
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বগুড়া শহরের এক আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে, ১১ মাস বয়সী ছেলে আবদুল্লাহ হেল রাফি ও স্ত্রী আশা মনিকে (২২) গলাকেটে হত্যার অভিযোগে স্বামী আজিজুল হককে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২ জুন) বেলা ১২টার দিকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গতকাল রাতের কোনো এক সময় তাদের হত্যা করা হয়। তার আগে, সন্ধ্যা ৭টার দিকে তমা ও মিরাজ পরিচয়ে ওই হোটেলে উঠেন আশা মনি-আজিজুল। বাড়ি উল্লেখ করা হয় রংপুরের পীরগঞ্জে।
আজিজুল হকের বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলায়। আশা মনির বাবার বাড়ি নারুলী এলাকায়। পুলিশ জানায়, হত্যার পর শিশু আবদুল্লাহ হেল রাফির শরীর থেকে মাথা আলাদা করে করতোয়া নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
নিহত আশা মনির স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আজিজুল হক তার স্ত্রী আশা মনি ও সন্তান আব্দুল্লাহেল রাফিকে নিয়ে মার্কেটে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এ বিষয়ে মুঠোফোনে আজিজুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মার্কেট শেষে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে স্ত্রী আশা মনি ও সন্তানকে অটোরিকশায় বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন।
রোববার সকালে আজিজুল শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী ও সন্তান কোথায় জানতে চান? এ সময় তিনি শ্বশুরবাড়ির লোকদের বলেন, তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আশা মনির বাবা এবং চাচারা তখন বলেন, তাহলে তো থানায় জিডি ও মাইকিং করতে হবে।
সকাল ৯টা থেকে বগুড়া শহরের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় মাইকিং। পরে আজিজুল হককে সঙ্গে নিয়ে থানায় জিডি করার জন্য যেতে চান আশা মনির বাবা আসাদুল ইসলাম। কিন্তু আজিজুল জিডি করতে রাজি হচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে কাজের অজুহাতে চলে আসেন।
আশা মনির চাচা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সকাল ৯টা থেকে মাইকিং শুরু করি। পরে জিডি করতে যেতে চাইলে আজিজুল তালবাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে আশা মনি ও তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাই।
আটকের পর আজিজুল পুলিশকে জানিয়েছেন, শনিবার স্ত্রী আশা মনি ও সন্তানকে রিকশায় বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার পর আজিজুল ওই হোটেলে উঠেন। পরে স্ত্রী-সন্তানকে মুঠোফোনে হোটেল ডেকে নেন। হোটেলে যাওয়ার পরপরই তাদের গলাকেটে হত্যা করা হয়। এরপর সন্তানের শরীর থেকে মাথা আলাদা করে একটি ব্যাগে ভরে হোটেল থেকে বের হয়ে পাশের করতোয়া নদীতে ফেলে দেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম বলেন, আজিজুল একজন সেনা সদস্য। শনিবার রাতের কোনো এক সময় হোটেলের একটি কক্ষে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করেন তিনি। পরে সন্তানের মাথা একটি ব্যাগে ভরে হোটেল থেকে বের হয়ে করতোয়া নদীতে ফেলে দেন। পুলিশ সেই মাথার সন্ধান করছে। এ ঘটনায় মামলা হবে। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

বগুড়া শহরের এক আবাসিক হোটেলে নিয়ে গিয়ে, ১১ মাস বয়সী ছেলে আবদুল্লাহ হেল রাফি ও স্ত্রী আশা মনিকে (২২) গলাকেটে হত্যার অভিযোগে স্বামী আজিজুল হককে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২ জুন) বেলা ১২টার দিকে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গতকাল রাতের কোনো এক সময় তাদের হত্যা করা হয়। তার আগে, সন্ধ্যা ৭টার দিকে তমা ও মিরাজ পরিচয়ে ওই হোটেলে উঠেন আশা মনি-আজিজুল। বাড়ি উল্লেখ করা হয় রংপুরের পীরগঞ্জে।
আজিজুল হকের বাড়ি বগুড়ার ধুনট উপজেলায়। আশা মনির বাবার বাড়ি নারুলী এলাকায়। পুলিশ জানায়, হত্যার পর শিশু আবদুল্লাহ হেল রাফির শরীর থেকে মাথা আলাদা করে করতোয়া নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
নিহত আশা মনির স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় আজিজুল হক তার স্ত্রী আশা মনি ও সন্তান আব্দুল্লাহেল রাফিকে নিয়ে মার্কেটে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। এ বিষয়ে মুঠোফোনে আজিজুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মার্কেট শেষে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে স্ত্রী আশা মনি ও সন্তানকে অটোরিকশায় বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছেন।
রোববার সকালে আজিজুল শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী ও সন্তান কোথায় জানতে চান? এ সময় তিনি শ্বশুরবাড়ির লোকদের বলেন, তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আশা মনির বাবা এবং চাচারা তখন বলেন, তাহলে তো থানায় জিডি ও মাইকিং করতে হবে।
সকাল ৯টা থেকে বগুড়া শহরের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয় মাইকিং। পরে আজিজুল হককে সঙ্গে নিয়ে থানায় জিডি করার জন্য যেতে চান আশা মনির বাবা আসাদুল ইসলাম। কিন্তু আজিজুল জিডি করতে রাজি হচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে কাজের অজুহাতে চলে আসেন।
আশা মনির চাচা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সকাল ৯টা থেকে মাইকিং শুরু করি। পরে জিডি করতে যেতে চাইলে আজিজুল তালবাহানা করতে থাকে। একপর্যায়ে বেলা ১১টার দিকে আশা মনি ও তার সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে বলে খবর পাই।
আটকের পর আজিজুল পুলিশকে জানিয়েছেন, শনিবার স্ত্রী আশা মনি ও সন্তানকে রিকশায় বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার পর আজিজুল ওই হোটেলে উঠেন। পরে স্ত্রী-সন্তানকে মুঠোফোনে হোটেল ডেকে নেন। হোটেলে যাওয়ার পরপরই তাদের গলাকেটে হত্যা করা হয়। এরপর সন্তানের শরীর থেকে মাথা আলাদা করে একটি ব্যাগে ভরে হোটেল থেকে বের হয়ে পাশের করতোয়া নদীতে ফেলে দেন।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম বলেন, আজিজুল একজন সেনা সদস্য। শনিবার রাতের কোনো এক সময় হোটেলের একটি কক্ষে স্ত্রী ও সন্তানকে হত্যা করেন তিনি। পরে সন্তানের মাথা একটি ব্যাগে ভরে হোটেল থেকে বের হয়ে করতোয়া নদীতে ফেলে দেন। পুলিশ সেই মাথার সন্ধান করছে। এ ঘটনায় মামলা হবে। সেই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শামিমকে একটি অনুষ্ঠানে কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিতে দেখা যায়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই শামিমসহ কয়েকজন আহত হন। পর
১৮ ঘণ্টা আগে
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওরে’ ফসলরক্ষা বাঁধের একটি অংশ হঠাৎ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিলেও স্থানীয় কৃষকদের কয়েক ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
খাগড়াছড়িতে নির্বিচারে পাহাড় কাটার অভিযোগে অবশেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকেলে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি থানায় অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে পরিবেশ সুরক্ষা আইনে মামলা করেছে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর। তবে এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
২০ ঘণ্টা আগে