
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি বাঘা পৌরসভার মেয়র মো. আক্কাস আলীকে পাঁচদিনের রিমান্ডে পেতে আবেদন করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ শরিফুল ইসলামের আদালতে তাকে হাজির করা হলে এ আবেদন করা হয়। তবে শুনানি না হওয়ায় বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, শুক্রবার (৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাঘা পৌর মেয়র মো. আক্কাস আলীসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে রাতে তাদের রাজশাহী জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রেপ্তার বাকি আসামিরা হলেন- মজনু, টুটুল, আব্দুর রহমান ও স্বপন।
জানা যায়, গত ২২ জুন বাঘায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলসহ উভয় পক্ষের অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। পরে ২৬ জুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল মারা যান।
এদিকে, সংঘর্ষের পর ২৩ জুন উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু বাদি হয়ে দ্রুত বিচার আইনে বাঘা পৌর মেয়র আক্কাস আলীকে প্রধান আসামি করে ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে করা হয়। তবে বাবুলের মৃত্যুর মামলাটি ২৬ জুন হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়। এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি মেয়র আক্কাস ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন। শুক্রবার ভোরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মতিঝিল এলাকা থেকে আক্কাস ও তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করেন। পরে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে আসামিদের হস্তান্তর করা হয়।
রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল হত্যা মামলাটি তদন্ত করছেন বাঘা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) শোয়েব খান। এই মামলার প্রধান আসামি মেয়র আক্কাস আলীকে শনিবার আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমাণ্ডের আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে এই হত্যা মামলায় আগে গ্রেফতার হওয়া আসামিরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করায় মামলার নথি সেখানে রয়েছে। আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে নথি বিচারিক আদালতে ফেরত আসলে তখন মেয়র আক্কাস আলীর রিমান্ড শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে রোববার তাদেরকে আদালতে হাজির করে রিমাণ্ডের আবেদন জানানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আক্কাস আলীসহ এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি বাঘা পৌরসভার মেয়র মো. আক্কাস আলীকে পাঁচদিনের রিমান্ডে পেতে আবেদন করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ শরিফুল ইসলামের আদালতে তাকে হাজির করা হলে এ আবেদন করা হয়। তবে শুনানি না হওয়ায় বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, শুক্রবার (৫ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাঘা পৌর মেয়র মো. আক্কাস আলীসহ পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে রাতে তাদের রাজশাহী জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। গ্রেপ্তার বাকি আসামিরা হলেন- মজনু, টুটুল, আব্দুর রহমান ও স্বপন।
জানা যায়, গত ২২ জুন বাঘায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই সংঘর্ষে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলসহ উভয় পক্ষের অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। পরে ২৬ জুন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল মারা যান।
এদিকে, সংঘর্ষের পর ২৩ জুন উপজেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ও উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর রহমান পিন্টু বাদি হয়ে দ্রুত বিচার আইনে বাঘা পৌর মেয়র আক্কাস আলীকে প্রধান আসামি করে ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় অজ্ঞাত ২০০-৩০০ জনকে আসামি করে করা হয়। তবে বাবুলের মৃত্যুর মামলাটি ২৬ জুন হত্যা মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়। এই হত্যা মামলার প্রধান আসামি মেয়র আক্কাস ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন। শুক্রবার ভোরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ মতিঝিল এলাকা থেকে আক্কাস ও তার চার সহযোগীকে গ্রেফতার করেন। পরে রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের কাছে আসামিদের হস্তান্তর করা হয়।
রাজশাহী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন জানান, আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল হত্যা মামলাটি তদন্ত করছেন বাঘা থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি-তদন্ত) শোয়েব খান। এই মামলার প্রধান আসামি মেয়র আক্কাস আলীকে শনিবার আদালতে হাজির করে পাঁচদিনের রিমাণ্ডের আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে এই হত্যা মামলায় আগে গ্রেফতার হওয়া আসামিরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করায় মামলার নথি সেখানে রয়েছে। আসামিদের জামিন আবেদনের শুনানি শেষে নথি বিচারিক আদালতে ফেরত আসলে তখন মেয়র আক্কাস আলীর রিমান্ড শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে রোববার তাদেরকে আদালতে হাজির করে রিমাণ্ডের আবেদন জানানো হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুল ইসলাম বাবুল হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আক্কাস আলীসহ এখন পর্যন্ত মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে