
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে বাসচাপায় তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় ঘাতক বাসচালকসহ পুলিশ হেনস্থার ঘটনায় জড়িত এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী নগর পুলিশের (আরএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- নাটোর সদরের কানাইখালী গ্রামের দক্ষিণ পটুয়াপাড়ার বাসিন্দা ও দিয়ানতুল্লাহ প্রামাণিকের ছেলে বাসচালক সাইফুল ইসলাম (৪৮) ও পুলিশের ওপর হামলা ও গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় করা মামলার মূল আসামি হাসানুর রহমান তুহিন (২৬)। তিনি রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকার বড় বনগ্রাম চকপাড়ার বাসিন্দা। বাসচালক সাইফুল ইসলামকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছেন। পরে তাকে সড়ক পরিবহন আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একই ঘটনায় পুলিশ হেনস্থার অভিযোগে হাসানুর রহমান ওরফে তুহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা যায়, গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজশাহী নগরীর বেলপুকুর থানার পল্লাপুকুর এলাকায় রাজকীয় পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত ছয়জনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও এক নারী ও এক পুরুষ মারা যান। তারা হলেন- নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের মো. এনামুল হক (৪৫) ও রাজশাহী নগরের কর্ণহার থানার ধর্মহাটা এলাকার মোছা. সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি (৩০)।
দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেলপুকুর থানার ওসিসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশ বাসচালককে পালাতে সহায়তা করেছে—এমন অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা এক এসআইকে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে এবং ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই বাসচালক বাস নিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর একটি গুজব ছড়িয়ে জনতাকে উত্তেজিত করা হয়। এই গুজবের ভিত্তিতে পুলিশ সদস্যদের শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয় এবং এক এসআইকে কান ধরতে বাধ্য করে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার তুহিন এই ঘটনার ‘মবের’ মূলহোতা বলে দাবি করেছে পুলিশ।
নিশ্চিত করে রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান বলেন, দুর্ঘটনা ও মব সৃষ্টির ঘটনায় বেলপুকুর থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি এবং সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশ হেনস্থার অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তুহিনকে সোমবার ও বাসচালককে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহীতে বাসচাপায় তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় ঘাতক বাসচালকসহ পুলিশ হেনস্থার ঘটনায় জড়িত এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী নগর পুলিশের (আরএমপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেফতাররা হলেন- নাটোর সদরের কানাইখালী গ্রামের দক্ষিণ পটুয়াপাড়ার বাসিন্দা ও দিয়ানতুল্লাহ প্রামাণিকের ছেলে বাসচালক সাইফুল ইসলাম (৪৮) ও পুলিশের ওপর হামলা ও গুজব ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনায় করা মামলার মূল আসামি হাসানুর রহমান তুহিন (২৬)। তিনি রাজশাহী মহানগরীর শাহমখদুম থানা এলাকার বড় বনগ্রাম চকপাড়ার বাসিন্দা। বাসচালক সাইফুল ইসলামকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছেন। পরে তাকে সড়ক পরিবহন আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। একই ঘটনায় পুলিশ হেনস্থার অভিযোগে হাসানুর রহমান ওরফে তুহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা যায়, গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজশাহী নগরীর বেলপুকুর থানার পল্লাপুকুর এলাকায় রাজকীয় পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত ছয়জনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও এক নারী ও এক পুরুষ মারা যান। তারা হলেন- নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের মো. এনামুল হক (৪৫) ও রাজশাহী নগরের কর্ণহার থানার ধর্মহাটা এলাকার মোছা. সুমাইয়া আক্তার বৃষ্টি (৩০)।
দুর্ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা মহাসড়ক অবরোধ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেলপুকুর থানার ওসিসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশ বাসচালককে পালাতে সহায়তা করেছে—এমন অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ক্ষুব্ধ জনতা এক এসআইকে কান ধরিয়ে দাঁড় করিয়ে রাখে এবং ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের প্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করেন।
পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই বাসচালক বাস নিয়ে পালিয়ে যান। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর একটি গুজব ছড়িয়ে জনতাকে উত্তেজিত করা হয়। এই গুজবের ভিত্তিতে পুলিশ সদস্যদের শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয় এবং এক এসআইকে কান ধরতে বাধ্য করে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। গ্রেপ্তার তুহিন এই ঘটনার ‘মবের’ মূলহোতা বলে দাবি করেছে পুলিশ।
নিশ্চিত করে রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মো. গাজিউর রহমান বলেন, দুর্ঘটনা ও মব সৃষ্টির ঘটনায় বেলপুকুর থানায় সড়ক পরিবহন আইনে একটি এবং সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশ হেনস্থার অভিযোগে পৃথক আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তার তুহিনকে সোমবার ও বাসচালককে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে