
রাজশাহী ব্যুরো

চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতে রাজশাহীতে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। রেকর্ড বৃষ্টিপাতের কারণে রাজশাহীর বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছেন।
আজ বুধবার আবহাওয়া অফিস জানায়, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। এর আগে, গত শনিবার রাজশাহীতে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। রোববার ৩০ দশমিক ৬ মিলিমিটার ও সোমবার রাজশাহীতে ৭ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টিপাতের ফলে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমেছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার রাজশাহীতে ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলিসিয়াস।
তিনি আরও বলেন, আগামী কয়েকদিন ধরে এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। তবে দিনের তাপমাত্রা এখনও অপরিবর্তীত থাকবে।
এদিকে শনিবার থেকে রাজশাহীতে বৃষ্টিপাত হলেও ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। এই সময় কখনও গুঁড়ি গুঁড়ি আবার কখনও মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টিপাতের ফলে রাজশাহী নগরীর উপশহর, উপশহর নিউমার্কেট, সপুরা করবস্থানের উত্তরের সড়ক ও সাহেব বাজারের একটি সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই এলাকার বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন। এছাড়া, পথচারীরাও চরম দুর্ভোগে পড়েন। তবে কয়েক ঘণ্টা পর পানি নেমে গেছে।
নগরীর উপশহর এলাকায় আমজাদ আলী বলেন, মঙ্গলবার প্রবল বর্ষণে উপশহর এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে দুর্ভোগে পড়তে হয়। রাত পর্যন্ত পানি জমে থাকলেও সকালে তা নেই। এখানে একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
এবিষয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন প্রধান প্রকৌশরী নূর ইসলাম তুষার বলেন, রাজশাহী শহরে মোট ৫৬৫ কিলোমিটর ড্রেন রয়েছে। পানি জমছে নগরীর ২৩নং ও ২৪নং ওয়ার্ডের কিছু এলাকায়। এছাড়াও উপশহরেও পানি জমছে। প্রায় ১ ঘণ্টার মত পানি থাকছে। মূলত ড্রেনগুলোতে মাটি পড়ে ভারাট হয়ে গেছে। এজন্যই এগুলোতে পানি যেতে সময় লাগছে। এগুলো নিরশনে কাজ চলছে। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।
অন্যদিকে, অনাবৃষ্টিতে দুশ্চিন্তায় পড়া কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে ভারী বর্ষণে। কেননা, তাদের জমিতে এখন ধান, পাট, আখ ছাড়াও বিভিন্ন সবজি রয়েছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এই ফসলগুলোতে পানি প্রয়োজন ছিল। এই বৃষ্টিপাতের ফলে ফসলী জমিতে পানির অভাব পূরণ হয়েছে।
রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাসিন্দা মো. ফজলুল করিম বলেন, দীর্ঘ খরা ও অনাবৃষ্টিতে ফসলী জমি ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছি। এতে বীজতলা তৈরিসহ ধানচাষ নিয়ে বিপাকে পড়েছিলাম। তবে গত দুইদিনের বৃষ্টিতে জমি চাষ উপযোগী হয়ে উঠেছে। এতে বড় লোকশান থেকে আমরা মুক্তি পেলাম।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোছা. উম্মে ছালমা বলেন, রাজশাহীতে দীর্ঘদিন পরে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় ফসলের জন্য ভালো হয়েছে। বর্তমানে জমিতে কৃষকরা ধানের বীজ ফেলছেন। এছাড়া, পাটের জন্য বৃষ্টি ভালো বার্তা দিয়েছে। জমিতে কৃষকের ক্ষতি হওয়ার মতো কোনো ফসল নেই। এছাড়া বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন শাক সবজি ভালো হবে। কিন্তু বৃষ্টি না হলে সেচ দিতে কৃষকদের প্রচুর খরচ বেড়ে যেতো। তাই এই বৃষ্টি কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতে রাজশাহীতে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। রেকর্ড বৃষ্টিপাতের কারণে রাজশাহীর বেশ কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছেন।
আজ বুধবার আবহাওয়া অফিস জানায়, মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। এর আগে, গত শনিবার রাজশাহীতে ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। রোববার ৩০ দশমিক ৬ মিলিমিটার ও সোমবার রাজশাহীতে ৭ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বৃষ্টিপাতের ফলে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমেছে।
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার রাজশাহীতে ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা মৌসুমের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলিসিয়াস।
তিনি আরও বলেন, আগামী কয়েকদিন ধরে এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। তবে দিনের তাপমাত্রা এখনও অপরিবর্তীত থাকবে।
এদিকে শনিবার থেকে রাজশাহীতে বৃষ্টিপাত হলেও ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে মঙ্গলবার থেকে। এই সময় কখনও গুঁড়ি গুঁড়ি আবার কখনও মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া বৃষ্টিপাতের ফলে রাজশাহী নগরীর উপশহর, উপশহর নিউমার্কেট, সপুরা করবস্থানের উত্তরের সড়ক ও সাহেব বাজারের একটি সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ওই এলাকার বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন। এছাড়া, পথচারীরাও চরম দুর্ভোগে পড়েন। তবে কয়েক ঘণ্টা পর পানি নেমে গেছে।
নগরীর উপশহর এলাকায় আমজাদ আলী বলেন, মঙ্গলবার প্রবল বর্ষণে উপশহর এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলে দুর্ভোগে পড়তে হয়। রাত পর্যন্ত পানি জমে থাকলেও সকালে তা নেই। এখানে একটু বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
এবিষয়ে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন প্রধান প্রকৌশরী নূর ইসলাম তুষার বলেন, রাজশাহী শহরে মোট ৫৬৫ কিলোমিটর ড্রেন রয়েছে। পানি জমছে নগরীর ২৩নং ও ২৪নং ওয়ার্ডের কিছু এলাকায়। এছাড়াও উপশহরেও পানি জমছে। প্রায় ১ ঘণ্টার মত পানি থাকছে। মূলত ড্রেনগুলোতে মাটি পড়ে ভারাট হয়ে গেছে। এজন্যই এগুলোতে পানি যেতে সময় লাগছে। এগুলো নিরশনে কাজ চলছে। দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।
অন্যদিকে, অনাবৃষ্টিতে দুশ্চিন্তায় পড়া কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে ভারী বর্ষণে। কেননা, তাদের জমিতে এখন ধান, পাট, আখ ছাড়াও বিভিন্ন সবজি রয়েছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এই ফসলগুলোতে পানি প্রয়োজন ছিল। এই বৃষ্টিপাতের ফলে ফসলী জমিতে পানির অভাব পূরণ হয়েছে।
রাজশাহীর তানোর উপজেলার বাসিন্দা মো. ফজলুল করিম বলেন, দীর্ঘ খরা ও অনাবৃষ্টিতে ফসলী জমি ফেটে চৌচির হয়ে গিয়েছি। এতে বীজতলা তৈরিসহ ধানচাষ নিয়ে বিপাকে পড়েছিলাম। তবে গত দুইদিনের বৃষ্টিতে জমি চাষ উপযোগী হয়ে উঠেছে। এতে বড় লোকশান থেকে আমরা মুক্তি পেলাম।
রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোছা. উম্মে ছালমা বলেন, রাজশাহীতে দীর্ঘদিন পরে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় ফসলের জন্য ভালো হয়েছে। বর্তমানে জমিতে কৃষকরা ধানের বীজ ফেলছেন। এছাড়া, পাটের জন্য বৃষ্টি ভালো বার্তা দিয়েছে। জমিতে কৃষকের ক্ষতি হওয়ার মতো কোনো ফসল নেই। এছাড়া বৃষ্টিপাতের ফলে বিভিন্ন শাক সবজি ভালো হবে। কিন্তু বৃষ্টি না হলে সেচ দিতে কৃষকদের প্রচুর খরচ বেড়ে যেতো। তাই এই বৃষ্টি কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে