাম বলেন, বাড়িতে অতি আদরে বড় করেছেন সাদা-লাল মিশ্রণের ছাগল দুটিকে। তাই পরিবারের সদস্যরা ছাগল দুটিকে আদর করে ডাকেন টাইগার ও লাল্টু বলে। নিজ বাড়িতে পালন করা প্রায় দুই মণ করে ওজনের ছাগল দুটি সবনিন্ম ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে চান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পৃথকভাবে টাইগারের দাম এক লাখ ১০ হাজার টাকা চাইলেও দাম উঠেছে ৭০ হাজার আর লাল্টুর দাম ৯০ হাজার টাকা চাওয়া হলে দাম উঠেছে ৬০ হাজার টাকা।
সরেজমিনে দেখা যায়, সিটি হাটের ছাগল হাটে টাইগার ও লাল্টুকে দুটি দেখতে ভিড় করছেন ক্রেতা ও ব্যাপারিরা। অনেকে ছাগল দুটির সাথে সেলফিও তুলছেন। কেউ বা আবার দাম হাকছেন। তবে মন মত দাম না ওঠায় এখনও অবিক্রিত রয়েছে টাইগার ও লাল্টু।
ছাগলের ব্যাপারি মাজিদুর রহমান বলেন, দুই মনের ছাগল ঢাকায় বেশ চাহিদা আছে। তাই ছাগল দুটি কিনতে আমি আগ্রহী। তবে দাম অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। আমি টাইগারের দাম ৭০ হাজার ও লাল্টুর দাম ৬০ হাজার টাকা বলেছি। তারা রাজি হচ্ছে না।
টাইগার ও লাল্টুর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন হাটে আসা নিজামুল হক। তিনি বলেন, এত বড় ছাগল হাটে আমি কখনও দেখিনি। তাই এটির সাথে একটি ছবি তুলে রাখলাম। দাম অনেক বেশি তাই নিতে পারছি না। তবে ৬৫ হাজার টাকায় বিক্রি করলে টাইগারকে কিনতে চাই।
সিটি হাটের ইজারাদার অতিকুর রহমান কালু বলেন, ঈদ কাছাকাছি চলে আসায় জমতে শুরু করেছে কেনা-বেচা। তবে গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে পশুর লালন-পালন খরচও বেশি ছিল। ফলে এবার পশুর দাম বেশি হাকানো হচ্ছে। ফলে অধিকাংশ মানুষ ছাগল ক্রয়ের দিকে ঝুঁকছেন। তবে গত বছরের তুলনায় এবার ছাগলের দামও বেশি। সিটি হাটে ১০ হাজার থেকে লাখ টাকার ছাগল পাওয়া যাচ্ছে।
রাজশাহী প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবার রাজশাহীতে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা বেড়েছে। জেলাতে এবার যে পরিমাণ পশুর চাহিদা রয়েছে, লালন-পালন করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি। ফলে জেলার চাহিদা মিটিয়ে এবারও অন্য জেলার চাহিদা মেটাবে রাজশাহীর গরু-ছাগল। চলতি বছর কোরবানি ঘিরে রাজশাহীতে চার লাখ ৬৬ হাজার ১৯৬টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে সাড়ে ১৭ হাজার খামারে ও বিভিন্ন বাসাবাড়িতে এসব পশু লালন-পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮৩ হাজার ৩৬৫টি গরু, তিন হাজার ৭৬৯টি মহিষ ও তিন লাখ ৪২ হাজার ৭৫৩টি ছাগল রয়েছে।
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত বছর জেলায় ৩ লাখ ২৪ হাজার ৯৭৭টি পশু কোরবানি করা হয়। এবারও কোরবানির পশুর চাহিদা একই রয়েছে। ফলে বর্তমানে জেলায় চাহিদার তুলনায় ১ লাখ ৪১ হাজার ২১৯টি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের সময় আবুল মৃধা ও তার দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে ছিলেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে