
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইমা ইয়াসমিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ১৪ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। দেড় বছর পরও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি। তিনি বিদেশ পাড়ি দিয়ে আর দেশে ফেরেননি বলে জানা গেছে। জাকিয়া সুলতানা নামে আরেকজন সিনিয়র স্টাফ নার্স স্বামীর সাথে দেখা করতে ২০২৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ৪৫ দিনের অর্জিত ছুটি নিয়ে বিদেশ যান। নয় মাস পেরিয়ে গেলেও তিনিও আর অফিসে যোগ দেননি। ছুটি শেষে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকা সত্বেও তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, রামেক হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইমা ইয়াসমিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ১৪ দিনের ছুটি চেয়ে পরিচালক বরাবর আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১৪ দিনের ছুটি দেওয়া হয়। কিন্তু ছুটি শেষ হওয়া দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি আর কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। তিনি বর্তমানে বিদেশে বসত গড়েছেন বলে জানা গেছে। তবে কোন দেশে আছেন তা জানা যায়নি। তার আবেদনপত্রে হাজিরা খাতার সিরিয়াল নম্বর দেওয়া আছে ০২/১৭৩। হাজিরা খাতায় দেখা গেছে, ২০২২ সালের ২২ নভেম্বর থেকে প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন। কেননা, এই সময়ে হাজিরা খাতায় তার উপস্থিতির সাক্ষর নাই।
অপরদিকে, হাসপাতালের অপর সিনিয়র স্টাফ নার্স জাকিয়া সুলতানা গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৩ পর্যন্ত ৪৫ দিনের অর্জিত ছুটি নিয়ে স্বামীর সাথে দেখা করতে যুক্তরাজ্যে যান। কিন্তু ছুটি শেষ হলেও গত ৮ মাস ধরে তিনিও অনুপস্থিত রয়েছেন। তারও হাজিরা খাতায় উপস্থিতির সাক্ষর পাওয়া যায়নি।
ছুটি শেষেও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা সত্বেও অদৃশ্য কারণে প্রতিষ্ঠান থেকে তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন বলে সাইমা ইয়াসমিন ও জাকিয়া সুলতানার বেতন সিট ঘেটে জানা গেছে।
সাইমা ইয়াসমিনের ২০২৩-২০২৪ সালের বেতন সিট ঘেটে দেখা যায়, তার জিপিএফ অ্যাকাউন্ট নম্বর ৪১৯৩ ও এনআইডি নম্বর- ১৯৭৬৮১৯৮৫০৬৪০১০৫০। গত দেড় বছর অনুপস্থিত থেকেও তিনি বেতন তুলেছেন ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫৬ টাকা।
এদিকে, জাকিয়া সুলতানার বেতন সিট ঘেটে দেখা গেছে, তার জিপিএফ অ্যাকাউন্ট নম্বর ২৮৬০৯ ও এনআইডি নম্বর ১৯৯১৬৯১৪৪৬৬০০০১৮৩। গত ৮ মাসে তিনি অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলেছেন ২ লাখ ৮২ হাজার ২৭৬.৫০ টাকা।
নাম প্রকাশ না করার সর্তে রামেক হাসপাতলের এক নার্স বলেন, সাইমা ইয়াসমিন ও জাকিয়া সুলতানা ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিন পরও আর কর্মস্থলে যোগ দেননি। ফলে হাজিরা খাতায় তাদের কোনো স্বাক্ষর না থাকলেও প্রতিমাসে বেতন তোলেন তারা। শুনেছি তারা এখনও বিদেশেই আছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামেক হাসপাতালের নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট (ভারপ্রাপ্ত) পারভিন আক্তার বলেন, আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। তাই বিষয়গুলো আমর খুব একটা জানা নেই। জানলেও এসব তথ্য পরিচালকের অনুমতি ছাড়া দেওয়া যাবে না।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. হাসানুল হাছিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রামেক হাসপাতালে ১৩০০ নার্স রয়েছে। প্রত্যেকের খবর নেওয়া তো সম্ভব নয়। তবে কারো অনুপস্থিতে বেতন হওয়ার কথা নয়। তারপরও যদি এমন হয়, তবে তারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এ বিষয়ে নার্স সুপারিনটেনডেন্ট অভিযোগ দিলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
জানতে চাইলে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কেউ চাকরিবিবি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষ অবশই ব্যবস্থা নিবেন। চাকরি করবে কিন্তু কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে বেতন নিবে এটি কাম্য নয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইমা ইয়াসমিন ও জাকিয়া সুলতানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তারা বিদেশে অবস্থান করায় তাদের ফোন বন্ধ রয়েছে বলে রামেক হাসপাতালের কর্মরত তাদের সহকর্মীরা জানিয়েছেন। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইমা ইয়াসমিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ১৪ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। দেড় বছর পরও তিনি কর্মস্থলে যোগ দেননি। তিনি বিদেশ পাড়ি দিয়ে আর দেশে ফেরেননি বলে জানা গেছে। জাকিয়া সুলতানা নামে আরেকজন সিনিয়র স্টাফ নার্স স্বামীর সাথে দেখা করতে ২০২৩ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ৪৫ দিনের অর্জিত ছুটি নিয়ে বিদেশ যান। নয় মাস পেরিয়ে গেলেও তিনিও আর অফিসে যোগ দেননি। ছুটি শেষে দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকা সত্বেও তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলছেন বলে জানা গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, রামেক হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইমা ইয়াসমিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ১৪ দিনের ছুটি চেয়ে পরিচালক বরাবর আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর থেকে ২২ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১৪ দিনের ছুটি দেওয়া হয়। কিন্তু ছুটি শেষ হওয়া দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি আর কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। তিনি বর্তমানে বিদেশে বসত গড়েছেন বলে জানা গেছে। তবে কোন দেশে আছেন তা জানা যায়নি। তার আবেদনপত্রে হাজিরা খাতার সিরিয়াল নম্বর দেওয়া আছে ০২/১৭৩। হাজিরা খাতায় দেখা গেছে, ২০২২ সালের ২২ নভেম্বর থেকে প্রায় দেড় বছর ধরে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন। কেননা, এই সময়ে হাজিরা খাতায় তার উপস্থিতির সাক্ষর নাই।
অপরদিকে, হাসপাতালের অপর সিনিয়র স্টাফ নার্স জাকিয়া সুলতানা গত ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে ২৯ অক্টোবর ২০২৩ পর্যন্ত ৪৫ দিনের অর্জিত ছুটি নিয়ে স্বামীর সাথে দেখা করতে যুক্তরাজ্যে যান। কিন্তু ছুটি শেষ হলেও গত ৮ মাস ধরে তিনিও অনুপস্থিত রয়েছেন। তারও হাজিরা খাতায় উপস্থিতির সাক্ষর পাওয়া যায়নি।
ছুটি শেষেও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা সত্বেও অদৃশ্য কারণে প্রতিষ্ঠান থেকে তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন বলে সাইমা ইয়াসমিন ও জাকিয়া সুলতানার বেতন সিট ঘেটে জানা গেছে।
সাইমা ইয়াসমিনের ২০২৩-২০২৪ সালের বেতন সিট ঘেটে দেখা যায়, তার জিপিএফ অ্যাকাউন্ট নম্বর ৪১৯৩ ও এনআইডি নম্বর- ১৯৭৬৮১৯৮৫০৬৪০১০৫০। গত দেড় বছর অনুপস্থিত থেকেও তিনি বেতন তুলেছেন ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫৬ টাকা।
এদিকে, জাকিয়া সুলতানার বেতন সিট ঘেটে দেখা গেছে, তার জিপিএফ অ্যাকাউন্ট নম্বর ২৮৬০৯ ও এনআইডি নম্বর ১৯৯১৬৯১৪৪৬৬০০০১৮৩। গত ৮ মাসে তিনি অনুপস্থিত থেকেও বেতন তুলেছেন ২ লাখ ৮২ হাজার ২৭৬.৫০ টাকা।
নাম প্রকাশ না করার সর্তে রামেক হাসপাতলের এক নার্স বলেন, সাইমা ইয়াসমিন ও জাকিয়া সুলতানা ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিন পরও আর কর্মস্থলে যোগ দেননি। ফলে হাজিরা খাতায় তাদের কোনো স্বাক্ষর না থাকলেও প্রতিমাসে বেতন তোলেন তারা। শুনেছি তারা এখনও বিদেশেই আছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রামেক হাসপাতালের নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট (ভারপ্রাপ্ত) পারভিন আক্তার বলেন, আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। তাই বিষয়গুলো আমর খুব একটা জানা নেই। জানলেও এসব তথ্য পরিচালকের অনুমতি ছাড়া দেওয়া যাবে না।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. হাসানুল হাছিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রামেক হাসপাতালে ১৩০০ নার্স রয়েছে। প্রত্যেকের খবর নেওয়া তো সম্ভব নয়। তবে কারো অনুপস্থিতে বেতন হওয়ার কথা নয়। তারপরও যদি এমন হয়, তবে তারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। এ বিষয়ে নার্স সুপারিনটেনডেন্ট অভিযোগ দিলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
জানতে চাইলে রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, কেউ চাকরিবিবি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষ অবশই ব্যবস্থা নিবেন। চাকরি করবে কিন্তু কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে বেতন নিবে এটি কাম্য নয়।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে সিনিয়র স্টাফ নার্স সাইমা ইয়াসমিন ও জাকিয়া সুলতানার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তারা বিদেশে অবস্থান করায় তাদের ফোন বন্ধ রয়েছে বলে রামেক হাসপাতালের কর্মরত তাদের সহকর্মীরা জানিয়েছেন। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল সীমান্তে পৌঁছানোর পর দুই দেশের প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহগুলো বেনাপোল সীমান্তের শূন্যরেখায় অপেক্ষায় থাকা স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার ব্রাহ্মণগ্রাম এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন শেরপুর হাইওয়ে থানার ওসি আনিসুর রহমান।
১ দিন আগে
ভোমরা স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সজীব বালা বলেন, ভারতের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ মরদেহ হস্তান্তর করতে কিছুটা সময় নিয়েছে। তারা দুপুর ১২টার দিকে তাদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
১ দিন আগে