
রাজশাহী ব্যুরো

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলের দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল (৫০) মারা গেছেন। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিইউ ইনচার্জ মোস্তফা কামাল।
এর আগে, বাঘার পৌরমেয়র আক্কাস আলীর অনিয়ম ও দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শনিবার সকাল ১০টায় বাঘা উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগ। অপরদিকে ঠিক একই সময়ে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের আধিপত্য বিস্তার, অনিয়ম, দুর্নীতি এবং দলিল প্রতি অতিরিক্ত ফ্রি আদায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা করেন আক্কাস আলী ও তার সমার্থকরা। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির এক পর্যায়ে বাঘা উপজেলা পরিষদের সামনে সংঘর্ষ শুরু হলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ লাঠিপেটা ও কাদানে গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সংঘর্ষে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। পরে রোববার (২৩ জুন) বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাস আলীসহ ৪৬ জনের নামে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
বাবুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে রামেক হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বাবুলের মাথায় গুরুতর জখম থাকায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছিল। হাসপাতালে আনার পর অস্ত্রোপচার করেই তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। সেখানে জখমের স্থানে ইনফেকশন হয়ে গিয়েছিল। তাই তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।’
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষের দিন আশরাফুল ইসলাম বাবুলকে কুপিয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। এখন মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। মারামারির ঘটনায় যে মামলাটি হয়েছিল, সেই মামলাটিই এখন হত্যা মামলায় রূপ নেবে।’
এবিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান বলেন, বাঘা উপজেলায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পাওয়া আশরাফুল ইসলাম বাবুল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে মারা গেছেন। বাবলু আহত হওয়ার পর একটি মামলা দায়ের করা আছে। সেই মামলায় আমরা ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছি।

পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলের দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে গুরুতর আহত রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুল (৫০) মারা গেছেন। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইসিইউ ইনচার্জ মোস্তফা কামাল।
এর আগে, বাঘার পৌরমেয়র আক্কাস আলীর অনিয়ম ও দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে শনিবার সকাল ১০টায় বাঘা উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগ। অপরদিকে ঠিক একই সময়ে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখকদের আধিপত্য বিস্তার, অনিয়ম, দুর্নীতি এবং দলিল প্রতি অতিরিক্ত ফ্রি আদায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা করেন আক্কাস আলী ও তার সমার্থকরা। পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির এক পর্যায়ে বাঘা উপজেলা পরিষদের সামনে সংঘর্ষ শুরু হলে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ লাঠিপেটা ও কাদানে গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। সংঘর্ষে রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। পরে রোববার (২৩ জুন) বাঘা পৌরসভার মেয়র আক্কাস আলীসহ ৪৬ জনের নামে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের করা হয়।
বাবুলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে রামেক হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বাবুলের মাথায় গুরুতর জখম থাকায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছিল। হাসপাতালে আনার পর অস্ত্রোপচার করেই তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। সেখানে জখমের স্থানে ইনফেকশন হয়ে গিয়েছিল। তাই তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।’
বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘সংঘর্ষের দিন আশরাফুল ইসলাম বাবুলকে কুপিয়ে ফেলে রাখা হয়েছিল। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন। এখন মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। মারামারির ঘটনায় যে মামলাটি হয়েছিল, সেই মামলাটিই এখন হত্যা মামলায় রূপ নেবে।’
এবিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান বলেন, বাঘা উপজেলায় দু'পক্ষের সংঘর্ষে মাথায় আঘাত পাওয়া আশরাফুল ইসলাম বাবুল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে মারা গেছেন। বাবলু আহত হওয়ার পর একটি মামলা দায়ের করা আছে। সেই মামলায় আমরা ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছি।

হত্যাকাণ্ডের সময় আবুল মৃধা ও তার দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে ছিলেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে