
রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতেখারুল আলম মাসুদের সঙ্গে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে রেজিস্ট্রার দফতরে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে ইফতিখারুল আলম মাসুদ বলেন, সে (আম্মার) ভালোভাবেই জানে সেখানে কারা ছিল। সে এখানে বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করছিল-যেটা তার স্বভাব। সে সবসময় মিথ্যা বলে এবং ফুটেজবাজি করে। সে সেখানে উপস্থিত সবাইকে চেনার পরেও, সেখানে গিয়ে ওদেরকে দেখার পরেই বলছে উনারা বিএনপির নেতাকর্মী, বৈঠক করছে। এরপর সে আমাকে উত্তেজিত করতে থাকলে, এক পর্যায়ে আমি তাকে বের হয়ে যেতে বলি।
জানা গেছে, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির পদত্যাগ দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে বিভাগে প্রায় ২৩ দিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ আছে। দাবি আদায়ে উপাচার্যের কাছে যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এতে রাকসু প্রতিনিধি হিসেবে তাদের সঙ্গে অংশ নেন জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। এক পর্যায়ে রেজিস্ট্রার দপ্তরের গেলে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
আম্মারের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের দাবিতে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অপসারণে উপাচার্য চিঠি ইস্যু করেছেন এবং ফর্মালিটি শেষ করতে রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠিয়েছেন। কিন্তু তিনি সেটা বিলম্ব করছেন। আমি কাজের অগ্রগতি জানতে সেখানে যাই। তখন তিনি উচ্চবাচ্য করেছেন।
ভিডিওতে দেখা গেছে, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রেজিস্ট্রারের কক্ষে প্রবেশ করেন সালাউদ্দিন আম্মার। তখন রেজিস্ট্রার আম্মারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে তোমার বিষয়ে, তোমাকে বাইরে বসতে বলা হয়েছে, তুমি কেন এখন এসেছো? আম্মার বলেন, আমাকে সচিব বলেছেন, ভেতরে মহানগর বিএনপির মিটিং চলছে। রেজিস্ট্রার বলেন, না। আমি তোমাকে ১০ মিনিট বসতে বলেছি। তুমি এভাবে ঢুকতে পার না। আম্মার প্রতিত্তরে বলেন, অবশ্যই স্যার! আমি ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর প্রতিনিধি। আপনি স্যার চিঠি আটকে রাখছেন। তখন উত্তেজিত হয়ে রেজিস্ট্রার আম্মারকে বলেন, এই বেয়াদব ছেলে কীসের চিঠি আটকে রেখেছি। তখন আম্মার আবার বলেন, 'বেয়াদব তো আমি, ডেফিনিটলি বেয়াদব।'
উত্তেজিত হয়ে রেজিস্ট্রার আরও বলেন, আমার সঙ্গে বেয়াদবি কেন? তুমি কে হে? তখন আম্মার আরও তর্ক শুরু করেন। এক পর্যায়ে রেজিস্ট্রার চেয়ার থেকে উঠে আঙুল উঁচিয়ে আম্মারকে 'গেট আউট' বলে বের হয়ে যেতে বলেন।
এ ঘটনায় রাকসু ভিপি ও শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর জাহিদ বলেছেন, রাকসু নির্বাচনের আগে থেকেই আমরা খেয়াল করেছি প্রশাসন এবং শিক্ষক মহলের কেউ কেউ যেন অনুরোধে ঢেঁকি গিলছেন। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে তাদের এ আচরণ পরিবর্তন হওয়াটা সমীচীন ছিল। কিন্তু এখনো প্রশাসনের কারো কারো আচরণ দেখে মনে হচ্ছে শিক্ষার্থীরা রাকসুর প্রতিনিধি নির্বাচিত করে তাদের বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছে। এজন্য তারা যেমন শিক্ষার্থীদের বিষয়ে খ্যাপা, তেমনি তাদের প্রতিনিধিদের ব্যাপারেও।
তিনি বলেন, চাইলেই মনমতো চলতে পারছে না। নানা বিষয়ে অসামঞ্জস্যের থলের বেড়াল বেরিয়ে আসছে। রাকসু ফান্ডের হিসাব দিতে পারছে না। আর চিঠি আটকে রাখার সেকেলে গোঁড়ামি তো আছেই। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে আপনারা অনেক দূর পিছিয়ে দিয়েছেন। রেজিস্ট্রার অফিসে যেকোনো চিঠি আটকে থাকছে। আজকে রাকসু জিএসের সাথে রেজিস্ট্রারের এহেন নিন্দাজনক আচরণ সেই জমা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। প্রশাসন প্রভু নয়, শিক্ষার্থীরা কারো দাস নয়।
বিএনপির নাম টানায় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, রেজিস্ট্রার অফিসে আম্মার ও শিক্ষক একে অপরকে ধমকাচ্ছেন, বিএনপির নাম টেনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, অথচ সেখানে বিএনপির কেউই ছিল না। এনসিপির সঙ্গে নিয়মিত দেখা যায় আম্মারকে, অথচ আজ তিনি তাদের চিনলেন না! গণতান্ত্রিক সমাজে যে কেউ আলোচনা করতেই পারে, এতে আমাদের আপত্তি নেই। তবে বিএনপির নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো অনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এনসিপির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী বলেন, আমরা স্যারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেছিলাম। জিএস হয়তো আমাদের বিএনপি মনে করেছেন। এতে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ইফতেখারুল আলম মাসুদের সঙ্গে রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারের মধ্যে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে রেজিস্ট্রার দফতরে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে ইফতিখারুল আলম মাসুদ বলেন, সে (আম্মার) ভালোভাবেই জানে সেখানে কারা ছিল। সে এখানে বিএনপিকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করছিল-যেটা তার স্বভাব। সে সবসময় মিথ্যা বলে এবং ফুটেজবাজি করে। সে সেখানে উপস্থিত সবাইকে চেনার পরেও, সেখানে গিয়ে ওদেরকে দেখার পরেই বলছে উনারা বিএনপির নেতাকর্মী, বৈঠক করছে। এরপর সে আমাকে উত্তেজিত করতে থাকলে, এক পর্যায়ে আমি তাকে বের হয়ে যেতে বলি।
জানা গেছে, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতির পদত্যাগ দাবিতে শাটডাউন কর্মসূচি পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে বিভাগে প্রায় ২৩ দিন ধরে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ আছে। দাবি আদায়ে উপাচার্যের কাছে যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এতে রাকসু প্রতিনিধি হিসেবে তাদের সঙ্গে অংশ নেন জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। এক পর্যায়ে রেজিস্ট্রার দপ্তরের গেলে বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে।
আম্মারের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের দাবিতে চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অপসারণে উপাচার্য চিঠি ইস্যু করেছেন এবং ফর্মালিটি শেষ করতে রেজিস্ট্রার দপ্তরে পাঠিয়েছেন। কিন্তু তিনি সেটা বিলম্ব করছেন। আমি কাজের অগ্রগতি জানতে সেখানে যাই। তখন তিনি উচ্চবাচ্য করেছেন।
ভিডিওতে দেখা গেছে, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিয়ে রেজিস্ট্রারের কক্ষে প্রবেশ করেন সালাউদ্দিন আম্মার। তখন রেজিস্ট্রার আম্মারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমাকে জানানো হয়েছে তোমার বিষয়ে, তোমাকে বাইরে বসতে বলা হয়েছে, তুমি কেন এখন এসেছো? আম্মার বলেন, আমাকে সচিব বলেছেন, ভেতরে মহানগর বিএনপির মিটিং চলছে। রেজিস্ট্রার বলেন, না। আমি তোমাকে ১০ মিনিট বসতে বলেছি। তুমি এভাবে ঢুকতে পার না। আম্মার প্রতিত্তরে বলেন, অবশ্যই স্যার! আমি ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীর প্রতিনিধি। আপনি স্যার চিঠি আটকে রাখছেন। তখন উত্তেজিত হয়ে রেজিস্ট্রার আম্মারকে বলেন, এই বেয়াদব ছেলে কীসের চিঠি আটকে রেখেছি। তখন আম্মার আবার বলেন, 'বেয়াদব তো আমি, ডেফিনিটলি বেয়াদব।'
উত্তেজিত হয়ে রেজিস্ট্রার আরও বলেন, আমার সঙ্গে বেয়াদবি কেন? তুমি কে হে? তখন আম্মার আরও তর্ক শুরু করেন। এক পর্যায়ে রেজিস্ট্রার চেয়ার থেকে উঠে আঙুল উঁচিয়ে আম্মারকে 'গেট আউট' বলে বের হয়ে যেতে বলেন।
এ ঘটনায় রাকসু ভিপি ও শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর জাহিদ বলেছেন, রাকসু নির্বাচনের আগে থেকেই আমরা খেয়াল করেছি প্রশাসন এবং শিক্ষক মহলের কেউ কেউ যেন অনুরোধে ঢেঁকি গিলছেন। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে তাদের এ আচরণ পরিবর্তন হওয়াটা সমীচীন ছিল। কিন্তু এখনো প্রশাসনের কারো কারো আচরণ দেখে মনে হচ্ছে শিক্ষার্থীরা রাকসুর প্রতিনিধি নির্বাচিত করে তাদের বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছে। এজন্য তারা যেমন শিক্ষার্থীদের বিষয়ে খ্যাপা, তেমনি তাদের প্রতিনিধিদের ব্যাপারেও।
তিনি বলেন, চাইলেই মনমতো চলতে পারছে না। নানা বিষয়ে অসামঞ্জস্যের থলের বেড়াল বেরিয়ে আসছে। রাকসু ফান্ডের হিসাব দিতে পারছে না। আর চিঠি আটকে রাখার সেকেলে গোঁড়ামি তো আছেই। ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত লাল ফিতার দৌরাত্ম্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে আপনারা অনেক দূর পিছিয়ে দিয়েছেন। রেজিস্ট্রার অফিসে যেকোনো চিঠি আটকে থাকছে। আজকে রাকসু জিএসের সাথে রেজিস্ট্রারের এহেন নিন্দাজনক আচরণ সেই জমা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। প্রশাসন প্রভু নয়, শিক্ষার্থীরা কারো দাস নয়।
বিএনপির নাম টানায় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, রেজিস্ট্রার অফিসে আম্মার ও শিক্ষক একে অপরকে ধমকাচ্ছেন, বিএনপির নাম টেনে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, অথচ সেখানে বিএনপির কেউই ছিল না। এনসিপির সঙ্গে নিয়মিত দেখা যায় আম্মারকে, অথচ আজ তিনি তাদের চিনলেন না! গণতান্ত্রিক সমাজে যে কেউ আলোচনা করতেই পারে, এতে আমাদের আপত্তি নেই। তবে বিএনপির নাম ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো অনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এনসিপির রাজশাহী মহানগরের আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী বলেন, আমরা স্যারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেছিলাম। জিএস হয়তো আমাদের বিএনপি মনে করেছেন। এতে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০০৭ সালের ২৪ জুলাই বিকালে শাওন নগরীর জিইসি মোড়ে ‘সাফ’ নামের সিএ কোচিং সেন্টারে যাবার জন্য বাসা থেকে বের হয়। ওইদিন রাতে নগরীর বাদশা মিয়া সড়কে তার গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
৩ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
৩ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
৩ দিন আগে