
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহীতে প্রথমবারের মতো নির্মিত হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। আজ শনিবার নগরীর সোনাদীঘি এলাকায় পুরাতন সার্ভে ইনস্টিটিউটের জায়গায় পূর্ব নির্ধারিত স্থানে এই শহীদ মিনার নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল।
এর আগে, ১৬ কোটি টাকা খরচে জেলা পরিষদের ওই জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু জেলা পরিষদের আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত পিছু হটে সিটি কর্পোরেশন। ওই একইস্থানে এবার নিজেরাই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার স্থাপন করছে জেলা পরিষদ।
এ উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল বলেন, ‘এর আগে জেলা পরিষদের জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করেছে সিটি করপোরেশন। এখানেও তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার করতে চেয়েছিল। জেলা পরিষদ সেটি চায়নি। কিন্তু আমরা নতুন পরিষদ নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সভাতেই এই জায়গায় জেলা পরিষদের উদ্যোগেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কাজেই অন্য কারো উদ্যোগে নয়, দ্রুত সময়ের মধ্যেই আমরাই কাজটা শেষ করব’।
উল্লেখ্য, জেলা পরিষদ এখন ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকায় নিজেরাই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ এই কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করেছে। এর আগে ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন প্রধান কৌঁসুলি ও রাজশাহীর ভাষাসৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম আরিফ টিপু। তবে নতুন করে আবারো শহীদ মিনার নির্মাণকাজের উদ্বোধন করায় সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা করছেন কেউ কেউ।
তারা বলছেন, ‘দ্বিতীয়বারের মতো রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর বা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন প্রয়াত ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম আরিফ টিপুর প্রতি অবজ্ঞা বা অশ্রদ্ধা জানানো ছাড়া আর কিছু নয়।’

রাজশাহীতে প্রথমবারের মতো নির্মিত হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। আজ শনিবার নগরীর সোনাদীঘি এলাকায় পুরাতন সার্ভে ইনস্টিটিউটের জায়গায় পূর্ব নির্ধারিত স্থানে এই শহীদ মিনার নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজশাহী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল।
এর আগে, ১৬ কোটি টাকা খরচে জেলা পরিষদের ওই জায়গায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন। টেন্ডার প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু জেলা পরিষদের আপত্তির মুখে শেষ পর্যন্ত পিছু হটে সিটি কর্পোরেশন। ওই একইস্থানে এবার নিজেরাই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার স্থাপন করছে জেলা পরিষদ।
এ উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল বলেন, ‘এর আগে জেলা পরিষদের জায়গায় বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল করেছে সিটি করপোরেশন। এখানেও তারা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার করতে চেয়েছিল। জেলা পরিষদ সেটি চায়নি। কিন্তু আমরা নতুন পরিষদ নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম সভাতেই এই জায়গায় জেলা পরিষদের উদ্যোগেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কাজেই অন্য কারো উদ্যোগে নয়, দ্রুত সময়ের মধ্যেই আমরাই কাজটা শেষ করব’।
উল্লেখ্য, জেলা পরিষদ এখন ৭ কোটি ৮০ লাখ টাকায় নিজেরাই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে জেলা পরিষদ এই কাজের দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ করেছে। এর আগে ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তৎকালীন প্রধান কৌঁসুলি ও রাজশাহীর ভাষাসৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম আরিফ টিপু। তবে নতুন করে আবারো শহীদ মিনার নির্মাণকাজের উদ্বোধন করায় সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনা করছেন কেউ কেউ।
তারা বলছেন, ‘দ্বিতীয়বারের মতো রাজশাহী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর বা নির্মাণ কাজের উদ্বোধন প্রয়াত ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম আরিফ টিপুর প্রতি অবজ্ঞা বা অশ্রদ্ধা জানানো ছাড়া আর কিছু নয়।’

স্থানীয়দের অভিযোগ, সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে শামিমকে একটি অনুষ্ঠানে কোরআন সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিতে দেখা যায়। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা দরবারে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে ঘটনাস্থলেই শামিমসহ কয়েকজন আহত হন। পর
১ দিন আগে
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯টি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওরে’ ফসলরক্ষা বাঁধের একটি অংশ হঠাৎ ভেঙে পানি ঢুকে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল। এতে কয়েক হাজার হেক্টর বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিলেও স্থানীয় কৃষকদের কয়েক ঘণ্টার প্রাণপণ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে।
১ দিন আগে
খাগড়াছড়িতে নির্বিচারে পাহাড় কাটার অভিযোগে অবশেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকেলে খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি থানায় অভিযুক্ত মনির হোসেনের বিরুদ্ধে পরিবেশ সুরক্ষা আইনে মামলা করেছে জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর। তবে এখনো তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
১ দিন আগে