
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যের বিরুদ্ধে রেলের এক দপ্তরে বসে মাদক সেবনের অভিযোগ উঠছে। সম্প্রতি এমনই বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
মাদকসেবনে অভিযুক্তরা হলেন- রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে আরবিআর শাখার নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত সিপাহী সাদ্দাম হোসেন এবং শাহিনুর রহমান।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, আরএনবি শাখার ওই দুই নিরাপত্তা কর্মী রেলওয়ে ভবনের একটি দপ্তরে বসে ইয়াবা সেবন করছে।
প্রথম একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা কাগজের ওপর মেঝেতে সারিবদ্ধভাবে বেশ কয়েকটি ইয়াবা সেবনের জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এর কিছু দূরে নিরাপত্তা কর্মী সাদ্দাম হোসেন ইয়াবা সেবন করছে। পাশের আরেকটি চেয়ারে বসে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন সিপাহী শাহিনুর রহমান। কথা বলা শেষে দুজনই একসাথে মাদকআড্ডায় মেতে উঠেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে তাদের এমন মাদক সেবন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরএনবি শাখার নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য জানান, সাদ্দাম ও শাহিনুর নিয়মিত মাদক সেবন করেন। প্রায় সময়ই তারা রেলওয়ে ভবনের বিভিন্ন রুমে রাতে মাদকের আড্ডা বসান। এতে বহিরাগতরাও অংশ নেন। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রতিনিয়ত এমন বেপড়য়া কর্মকাণ্ড চালালেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারে না।
ভিডিও-সহ নানা অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শাহিনুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে নিউজ না করার জন্য প্রতিবেদককে ম্যানেজের চেষ্টা চালান।
তবে অপর অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে রাজশাহী রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল (আরএনবি) শাখার প্রধান কমান্ডার আসহাবুল ইসলাম জানান, যদি এমন ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সাসপেন্ড করা হবে। এমন কর্মকাণ্ডে ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।

রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্যের বিরুদ্ধে রেলের এক দপ্তরে বসে মাদক সেবনের অভিযোগ উঠছে। সম্প্রতি এমনই বেশ কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।
মাদকসেবনে অভিযুক্তরা হলেন- রাজশাহী পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে আরবিআর শাখার নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত সিপাহী সাদ্দাম হোসেন এবং শাহিনুর রহমান।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, আরএনবি শাখার ওই দুই নিরাপত্তা কর্মী রেলওয়ে ভবনের একটি দপ্তরে বসে ইয়াবা সেবন করছে।
প্রথম একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাদা কাগজের ওপর মেঝেতে সারিবদ্ধভাবে বেশ কয়েকটি ইয়াবা সেবনের জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এর কিছু দূরে নিরাপত্তা কর্মী সাদ্দাম হোসেন ইয়াবা সেবন করছে। পাশের আরেকটি চেয়ারে বসে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন সিপাহী শাহিনুর রহমান। কথা বলা শেষে দুজনই একসাথে মাদকআড্ডায় মেতে উঠেন। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে তাদের এমন মাদক সেবন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরএনবি শাখার নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য জানান, সাদ্দাম ও শাহিনুর নিয়মিত মাদক সেবন করেন। প্রায় সময়ই তারা রেলওয়ে ভবনের বিভিন্ন রুমে রাতে মাদকের আড্ডা বসান। এতে বহিরাগতরাও অংশ নেন। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় প্রতিনিয়ত এমন বেপড়য়া কর্মকাণ্ড চালালেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারে না।
ভিডিও-সহ নানা অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শাহিনুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে নিউজ না করার জন্য প্রতিবেদককে ম্যানেজের চেষ্টা চালান।
তবে অপর অভিযুক্ত সাদ্দাম হোসেনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তা বন্ধ পাওয়া গেছে। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে রাজশাহী রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল (আরএনবি) শাখার প্রধান কমান্ডার আসহাবুল ইসলাম জানান, যদি এমন ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং সাসপেন্ড করা হবে। এমন কর্মকাণ্ডে ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই।

হত্যাকাণ্ডের সময় আবুল মৃধা ও তার দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে ছিলেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
১৮ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে