
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে এক ক্লুলেস হত্যা মামলায় পলাতক আসামি মুরাদ হোসেন ফেলুকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫। আজ শুক্রবার দুপুরে র্যাব-৫ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার মুরাদ হোসেন ফেলু রাজশাহীর তানোর উপজেলার লালপুর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার অভয়বাজার কামারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে গ্রেপ্তার মুরাদ ও তার সহযোগীরা তানোর উপজেলা অডিটোরিয়াম শহিদ মিনারে ফুল দেওয়ার জন্য একত্রিত হয়। সেখানেই ভুক্তভোগী জিয়ারুল ইসলামকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়। পরবর্তীতে জিয়ারুল মোটরসাইকেলে নারায়ণপুর থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে চলন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় কোপ দেয়া হয়। এসময় জিয়ারুল মাটিতে পড়ে গেলে অন্যান্য আসামি রড দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত অপর আসামি ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ফরহাদ ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দী দিলে মুরাদ হোসেন ফেলুসহ আরো কয়েকজন আসামির নাম বেরিয়ে আসে। তখন থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। পরে পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতে গোদাগাড়ী উপজেলার অভয়বাজার কামারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুরাদ হোসেন ফেলুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে ও গ্রেপ্তার আসামিকে তানোর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

রাজশাহীতে এক ক্লুলেস হত্যা মামলায় পলাতক আসামি মুরাদ হোসেন ফেলুকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫। আজ শুক্রবার দুপুরে র্যাব-৫ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার মুরাদ হোসেন ফেলু রাজশাহীর তানোর উপজেলার লালপুর গ্রামের মোখলেছুর রহমানের ছেলে। বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাতে জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার অভয়বাজার কামারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে গ্রেপ্তার মুরাদ ও তার সহযোগীরা তানোর উপজেলা অডিটোরিয়াম শহিদ মিনারে ফুল দেওয়ার জন্য একত্রিত হয়। সেখানেই ভুক্তভোগী জিয়ারুল ইসলামকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়। পরবর্তীতে জিয়ারুল মোটরসাইকেলে নারায়ণপুর থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে চলন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় কোপ দেয়া হয়। এসময় জিয়ারুল মাটিতে পড়ে গেলে অন্যান্য আসামি রড দিয়ে পিটিয়ে তাকে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন এবং পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত অপর আসামি ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ফরহাদ ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দী দিলে মুরাদ হোসেন ফেলুসহ আরো কয়েকজন আসামির নাম বেরিয়ে আসে। তখন থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। পরে পুলিশ ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং ইকবাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার রাতে গোদাগাড়ী উপজেলার অভয়বাজার কামারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে মুরাদ হোসেন ফেলুকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে ও গ্রেপ্তার আসামিকে তানোর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে