
রাজশাহী ব্যুরো

কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ ও পরবর্তী সময়ে সরকারের পদত্যাগের এক দফার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ-সহিংসতায় আহতদের মধ্যে এখন ৫ জন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সুস্থ হওয়ার প্রতীক্ষায় হাসপাতালটির বেডে শুয়ে-বসে দিন কাটছে তাদের।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫ জনের মধ্যে রাজশাহী বঙ্গবন্ধু কলেজের ছাত্র মো. সালমান (২১), গোদাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী রিয়াদ (২০) ও রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী কৌশিক ইসলাম অপূর্ব (১৮) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভর্তি হন। তবে দুইজনের শরীর থেকে অপসারণ করা হলেও মো. সালমানের পেটে এখনও গুলি থেকে গেছে। ফলে শঙ্কায় দিন কাটছে তার।
রামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত হয়ে অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি হন। পরে তারা চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরে গেলেও অবস্থা গুরুতর হওয়া সম্প্রতি হাসপাতালটিতে ৮ জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাদের রামেকের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিন দিন আগে তিন জন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলে বর্তমানে বাকি ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালটির পক্ষ থেকে তাদের ওষুধ থেকে শুরু করে সবধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগে সন্তুষ্ট আহতদের স্বজনরাও।
এদিকে, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের ঠিক আগ মূহুর্তে আন্দোলনে থাকাকালীন রাজশাহীর আলুপট্টি মোড়ের স্বচ্ছ টাওয়ারের নিচে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হওয়া রাজশাহী বঙ্গবন্ধু কলেজের ছাত্র মো. সালমানের পেটে এখনও থেকে গেছে গুলি। তিনি বলেন, ‘পুলিশের সদস্যরা আন্দোলন দমাতে আমাদের ওপরে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করলেও সন্ত্রাসীদের হাতে রিভালবার ছিল। তারা আমাদের ওপরে গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে আমার পেটে গুলি লাগে। আমার সামনে আরও দুই থেকে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।’
সালমান আরও বলেন, ‘আন্দোলনে সময় বাসায় ওইভাবে বলে যাইনি। প্রথম থেকেই আন্দোলনে ছিলাম। শেষ দিন ভেবে ছিলাম, হয় মারা যাব, না হয় দেশকে স্বাধীন করে ছাড়ব। এই রকম ভাবনা নিয়ে মাকে বলে বের হয়েছিলাম। হয়তো আর নাও ফিরতে পারি। পরে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই। তবে চিকিৎসকরা এখনও আমার শরীর থেকে গুলি বের করতে পারেননি।’
আহত সালমানের বাবা রবিউল ইসলাম রবি বলেন, ‘একটা অপারেশন হয়েছে। তবে এখনও গুলি বের হয়নি। গুলি তার এখনও পেটের মধ্যে আছে। ডাক্তারা (চিকিৎসক) আমাকে শান্তনা দিয়েছেন-কিছুদিন পরে আরেকটা ওটি করা লাগবে। যেহেতু গুলি বের করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে টেনশনে আছি। দেশের জন্য আন্দোলনে গিয়ে আমার ছেলের এই ক্ষতি হয়েছে। তবে এটার জন্য আমার কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। যারা জেলে আছে বা আহত হয়েছে তাদের জন্য দেশের মানুষ যেন দোয়া করে এটাই কামনা করি।’
চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসা ভালো চলছে। দেখা শোনা খুব ভালোভাবে করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসার জন্য কোনো ওষুধ কিনতে হচ্ছে না। সব হাসপাতাল থেকে দিচ্ছে।’
হোটেল ব্যবসায়ী ওবায়দুল ইসলামের ছেলে গুলিবিদ্ধ রিয়াদ বলেন, ঘটনার দিন গোদাগাড়ী উপজেলা থেকে আমরা এক কিলোমিটার দূরে অবস্থান করি। বেলা ১১টার দিকে গোল চত্বরে এসে আমরা মিছিল করব। গোল চত্বরে পুরোটাই পুলিশ ঘিরে রেখেছিল। কাছে গেলে তারা টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে ধোঁয়ায় চারপাশ ছেয়ে যায়। এ সময় সবাই দূরে সরতে শুরু করে। তখন তারা গুলি করলে দ্বিতীয় গুলিটা আমার পায়ে এসে লাগে। তখনই আমি মাটিতে পড়ে সেন্সলেস হয়ে গেছি। পরে গোদাগাড়ীতে কি হয়েছে আমার তা জানা নেই।
হাসপাতালের একই ওয়ার্ড চিকিৎসাধীন রয়েছেন অপর গুলিবিদ্ধ কৌশিক ইসলাম অপূর্ব। তার বাবা শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন ৬ বছর আগে। তার মাও প্যারালাইসড। তারা শিরোইল কলোনীতে থাকেন।
ঘটনার দিনে গুলিবিদ্ধ হওয়ার বর্ণনায় কৌশিক ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘গত ৫ আগস্ট নগরীর আলুপট্টি মোড়ের স্বচ্ছ টাওয়ারের নিচ গোলাগুলি শুরু হলে আমার পায়ে গুলি লাগে। এতে হাঁটতে না পারায় আমি একটু বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি। তখন একটা গলিতে ঢুকলে কয়েকজন রড, রামদা নিয়ে হামলা চলায়। এতে চোয়ালের দুই পাশের হাড় ভেঙে যায়। পরে হাসপাতালে ভর্তি করার পরে আমার দুই বার অপারেশন হয়েছে। একবার গুলি বের করা হয়েছে। আরেক বার চোয়াল ঠিক করার জন্য অপারেশন করা হয়েছে।’
সার্বিক বিষয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. শংকর বিশ্বাস বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে গত ৫ তারিখে সবচেয়ে বেশি আহত ভর্তি হয়েছেন। অনেক রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ভর্তি হওয়া ১২৫ জনের একটি তালিকা আমরা করেছি। হাসপাতাল পরিচালকের নির্দেশনায় সবধানের ওষুধ সরবারহ করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসায় আমাদের সুদক্ষ একটা টিম করা হয়েছিল। সব বিভাগ সচল ছিল। দিন-রাত সবসময় কাজ করছেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে হাসপাতালে ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ ও পরবর্তী সময়ে সরকারের পদত্যাগের এক দফার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ-সহিংসতায় আহতদের মধ্যে এখন ৫ জন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সুস্থ হওয়ার প্রতীক্ষায় হাসপাতালটির বেডে শুয়ে-বসে দিন কাটছে তাদের।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৫ জনের মধ্যে রাজশাহী বঙ্গবন্ধু কলেজের ছাত্র মো. সালমান (২১), গোদাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী রিয়াদ (২০) ও রাজশাহী শিক্ষাবোর্ড মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী কৌশিক ইসলাম অপূর্ব (১৮) গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভর্তি হন। তবে দুইজনের শরীর থেকে অপসারণ করা হলেও মো. সালমানের পেটে এখনও গুলি থেকে গেছে। ফলে শঙ্কায় দিন কাটছে তার।
রামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহত হয়ে অনেক শিক্ষার্থী ভর্তি হন। পরে তারা চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ফিরে গেলেও অবস্থা গুরুতর হওয়া সম্প্রতি হাসপাতালটিতে ৮ জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাদের রামেকের ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিন দিন আগে তিন জন সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরলে বর্তমানে বাকি ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালটির পক্ষ থেকে তাদের ওষুধ থেকে শুরু করে সবধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগে সন্তুষ্ট আহতদের স্বজনরাও।
এদিকে, গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের ঠিক আগ মূহুর্তে আন্দোলনে থাকাকালীন রাজশাহীর আলুপট্টি মোড়ের স্বচ্ছ টাওয়ারের নিচে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হওয়া রাজশাহী বঙ্গবন্ধু কলেজের ছাত্র মো. সালমানের পেটে এখনও থেকে গেছে গুলি। তিনি বলেন, ‘পুলিশের সদস্যরা আন্দোলন দমাতে আমাদের ওপরে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করলেও সন্ত্রাসীদের হাতে রিভালবার ছিল। তারা আমাদের ওপরে গুলি ছোড়ে। এক পর্যায়ে আমার পেটে গুলি লাগে। আমার সামনে আরও দুই থেকে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন।’
সালমান আরও বলেন, ‘আন্দোলনে সময় বাসায় ওইভাবে বলে যাইনি। প্রথম থেকেই আন্দোলনে ছিলাম। শেষ দিন ভেবে ছিলাম, হয় মারা যাব, না হয় দেশকে স্বাধীন করে ছাড়ব। এই রকম ভাবনা নিয়ে মাকে বলে বের হয়েছিলাম। হয়তো আর নাও ফিরতে পারি। পরে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই। তবে চিকিৎসকরা এখনও আমার শরীর থেকে গুলি বের করতে পারেননি।’
আহত সালমানের বাবা রবিউল ইসলাম রবি বলেন, ‘একটা অপারেশন হয়েছে। তবে এখনও গুলি বের হয়নি। গুলি তার এখনও পেটের মধ্যে আছে। ডাক্তারা (চিকিৎসক) আমাকে শান্তনা দিয়েছেন-কিছুদিন পরে আরেকটা ওটি করা লাগবে। যেহেতু গুলি বের করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে টেনশনে আছি। দেশের জন্য আন্দোলনে গিয়ে আমার ছেলের এই ক্ষতি হয়েছে। তবে এটার জন্য আমার কোনো চাওয়া পাওয়া নেই। যারা জেলে আছে বা আহত হয়েছে তাদের জন্য দেশের মানুষ যেন দোয়া করে এটাই কামনা করি।’
চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসা ভালো চলছে। দেখা শোনা খুব ভালোভাবে করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসার জন্য কোনো ওষুধ কিনতে হচ্ছে না। সব হাসপাতাল থেকে দিচ্ছে।’
হোটেল ব্যবসায়ী ওবায়দুল ইসলামের ছেলে গুলিবিদ্ধ রিয়াদ বলেন, ঘটনার দিন গোদাগাড়ী উপজেলা থেকে আমরা এক কিলোমিটার দূরে অবস্থান করি। বেলা ১১টার দিকে গোল চত্বরে এসে আমরা মিছিল করব। গোল চত্বরে পুরোটাই পুলিশ ঘিরে রেখেছিল। কাছে গেলে তারা টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে ধোঁয়ায় চারপাশ ছেয়ে যায়। এ সময় সবাই দূরে সরতে শুরু করে। তখন তারা গুলি করলে দ্বিতীয় গুলিটা আমার পায়ে এসে লাগে। তখনই আমি মাটিতে পড়ে সেন্সলেস হয়ে গেছি। পরে গোদাগাড়ীতে কি হয়েছে আমার তা জানা নেই।
হাসপাতালের একই ওয়ার্ড চিকিৎসাধীন রয়েছেন অপর গুলিবিদ্ধ কৌশিক ইসলাম অপূর্ব। তার বাবা শফিকুল ইসলাম মারা গেছেন ৬ বছর আগে। তার মাও প্যারালাইসড। তারা শিরোইল কলোনীতে থাকেন।
ঘটনার দিনে গুলিবিদ্ধ হওয়ার বর্ণনায় কৌশিক ইসলাম অপূর্ব বলেন, ‘গত ৫ আগস্ট নগরীর আলুপট্টি মোড়ের স্বচ্ছ টাওয়ারের নিচ গোলাগুলি শুরু হলে আমার পায়ে গুলি লাগে। এতে হাঁটতে না পারায় আমি একটু বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি। তখন একটা গলিতে ঢুকলে কয়েকজন রড, রামদা নিয়ে হামলা চলায়। এতে চোয়ালের দুই পাশের হাড় ভেঙে যায়। পরে হাসপাতালে ভর্তি করার পরে আমার দুই বার অপারেশন হয়েছে। একবার গুলি বের করা হয়েছে। আরেক বার চোয়াল ঠিক করার জন্য অপারেশন করা হয়েছে।’
সার্বিক বিষয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. শংকর বিশ্বাস বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে গত ৫ তারিখে সবচেয়ে বেশি আহত ভর্তি হয়েছেন। অনেক রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। ভর্তি হওয়া ১২৫ জনের একটি তালিকা আমরা করেছি। হাসপাতাল পরিচালকের নির্দেশনায় সবধানের ওষুধ সরবারহ করা হয়েছে। তাদের চিকিৎসায় আমাদের সুদক্ষ একটা টিম করা হয়েছিল। সব বিভাগ সচল ছিল। দিন-রাত সবসময় কাজ করছেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে হাসপাতালে ৫ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আজ শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুর গফুর সরকার।
৫ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের দুই নম্বর গেট এলাকায় চিটাগং শপিং কমপ্লেক্সে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দুপুর ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে এ অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানা যায়নি।
৮ ঘণ্টা আগে
তিনি জানান, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন সংশ্লিষ্ট ঘটনায় পিয়াসের বিরুদ্ধে মোট ১১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে কোতোয়ালি মডেল থানায় নয়টি এবং সদর দক্ষিণ থানায় দুটি মামলা রয়েছে।
১ দিন আগে
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলমগীর মন্ডল (৪৪) নামের এক ভ্যানচালককে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বেলগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে