
রাজশাহী ব্যুরো

সারা দেশের ন্যায় রাজশাহীতেও ‘নো হেলমেট নো ফুয়েল’ কার্যক্রম চালু করেছে পুলিশ। মহানগর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তিন দিন ধরে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।
এর আগে, গত ১৫ মে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭-এর অধীনে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠকে সারা দেশে 'নো হেলমেট, নো ফুয়েল' কার্যক্রম আমলে আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরএমপি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জামিরুল ইসলাম জানান, ওই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে রাজশাহী মহানগর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় জীবনহানী ও ক্ষয়-ক্ষতি রোধে সচেতনতা বাড়াতে 'নো হেলমেট নো ফুয়েল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ। 'নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কর্মসূচির পাশাপাশি আরএমপি ট্রাফিক বিভাগ ও সকল থানা ফাঁড়ি এবং ডিবি পুলিশ হেলমেট ছাড়া মোরটসাইকেল চালনো, মোটরসাইকেলে তিনজন আরোহন এবং বেপরোয়া বাইকারদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি আরও বলেন, আরএমপির উদ্যোগে রাজশাহী মহানগরীর ২৩টি পেট্রোল পাম্পে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ ফেস্টুন প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের আরএমপির পক্ষ থেকে হেলমেট ছাড়া জ্বালানি তেল না দেওয়ার জন্য নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল বাস্তবায়নে পাম্পের আশপাশে চেকপোস্ট স্থাপন করে আইন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করছে আরএমপির ট্রাফিক বিভাগ। গত তিন দিনে হেলমেটবিহীন অবস্থায় মোটরসাইকেল চালানোসহ অন্যান্য অপরাধে মোট ১৭৮টি যানবাহন মালিকের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করা হয়েছে।
এদিকে, ট্রাফিক আইন প্রতিপালনসহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, যানজট নিরসনে চালক ও অভিভাবকদের সচেতন করার লক্ষ্যে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে চালক ও অভিভাবকদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভাও করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার রাজশাহী মহানগরীর ২৩টি পেট্রোল পাম্পে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

সারা দেশের ন্যায় রাজশাহীতেও ‘নো হেলমেট নো ফুয়েল’ কার্যক্রম চালু করেছে পুলিশ। মহানগর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তিন দিন ধরে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।
এর আগে, গত ১৫ মে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭-এর অধীনে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠকে সারা দেশে 'নো হেলমেট, নো ফুয়েল' কার্যক্রম আমলে আনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সদর দপ্তর সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরএমপি সদর দপ্তরের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জামিরুল ইসলাম জানান, ওই নির্দেশনার প্রেক্ষিতে রাজশাহী মহানগর এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় জীবনহানী ও ক্ষয়-ক্ষতি রোধে সচেতনতা বাড়াতে 'নো হেলমেট নো ফুয়েল’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ। 'নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কর্মসূচির পাশাপাশি আরএমপি ট্রাফিক বিভাগ ও সকল থানা ফাঁড়ি এবং ডিবি পুলিশ হেলমেট ছাড়া মোরটসাইকেল চালনো, মোটরসাইকেলে তিনজন আরোহন এবং বেপরোয়া বাইকারদের বিরুদ্ধে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি আরও বলেন, আরএমপির উদ্যোগে রাজশাহী মহানগরীর ২৩টি পেট্রোল পাম্পে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ ফেস্টুন প্রদর্শন করা হচ্ছে। পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের আরএমপির পক্ষ থেকে হেলমেট ছাড়া জ্বালানি তেল না দেওয়ার জন্য নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল বাস্তবায়নে পাম্পের আশপাশে চেকপোস্ট স্থাপন করে আইন অমান্যকারীর বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করছে আরএমপির ট্রাফিক বিভাগ। গত তিন দিনে হেলমেটবিহীন অবস্থায় মোটরসাইকেল চালানোসহ অন্যান্য অপরাধে মোট ১৭৮টি যানবাহন মালিকের বিরুদ্ধে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা করা হয়েছে।
এদিকে, ট্রাফিক আইন প্রতিপালনসহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, যানজট নিরসনে চালক ও অভিভাবকদের সচেতন করার লক্ষ্যে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে চালক ও অভিভাবকদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভাও করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ৯ আগস্ট রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বিপ্লব বিজয় তালুকদার রাজশাহী মহানগরীর ২৩টি পেট্রোল পাম্পে ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল’ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
৪ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১৭ ঘণ্টা আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৮ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
২০ ঘণ্টা আগে