কুমিল্লায় মা-ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

কুমিল্লা প্রতিনিধি
আপডেট : ১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১২: ৪২
মরদেহের প্রতীকী ছবি

কুমিল্লা সদর উপজেলায় মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় মা ও ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— বসন্তপুর গ্রামের মৃত আজগর আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৬৫) ও তার ছোট ছেলে কামাল হোসেন (৩৫)। ঘটনার পর ঘাতক বড় ভাই বিল্লাল হোসেন পলাতক রয়েছে। পুলিশ তার স্ত্রী আকলিমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

পুলিশ জানায়, বিল্লাল দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রয়েছে। সকালে বিল্লাল মাদক নিয়ে বাড়িতে ঢুকতে গেলে ছোট ভাই কামাল তাকে নিষেধ করেন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে বিল্লাল ঘর থেকে ছুরি এনে কামালকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। মা রাহেলা বেগম বাধা দিতে গেলে তাকেও একই ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কামাল মারা যান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাহেলা বেগমের মৃত্যু হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম জানান, বিল্লালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

Ad
Ad
ad
ad
ad

মাঠের রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

১৫ আগস্ট ঘিরে আয়োজন, চট্টগ্রামে ১৫ আইনজীবী গ্রেপ্তার

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাতে নগরের ডবলমুরিং থানার মনসুরাবাদ এলাকার ওয়াপদা কলোনি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

১ দিন আগে

রাঙ্গামাটির মানিকছড়িতে পিকআপ উল্টে প্রাণ গেল ৪ জনের, আহত ২

যাত্রীবাহী একটি পিকআপ রাঙ্গামাটি শহর থেকে কুতুকছড়ি বাজারের দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি মানিকছড়ি এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন কয়েকজন যাত্রী। আহতদের উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

১ দিন আগে

ফতুল্লায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে গোলাগুলি, ৩ পুলিশসহ আহত ৪

স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মাদক কারবারিদের একটি দল অস্ত্রসহ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেললাইনের ইসদাইর এলাকায় মহড়া দিচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। পুলিশকে দেখেই মাদক কারবারিরা গুলি ও ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। এ সময় ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রফিক ও

২ দিন আগে

সীতাকুণ্ডের জাহাজে মিলল মাত্রাতিরিক্ত হাইড্রোজেন সালফাইড

পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার প্রায় চার ঘণ্টা পরও জাহাজের ভেতরে হাইড্রোজেন সালফাইডের মাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ পিপিএম। দুর্ঘটনার সময় এর মাত্রা ১০০ পিপিএমেরও বেশি ছিল বলে ধারণা করছেন তারা। বলছেন, এত বেশি মাত্রার হাইড্রোজেন সালফাইডের সংস্পর্শে এলে এক থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির

২ দিন আগে