
পাবনা প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বন্ধু নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ২ বন্ধুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাত পোনে নয়টার দিকে (পাবনা-ঈশ্বরদী) মহাসড়কের পাবনা সুগার মিলে সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স স্টেশনের সদস্যরা নিহতসহ আহতদের উদ্ধার করেন।
নিহতরা হলেন, উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের আজমনগর গ্রামের রেজাউল হোসেনের ছেলে জিহাদ, কবির আনোয়ারের ছেলে বিজয়, ইলিয়াস হোসেনের ছেলে শিশির, মাসুম হোসেনের ছেলে সিফাত ও ভাড়ইমারী গ্রামের ওয়াজ আলীর ছেলে শাওন। আহতরা হলেন, একই গ্রামের জেটুর ছেলে শাহেদ ও সুমন আলীর ছেলে নাঈম।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, নিহতের মধ্যে বিজয় হোসেন ঢাকার একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানির প্রাইভেটকার চালাতেন। ছুটিতে নিজ গ্রামের বাড়িতে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে এসে সেই গাড়িতে আরো ছয় বন্ধুকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। উল্লেখিত সময়ে দাশুড়িয়া- পাবনা মহাসড়কের পাবনা সুগার মিলের সামনে পৌঁছালে প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এ সময় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই গাড়িতে থাকা জিহাদ, বিজয় ও শিশির নামে তিন বন্ধু নিহত হন।
এসময় আহত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিফাত ও শাওনের মৃত্যু হয়। শাহেদ ও নাঈম নামে আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান।
পাকশী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ বেলাল হোসেন ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স স্টেশন এর সদস্যদের সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে তাদের মধ্যে আরো দুইজন মারা যায়।

পাবনার ঈশ্বরদীতে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বন্ধু নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ২ বন্ধুকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) রাত পোনে নয়টার দিকে (পাবনা-ঈশ্বরদী) মহাসড়কের পাবনা সুগার মিলে সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স স্টেশনের সদস্যরা নিহতসহ আহতদের উদ্ধার করেন।
নিহতরা হলেন, উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের আজমনগর গ্রামের রেজাউল হোসেনের ছেলে জিহাদ, কবির আনোয়ারের ছেলে বিজয়, ইলিয়াস হোসেনের ছেলে শিশির, মাসুম হোসেনের ছেলে সিফাত ও ভাড়ইমারী গ্রামের ওয়াজ আলীর ছেলে শাওন। আহতরা হলেন, একই গ্রামের জেটুর ছেলে শাহেদ ও সুমন আলীর ছেলে নাঈম।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, নিহতের মধ্যে বিজয় হোসেন ঢাকার একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন কোম্পানির প্রাইভেটকার চালাতেন। ছুটিতে নিজ গ্রামের বাড়িতে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে এসে সেই গাড়িতে আরো ছয় বন্ধুকে নিয়ে ঘুরতে বের হয়। উল্লেখিত সময়ে দাশুড়িয়া- পাবনা মহাসড়কের পাবনা সুগার মিলের সামনে পৌঁছালে প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা লাগে। এ সময় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই গাড়িতে থাকা জিহাদ, বিজয় ও শিশির নামে তিন বন্ধু নিহত হন।
এসময় আহত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিফাত ও শাওনের মৃত্যু হয়। শাহেদ ও নাঈম নামে আরও দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান।
পাকশী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ বেলাল হোসেন ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স স্টেশন এর সদস্যদের সহযোগিতায় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত অবস্থায় চারজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠালে তাদের মধ্যে আরো দুইজন মারা যায়।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে