
রাজশাহী ব্যুরো

খামকাণ্ডে রাজশাহী মহানগর পুলিশের চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমকে ক্লোজড করা হয়েছে। আজ শনিবার রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) কমিশনারের নির্দেশে তাকে থানা থেকে ক্লোজড করে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। নিজ দপ্তরে বসে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেয়ার ভিডিও ফাঁসের পর ওসি মাহবুবের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।
ফাঁস হওয়া ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, ওসি মাহবুব আলম তার চেয়ারে বসে আছেন। টেবিলের অপর দিকে চেয়ারে বসে থাকা নামে একব্যক্তি বলছেন, ‘মাহবুব ভাই, ভাই উঠবো ভাই।’ জবাবে ওসি বলেন, ‘আচ্ছা।’ তখন ওই ব্যক্তি বলেন, ‘একটু কথা বলে যাই।’ ওসি তার দিকে মনোযোগ দিয়ে বলেন, ‘হুম।’ সামনে বসে থাকা ব্যক্তি বলেন, ‘ভাই, একটা ছোট ইয়ে, খাম দেন।’ ওসি তখন মুচকি হাসেন। এ সময় ওই ব্যক্তি বলেন, ‘মাহবুব ভাই, আপনি আমাকে চেনেন, জানেন, বোঝেন। আমি বিপদে পড়ছি বলেই আপনার কাছে আসছি ভাই। আমি বিপদেই পড়ি।’ তখন তৃতীয় এক কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘দাও।’
এরপর ওসি তার টেবিলের ড্রয়ার খুলে একটি খাম বের করে দেন। ওসি তৃতীয় ওই ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘দিলাম ভাই, বুইঝেন। তাকে অবশ্য আগেরটাও আমি হেল্প করছি।’ ওই ব্যক্তি তখন বলেন, ‘আমি জানি, আমি মাহবুব ভাইয়ের কাছে আসলে ভাই কাজ হবে।’ এ সময় ওসি বলেন, ‘না, যথেষ্ট হেল্প করছি।’ কথা বলতে বলতে সামনে থাকা ওই ব্যক্তি ভরা খাম টেবিলে এগিয়ে দিলে ওসি সেটি আবার নিয়ে ড্রয়ারে রেখে দেন। ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি না পারতে এ পর্যন্ত আসলাম। বিশ্বাস করেন! আমি আরেক দিন এসে ডিটেইলস বলবো, তখন বুঝবেন ও আমাকে কী পর্যায়ে পেরেশানিতে নিয়ে আসছে। না হলে আমি আপনার কাছে আসতাম না, যদি অফিশিয়ালি সলিউশন করতে পারতাম আমি। সে জিএম স্যারের কাছে ৪০ জন লোক নিয়ে গেছে রিমুভ ফরম সার্ভিস করার জন্য আমার বোনের। আমি কী বোঝাবো বলেন!’
তখন ওসি বলেন, ‘দুজনেরই পানিশমেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।’ জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘ভাই, আমার বোনের যদি পানিশমেন্ট হয় হোক, কিন্তু এই অপরাধ; অন্যায় যে করে, আর যে সহে দুজনে সমান অপরাধী।’ ১ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের এই ভিডিও এখানেই শেষ হয়।
তবে যে ব্যাক্তি খামটি ওসিকে দিয়েছেন তার দাবি, তার বোনকে শ্লীলতাহানির কিছু গোপনীয় নথিপত্র একটি খামে করে তিনি ওসিকে দিয়েছিলেন সেই ভিডিওই ছড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ঐ খাম দেয়ার সময় সেখানে বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনেই খামে করে নথিপত্র ওসিকে দেওয়া হয়। ওসি মাহবুব দাবি করেছেন, ঐ খাম নেয়ার সময় তার কক্ষে আরো বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তার এবং পুলিশ বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন করতে এই ভিডিও ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন ওসি।
ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, ওসি মাহবুব আলম তার চেয়ারে বসে আছেন। সামনে বসে থাকা এক ব্যক্তি কথা বলার ফাঁকে ওসির কাছে একটি ছোট খাম চান। ওসি মাহবুব আলম তার টেবিলের ড্রয়ার টেনে একটি খাম বের করে দেন। কথা বলতে বলতে কিছুক্ষন পর সামনে থাকা ওই ব্যাক্তি ঐ খামটি ফেরত দিলে ওসি সেটি মুচকি হাসতে হাসতে হাতে নিয়ে ড্রয়ারে রেখে দেন। ভিডিওটিতে খাম লেনদেন, ওসির বসে থাকা এবং ঐ ব্যক্তির বসে থাকা দেখানো হলেও খামের ভেতরে কী ছিল তা ভিডিওটিতে নেই।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে কথা হয় খাম প্রদানকারী মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে। তার বাড়ি রাজশাহী নগরীতেই। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার বোন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে চাকুরি করেন। সম্প্রতি তিনি কর্মকর্তার দ্বারা শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে তিনি ওসির সাথে দেখা করেন এবং কিছু নথিপত্র একটি খামে করে ওসিকে দেন। গত মাসের এই ঘটনা। এটি নিয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। তিনি বলেন, সেখানে বেশ কয়েকজন লোক উপস্থিত ছিলেন। বেশী লোক থাকার কারণে গোপন নথিপত্র একটি খামে দেওয়া হয়েছিল। সেটি কেউ ভিডিও করে ভাইরাল করেছে। ওই খামে কোন টাকা দেওয়া হয়নি দাবি করে তিনি বলেন আমরা তো ভিকটিম। আমরা কেন পুলিশকে টাকা দিতে যাব।’
এদিকে, ওসি চন্দ্রিমা থানার মাহবুব আলম দাবি করেন, এটা গত মাসের ২০ তারিখের ঘটনা, এক নারীর শ্লিলতাহানী বিষয়ে কিছু নথিপত্র একজন খামে করে আমাকে দিয়ে গিয়েছিল। সেখানে মিডিয়া কর্মীসহ বেশ কয়েকজন উপস্তিত ছিলেন। সেটি কেউ ভিডিও করে রেখেছিল। তার এবং পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে সেই ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ কমিশনার জামিরুল ইসলাম বলেন, চন্দ্রিমা থানার ওসির একটি খাম লেনদেনের ভিডিও কর্মকর্তাদের নজরে এসেছে। তবে, খামে কী আছে সেটি নিশ্চিত নয়। তবে ুসি মাহবুবকে ক্লোজড করে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

খামকাণ্ডে রাজশাহী মহানগর পুলিশের চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমকে ক্লোজড করা হয়েছে। আজ শনিবার রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) কমিশনারের নির্দেশে তাকে থানা থেকে ক্লোজড করে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। নিজ দপ্তরে বসে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম নেয়ার ভিডিও ফাঁসের পর ওসি মাহবুবের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।
ফাঁস হওয়া ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, ওসি মাহবুব আলম তার চেয়ারে বসে আছেন। টেবিলের অপর দিকে চেয়ারে বসে থাকা নামে একব্যক্তি বলছেন, ‘মাহবুব ভাই, ভাই উঠবো ভাই।’ জবাবে ওসি বলেন, ‘আচ্ছা।’ তখন ওই ব্যক্তি বলেন, ‘একটু কথা বলে যাই।’ ওসি তার দিকে মনোযোগ দিয়ে বলেন, ‘হুম।’ সামনে বসে থাকা ব্যক্তি বলেন, ‘ভাই, একটা ছোট ইয়ে, খাম দেন।’ ওসি তখন মুচকি হাসেন। এ সময় ওই ব্যক্তি বলেন, ‘মাহবুব ভাই, আপনি আমাকে চেনেন, জানেন, বোঝেন। আমি বিপদে পড়ছি বলেই আপনার কাছে আসছি ভাই। আমি বিপদেই পড়ি।’ তখন তৃতীয় এক কণ্ঠে বলতে শোনা যায়, ‘দাও।’
এরপর ওসি তার টেবিলের ড্রয়ার খুলে একটি খাম বের করে দেন। ওসি তৃতীয় ওই ব্যক্তির দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘দিলাম ভাই, বুইঝেন। তাকে অবশ্য আগেরটাও আমি হেল্প করছি।’ ওই ব্যক্তি তখন বলেন, ‘আমি জানি, আমি মাহবুব ভাইয়ের কাছে আসলে ভাই কাজ হবে।’ এ সময় ওসি বলেন, ‘না, যথেষ্ট হেল্প করছি।’ কথা বলতে বলতে সামনে থাকা ওই ব্যক্তি ভরা খাম টেবিলে এগিয়ে দিলে ওসি সেটি আবার নিয়ে ড্রয়ারে রেখে দেন। ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি না পারতে এ পর্যন্ত আসলাম। বিশ্বাস করেন! আমি আরেক দিন এসে ডিটেইলস বলবো, তখন বুঝবেন ও আমাকে কী পর্যায়ে পেরেশানিতে নিয়ে আসছে। না হলে আমি আপনার কাছে আসতাম না, যদি অফিশিয়ালি সলিউশন করতে পারতাম আমি। সে জিএম স্যারের কাছে ৪০ জন লোক নিয়ে গেছে রিমুভ ফরম সার্ভিস করার জন্য আমার বোনের। আমি কী বোঝাবো বলেন!’
তখন ওসি বলেন, ‘দুজনেরই পানিশমেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা আছে।’ জবাবে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘ভাই, আমার বোনের যদি পানিশমেন্ট হয় হোক, কিন্তু এই অপরাধ; অন্যায় যে করে, আর যে সহে দুজনে সমান অপরাধী।’ ১ মিনিট ২৬ সেকেন্ডের এই ভিডিও এখানেই শেষ হয়।
তবে যে ব্যাক্তি খামটি ওসিকে দিয়েছেন তার দাবি, তার বোনকে শ্লীলতাহানির কিছু গোপনীয় নথিপত্র একটি খামে করে তিনি ওসিকে দিয়েছিলেন সেই ভিডিওই ছড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ঐ খাম দেয়ার সময় সেখানে বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তাদের সামনেই খামে করে নথিপত্র ওসিকে দেওয়া হয়। ওসি মাহবুব দাবি করেছেন, ঐ খাম নেয়ার সময় তার কক্ষে আরো বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তার এবং পুলিশ বাহিনীর সুনাম ক্ষুন্ন করতে এই ভিডিও ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেন ওসি।
ভিডিওচিত্রে দেখা গেছে, ওসি মাহবুব আলম তার চেয়ারে বসে আছেন। সামনে বসে থাকা এক ব্যক্তি কথা বলার ফাঁকে ওসির কাছে একটি ছোট খাম চান। ওসি মাহবুব আলম তার টেবিলের ড্রয়ার টেনে একটি খাম বের করে দেন। কথা বলতে বলতে কিছুক্ষন পর সামনে থাকা ওই ব্যাক্তি ঐ খামটি ফেরত দিলে ওসি সেটি মুচকি হাসতে হাসতে হাতে নিয়ে ড্রয়ারে রেখে দেন। ভিডিওটিতে খাম লেনদেন, ওসির বসে থাকা এবং ঐ ব্যক্তির বসে থাকা দেখানো হলেও খামের ভেতরে কী ছিল তা ভিডিওটিতে নেই।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে কথা হয় খাম প্রদানকারী মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে। তার বাড়ি রাজশাহী নগরীতেই। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমার বোন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে চাকুরি করেন। সম্প্রতি তিনি কর্মকর্তার দ্বারা শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন। এরই প্রেক্ষিতে তিনি ওসির সাথে দেখা করেন এবং কিছু নথিপত্র একটি খামে করে ওসিকে দেন। গত মাসের এই ঘটনা। এটি নিয়ে থানায় একটি মামলা হয়েছে। তিনি বলেন, সেখানে বেশ কয়েকজন লোক উপস্থিত ছিলেন। বেশী লোক থাকার কারণে গোপন নথিপত্র একটি খামে দেওয়া হয়েছিল। সেটি কেউ ভিডিও করে ভাইরাল করেছে। ওই খামে কোন টাকা দেওয়া হয়নি দাবি করে তিনি বলেন আমরা তো ভিকটিম। আমরা কেন পুলিশকে টাকা দিতে যাব।’
এদিকে, ওসি চন্দ্রিমা থানার মাহবুব আলম দাবি করেন, এটা গত মাসের ২০ তারিখের ঘটনা, এক নারীর শ্লিলতাহানী বিষয়ে কিছু নথিপত্র একজন খামে করে আমাকে দিয়ে গিয়েছিল। সেখানে মিডিয়া কর্মীসহ বেশ কয়েকজন উপস্তিত ছিলেন। সেটি কেউ ভিডিও করে রেখেছিল। তার এবং পুলিশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে সেই ভিডিও ছড়ানো হয়েছে।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ কমিশনার জামিরুল ইসলাম বলেন, চন্দ্রিমা থানার ওসির একটি খাম লেনদেনের ভিডিও কর্মকর্তাদের নজরে এসেছে। তবে, খামে কী আছে সেটি নিশ্চিত নয়। তবে ুসি মাহবুবকে ক্লোজড করে সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

হত্যাকাণ্ডের সময় আবুল মৃধা ও তার দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে ছিলেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে