
রাজশাহী ব্যুরো

প্রবাসীর ইমো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অর্থ আত্মসাতের দায়ে দুই যুবককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত। একইসঙ্গে তাদের দুই লাখ টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় রায়ে একই মামলার সাতজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলেন- রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চক নারায়ণপুর গ্রামের হৃদয় আলী (২১) ও নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার বিরোপাড়া গ্রামের আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (২৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বেগম জানান, ঢাকার সবুজবাগের আবদুল মালেক নামে এক ব্যক্তি এই মামলার বাদী। ২০২৩ সালের ২ মার্চ নাটোরের লালপুর থানায় তিনি এ মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার বোনজামাই জাকির হোসেন সৌদি আরব প্রবাসী। স্ত্রী ফাতেমা খাতুনের সঙ্গে তিনি সামাজিক মাধ্যম ইমোতে যোগাযোগ করতেন। ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দুর্বৃত্তরা জাকির হোসেনের ইমো হ্যাক করে ফাতেমাকে তার বিপদের কথা জানায়। এরপর ফাতেমার কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। আবদুল মালেক অনেক খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারেন, যে বিকাশ নম্বরে টাকা নেওয়া হয়েছে তা রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে নিবন্ধন করা। তাই বিষয়টি তিনি র্যাবকে জানালে প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে পাঁচজনকে আটক করে র্যাব। এরপর মালেক বাদি হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বেগম আরও বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি ধারায় আসামিদের পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডেরও আদেশ দেন বিচারক। একই মামলার অন্য একটি ধারায় এই দুই আসামিকে আরো পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সাজা একটার পর অন্যটা কার্যকর হবে বলেও রায়ে উল্লেখ করেছেন আদালতের বিচারক।

প্রবাসীর ইমো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অর্থ আত্মসাতের দায়ে দুই যুবককে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত। একইসঙ্গে তাদের দুই লাখ টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ৬ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় রায়ে একই মামলার সাতজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। তারা হলেন- রাজশাহীর বাঘা উপজেলার চক নারায়ণপুর গ্রামের হৃদয় আলী (২১) ও নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার বিরোপাড়া গ্রামের আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ (২৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বেগম জানান, ঢাকার সবুজবাগের আবদুল মালেক নামে এক ব্যক্তি এই মামলার বাদী। ২০২৩ সালের ২ মার্চ নাটোরের লালপুর থানায় তিনি এ মামলা করেন।
মামলার অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, তার বোনজামাই জাকির হোসেন সৌদি আরব প্রবাসী। স্ত্রী ফাতেমা খাতুনের সঙ্গে তিনি সামাজিক মাধ্যম ইমোতে যোগাযোগ করতেন। ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি দুর্বৃত্তরা জাকির হোসেনের ইমো হ্যাক করে ফাতেমাকে তার বিপদের কথা জানায়। এরপর ফাতেমার কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। আবদুল মালেক অনেক খোঁজ-খবর নিয়ে জানতে পারেন, যে বিকাশ নম্বরে টাকা নেওয়া হয়েছে তা রাজশাহীর বাঘা উপজেলা থেকে নিবন্ধন করা। তাই বিষয়টি তিনি র্যাবকে জানালে প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে পাঁচজনকে আটক করে র্যাব। এরপর মালেক বাদি হয়ে মামলা করেন। এ মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত দুজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা বেগম আরও বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি ধারায় আসামিদের পাঁচ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ডেরও আদেশ দেন বিচারক। একই মামলার অন্য একটি ধারায় এই দুই আসামিকে আরো পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। সাজা একটার পর অন্যটা কার্যকর হবে বলেও রায়ে উল্লেখ করেছেন আদালতের বিচারক।

ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১৬ ঘণ্টা আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে