
রাজশাহী ব্যুরো

নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার আলিফ সরকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এমবিএ-তে পড়ালেখা করছেন। বর্তমানে আলিফ সরকার উন্নত জাতের মুরগির খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তার খামারে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মুরগি রয়েছে। যা থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশা করছেন তিনি।
জানা গেছে, দশম শ্রেণিতে পড়াকালে বাবার কাছে মোটরসাইকেল চেয়েছিলেন। অল্প বয়সে বাইক পেলে ছেলে নষ্ট হয়ে যাবে শঙ্কায় রাজি হননি বাবা। এতে অভিমানে নিজেই আয় করে শখ পূরণের প্রতিজ্ঞা করেন আলিফ। সেই প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নে পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার ফিডের (মাছ ও হাঁস-মুরগির খাবার) দোকানে সময় দিতে শুরু করেন। ফিড বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় মুরগির বাচ্চাও সরবরাহ করেন তিনি। সেখান থেকে নিজে আয় করে মোটরসাইকেল কেনা থেকে শুরু করে সার্বিক শখ পূরণ করেন। এরই মধ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এমবিএ-তে ভর্তি হন। এমন সময় পরিবার থেকে চাকরির প্রস্তুতি নিতে চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু তার মনে ছিল অন্য ভাবনা। তাই, তিনি নিজের জমানো ১৫ লাখ টাকা দিয়ে বাড়ির সামনে উন্নত জাতের মুরগির খামার করেন।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খামারটিতে আমেরিকান বাহামা সাদা, আমেরিকার বাহামা লাল, বাহামা বাফ, সিল্কি সাদা, সিল্কি কালো, সিল্কি গোল্ডেন, পলিস কাপ, ফিজেল, ফাইটার, গোল্ডেন সে ব্রাইট, স্যারোমা, কোচিং, ফনিক্স, সুলতান, গলাছিলা নামে ১৫টি বিদেশি জাতের ছয় শতাধিক মুরগি রয়েছে। প্রতিটি জাতের মুরগির জন্য পৃথকভাবে খোপ (ঘর) করে দেওয়া হয়েছে। যাতে এক জাতের মুরগি অন্য জাতের মুরগির মধ্যে না যায়। পাঁচ শতাংশ মুরগি ইতোমধ্যে ডিম দিতে শুরু করেছে। ব্যয়বহুল ও সৌখিন এসব মুরগি প্রান্তিক পর্যায়ে কম মূল্যে পৌঁছে দিতে সেই ডিমগুলো থেকে বাচ্চাও ফোটানো হচ্ছে খামারটিতে। এখানে একসঙ্গে এক হাজার ডিম ফোটানোর জন্য আছে নিজস্ব হ্যাচারি। এই হ্যাচারিতে বেশ কিছু ডিম ফোটানোর পর তা বিক্রিও করা হয়েছে। আরও ডিম ফোটানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তরুণ উদ্যোক্তা আলিফ সরকার বলেন, ‘ছোট থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। সেই স্বপ্ন থেকে দুটি ফিডের কোম্পানির সঙ্গে থেকে কাজ শিখেছি। ছয় মাস আগে গোল্ডেন হ্যাচারি নাম দিয়ে বিদেশি উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা দিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘খামার প্রস্তুত, মুরগির বাচ্চা ও তার খাবার, জনবল নিয়োগ ও তাদের বেতনসহ বিভিন্নভাবে গত ছয় মাসে ১৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে বর্তমানে খামারে যে মুরগি আছে তা বিক্রি করলে অর্ধকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আলিফ সরকার বলেন, ‘চাকরি করলে নিজে ভালো থাকার সুযোগ আছে। তবে আমি আমার চারপাশের সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চাই। তাই উদ্যোক্তা হিসেবে ইতোমধ্যে পাঁচজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতে খামারটির পরিসর যত বাড়বে স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানও তত বাড়বে।’
খামারটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন উজ্জ্বল হোসেন। তিনি বলেন, ‘মুরগিগুলো বিদেশি জাতের হলেও সঠিক পরিচর্যার কারণে তেমন কোনো রোগ-বালাই ছাড়াই বড় হচ্ছে। তবুও মাঝে মাঝে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া হয়। ফলে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো লাভের আশা করা হচ্ছে।’
খামারটির পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করা বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘শুরুতে ১০০ বাচ্চা নিয়ে খামারটির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে খামারটিতে ছয় শতাধিক বড় মুরগিসহ সহস্রাধিক বাচ্চা রয়েছে। প্রতিদিন মুরগিগুলোকে তিন বেলা খাবার দেওয়ার পাশাপাশি খামারটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। তেমন রোগ-বালাই না থাকায় ও মুরগি উন্নত জাতের হওয়ায় খামারে আনন্দের সঙ্গেই কাজ করি।’
আলিফ সরকারের অভাবনীয় এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তার চাচাতো ভাই সজীব সরকার বলেন, ‘আলিফ সরকার শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি করবেন এটাই পরিবারের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তিনি উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখায় শুরুতে আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। কিন্তু উন্নত জাতের মুরগির খামার করে আলিফ শুধু নিজে সাবলম্বী হচ্ছেন না, বরং অনেকের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করছেন। আমাদের ভাবনার চেয়ে আরও ভালো কিছু করায় আমরা তাকে নিয়ে এখন গর্ববোধ করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘কারও আগ্রহের প্রতি সম্মান জানালে তিনি ভালো কিছু করবেন এটাই প্রমাণ করেছেন আলিফ সরকার। তার উদ্দীপনা দেখে আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে তিনি আরও ভালো কিছু করবেন।’
গুরুদাসপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘শিক্ষিত উদ্যোক্তা আলিফ সরকার একজন মডেল খামারি। তার খামার অনেক পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ। যেকোনো যুবকের জন্য দৃষ্টান্ত তিনি। তার দেখানো পথে আরও অনেকেই খামার করে স্বাবলম্বী হবেন বলে আশা করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো সমস্যায় আমরা তার পাশে আছি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে শুধু পরামর্শই নয়, ওষুধসহ সব ধরনের সহযোগিতা তাকে দেওয়া হবে।’

নাটোর জেলার গুরুদাসপুর উপজেলার আলিফ সরকার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এমবিএ-তে পড়ালেখা করছেন। বর্তমানে আলিফ সরকার উন্নত জাতের মুরগির খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তার খামারে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মুরগি রয়েছে। যা থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা লাভ হবে বলে আশা করছেন তিনি।
জানা গেছে, দশম শ্রেণিতে পড়াকালে বাবার কাছে মোটরসাইকেল চেয়েছিলেন। অল্প বয়সে বাইক পেলে ছেলে নষ্ট হয়ে যাবে শঙ্কায় রাজি হননি বাবা। এতে অভিমানে নিজেই আয় করে শখ পূরণের প্রতিজ্ঞা করেন আলিফ। সেই প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নে পড়াশোনার পাশাপাশি বাবার ফিডের (মাছ ও হাঁস-মুরগির খাবার) দোকানে সময় দিতে শুরু করেন। ফিড বিক্রির পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় মুরগির বাচ্চাও সরবরাহ করেন তিনি। সেখান থেকে নিজে আয় করে মোটরসাইকেল কেনা থেকে শুরু করে সার্বিক শখ পূরণ করেন। এরই মধ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এমবিএ-তে ভর্তি হন। এমন সময় পরিবার থেকে চাকরির প্রস্তুতি নিতে চাপ দেওয়া হয়। কিন্তু তার মনে ছিল অন্য ভাবনা। তাই, তিনি নিজের জমানো ১৫ লাখ টাকা দিয়ে বাড়ির সামনে উন্নত জাতের মুরগির খামার করেন।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খামারটিতে আমেরিকান বাহামা সাদা, আমেরিকার বাহামা লাল, বাহামা বাফ, সিল্কি সাদা, সিল্কি কালো, সিল্কি গোল্ডেন, পলিস কাপ, ফিজেল, ফাইটার, গোল্ডেন সে ব্রাইট, স্যারোমা, কোচিং, ফনিক্স, সুলতান, গলাছিলা নামে ১৫টি বিদেশি জাতের ছয় শতাধিক মুরগি রয়েছে। প্রতিটি জাতের মুরগির জন্য পৃথকভাবে খোপ (ঘর) করে দেওয়া হয়েছে। যাতে এক জাতের মুরগি অন্য জাতের মুরগির মধ্যে না যায়। পাঁচ শতাংশ মুরগি ইতোমধ্যে ডিম দিতে শুরু করেছে। ব্যয়বহুল ও সৌখিন এসব মুরগি প্রান্তিক পর্যায়ে কম মূল্যে পৌঁছে দিতে সেই ডিমগুলো থেকে বাচ্চাও ফোটানো হচ্ছে খামারটিতে। এখানে একসঙ্গে এক হাজার ডিম ফোটানোর জন্য আছে নিজস্ব হ্যাচারি। এই হ্যাচারিতে বেশ কিছু ডিম ফোটানোর পর তা বিক্রিও করা হয়েছে। আরও ডিম ফোটানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তরুণ উদ্যোক্তা আলিফ সরকার বলেন, ‘ছোট থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। সেই স্বপ্ন থেকে দুটি ফিডের কোম্পানির সঙ্গে থেকে কাজ শিখেছি। ছয় মাস আগে গোল্ডেন হ্যাচারি নাম দিয়ে বিদেশি উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা দিয়ে খামারের যাত্রা শুরু করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘খামার প্রস্তুত, মুরগির বাচ্চা ও তার খাবার, জনবল নিয়োগ ও তাদের বেতনসহ বিভিন্নভাবে গত ছয় মাসে ১৫ লক্ষাধিক টাকা ব্যয় হয়েছে। তবে বর্তমানে খামারে যে মুরগি আছে তা বিক্রি করলে অর্ধকোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আলিফ সরকার বলেন, ‘চাকরি করলে নিজে ভালো থাকার সুযোগ আছে। তবে আমি আমার চারপাশের সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চাই। তাই উদ্যোক্তা হিসেবে ইতোমধ্যে পাঁচজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতে খামারটির পরিসর যত বাড়বে স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানও তত বাড়বে।’
খামারটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে আছেন উজ্জ্বল হোসেন। তিনি বলেন, ‘মুরগিগুলো বিদেশি জাতের হলেও সঠিক পরিচর্যার কারণে তেমন কোনো রোগ-বালাই ছাড়াই বড় হচ্ছে। তবুও মাঝে মাঝে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া হয়। ফলে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো লাভের আশা করা হচ্ছে।’
খামারটির পরিচর্যার দায়িত্ব পালন করা বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘শুরুতে ১০০ বাচ্চা নিয়ে খামারটির যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে খামারটিতে ছয় শতাধিক বড় মুরগিসহ সহস্রাধিক বাচ্চা রয়েছে। প্রতিদিন মুরগিগুলোকে তিন বেলা খাবার দেওয়ার পাশাপাশি খামারটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। তেমন রোগ-বালাই না থাকায় ও মুরগি উন্নত জাতের হওয়ায় খামারে আনন্দের সঙ্গেই কাজ করি।’
আলিফ সরকারের অভাবনীয় এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে তার চাচাতো ভাই সজীব সরকার বলেন, ‘আলিফ সরকার শিক্ষাজীবন শেষে চাকরি করবেন এটাই পরিবারের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তিনি উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখায় শুরুতে আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল। কিন্তু উন্নত জাতের মুরগির খামার করে আলিফ শুধু নিজে সাবলম্বী হচ্ছেন না, বরং অনেকের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করছেন। আমাদের ভাবনার চেয়ে আরও ভালো কিছু করায় আমরা তাকে নিয়ে এখন গর্ববোধ করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘কারও আগ্রহের প্রতি সম্মান জানালে তিনি ভালো কিছু করবেন এটাই প্রমাণ করেছেন আলিফ সরকার। তার উদ্দীপনা দেখে আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে তিনি আরও ভালো কিছু করবেন।’
গুরুদাসপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘শিক্ষিত উদ্যোক্তা আলিফ সরকার একজন মডেল খামারি। তার খামার অনেক পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ। যেকোনো যুবকের জন্য দৃষ্টান্ত তিনি। তার দেখানো পথে আরও অনেকেই খামার করে স্বাবলম্বী হবেন বলে আশা করি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেকোনো সমস্যায় আমরা তার পাশে আছি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে শুধু পরামর্শই নয়, ওষুধসহ সব ধরনের সহযোগিতা তাকে দেওয়া হবে।’

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও দুই মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় গুরুতর আহত মেজো মেয়ে নাফিজা আক্তার ইকরা (১৭) চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে মারা গেছে। এ নিয়ে একই পরিবারের মা ও তিন মেয়ের সবাই মারা গেল। পরিবারে এখন বেঁচে আছে শুধু একমাত্র ছেলে।
১ দিন আগে
নওগাঁর সাপাহার সীমান্তের শূন্যরেখায় থাকা ৯ জনকে ফিরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ধারণা করছে, পুশইনে ব্যর্থ হয়ে গতকাল বুধবার রাতের কোনো এক সময়ে তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
১ দিন আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা-বোনসহ এক ঢাবি ছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া এ ঘটনায় গুরুতর আহত পরিবারের আরেক মেয়েকে ঢাকায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক তরুণকে আটক করে পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়রা।
১ দিন আগে
এর মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। আর চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরগামী মেঘনা এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত হয়েছে চারটি। দুটি ট্রেন দুই লাইনে দুর্ঘটনার কবলে পড়লে আপ ও ডাউন উভয় লাইনেই ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
২ দিন আগে