
রাজশাহী ব্যুরো

পাবনা-৫ (সদর) আসনে নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার হিমাইতপুর ইউনিয়নের বুদের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিএনপি-জামায়াত দুপক্ষই একে অপরকে পাল্টা অভিযোগ দিচ্ছে।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রায় অর্ধশত নারী কর্মী বুদের হাট এলাকায় নির্বাচনি প্রচার চালাতে যান। একই সময় বিএনপির কর্মীরাও সেখানে প্রচারে অংশ নেন।
একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা হট্টগোলে রূপ নেয় এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয়পক্ষকে সরিয়ে দেয়।
পাবনার এই আসনটিতে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসাইন। তিনি জানান, তাদের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইছিলেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন কর্মী তাদের প্রচারে বাধা দেন এবং নারী কর্মীদের লাঞ্ছিত করেন।
ইকবাল হোসাইন আরও অভিযোগ করেন, তার নারী কর্মীদের গায়ে হাত তোলা হয়। এ সময় তাদের রক্ষায় এগিয়ে এলে দলের দায়িত্বশীল কয়েকজন নারীও মারধরের শিকার হন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপির প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নির্বাচন সমন্বয়কারী ও জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সহজ-সরল গৃহবধূদের কাছ থেকে কৌশলে ভোটার আইডি নম্বর ও মোবাইল বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। ভোটের বিনিময়ে নানা প্রলোভন দেখানোয় এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
স্থানীয় লোকজন তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জামায়াতের কর্মীরা চিৎকার-চেঁচামেচি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করেন জহুরুল ইসলাম।
এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জামায়াত প্রার্থীসহ সশস্ত্র ক্যাডারদের ডেকে এনে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছিল। বিএনপির নেতা-কর্মীরা ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

পাবনা-৫ (সদর) আসনে নির্বাচনি প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার হিমাইতপুর ইউনিয়নের বুদের হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। বিএনপি-জামায়াত দুপক্ষই একে অপরকে পাল্টা অভিযোগ দিচ্ছে।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রায় অর্ধশত নারী কর্মী বুদের হাট এলাকায় নির্বাচনি প্রচার চালাতে যান। একই সময় বিএনপির কর্মীরাও সেখানে প্রচারে অংশ নেন।
একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তা হট্টগোলে রূপ নেয় এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয়পক্ষকে সরিয়ে দেয়।
পাবনার এই আসনটিতে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসাইন। তিনি জানান, তাদের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইছিলেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন কর্মী তাদের প্রচারে বাধা দেন এবং নারী কর্মীদের লাঞ্ছিত করেন।
ইকবাল হোসাইন আরও অভিযোগ করেন, তার নারী কর্মীদের গায়ে হাত তোলা হয়। এ সময় তাদের রক্ষায় এগিয়ে এলে দলের দায়িত্বশীল কয়েকজন নারীও মারধরের শিকার হন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিএনপির প্রার্থী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের নির্বাচন সমন্বয়কারী ও জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক জহুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর পক্ষে নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সহজ-সরল গৃহবধূদের কাছ থেকে কৌশলে ভোটার আইডি নম্বর ও মোবাইল বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। ভোটের বিনিময়ে নানা প্রলোভন দেখানোয় এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
স্থানীয় লোকজন তাদের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে জামায়াতের কর্মীরা চিৎকার-চেঁচামেচি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করেন জহুরুল ইসলাম।
এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, জামায়াত প্রার্থীসহ সশস্ত্র ক্যাডারদের ডেকে এনে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছিল। বিএনপির নেতা-কর্মীরা ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করায় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
১ দিন আগে
গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে