
রাজবাড়ী প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলের কবর গুঁড়িয়ে দিয়েছে তথাকথিত তৌহিদী জনতা। ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পর কবরসহ আশপাশের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) একদল মুসল্লি লাঠিসোটা হাতে নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে ওই কবরে হামলা চালায়।
স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত ভিডিওতে দেখা যায়, কবরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। এ সময় পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
এর আগে গত ২৩ আগস্ট নুরাল পাগলার (৮৫) মৃত্যুর পর পরিবারের সিদ্ধান্তে নিজ বাড়ির সামনের অংশে প্রায় ১২ ফুট উঁচু একটি কাঠামোর ভেতরে তাকে কবরস্থ করা হয়। পরে কবরটিকে কাবা শরিফের আদলে রঙ করা হয় এবং ‘হজরত ইমাম মাহাদী (আ.) দরবার শরীফ’ লেখা ব্যানার টানানো হয়।

শুক্রবার রাজবাড়ীতে নুরাল পাগলের কবর ভাঙচুর করা হয়। ছবি: রাজনীতি ডটকম
স্থানীয়রা বলছেন, এতে ওই এলাকার ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এ নিয়ে সম্প্রতি উপজেলা মডেল মসজিদের নিচতলায় উপজেলা ইমাম কমিটি ও ‘তৌহিদী জনতা’র উদ্যোগে আলোচনা সভা হয়।
ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ইমাম কমিটির সভাপতি মাওলানা মো. জালাল উদ্দিন প্রামাণিক। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ইমাম কমিটির সভাপতি মাওলানা মো. ইলিয়াস মোল্লা, গোয়ালন্দ সরকারি কামরুল ইসলাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কে. মোহিত হীরা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আইয়ুব আলী খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন, পৌর বিএনপি সভাপতি মো. কাশেম মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইদুল ইসলাম, ইদ্রিসিয়া মাদরাসার নায়েবে মোহতামিম মুফতি শামসুল হুদা, উপজেলা ইমাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবুল হোসাইনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ‘তৌহিদী জনতা’।
সভায় জেলা ইমাম কমিটির সভাপতি মাওলানা মো. ইলিয়াস মোল্লা বলেন, ‘ইমাম মাহাদীর দাবিদার নুরাল পাগলের মাজার ও কবর নিয়ে আমাদের তিনটি দাবি ছিল। এর মধ্যে দুটি দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। তবে একটি দাবি এখনো বাকি আছে— ১২ ফুট উঁচু স্থানের কবর নিচু করা।’

শুক্রবার নুরাল পাগলের কবর ভাঙচুরের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ছবি: রাজনীতি ডটকম
ইলিয়াস মোল্লা বলেন, এ বিষয়ে আমরা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছি। নুরাল পাগলের পরিবার সময় চেয়েছিল। ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা সময় পেয়েছেন।’
ওই বৈঠকে জানানো হয়, ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নুরাল পাগলের কবরস্থানের কাঠামো নিচু না করলে সেটি ভেঙে দেওয়া হবে। এ পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। তারপর কবর ভেঙে চুরমার করা হয়।
‘তৌহিদী জনতা’ ও ইমাম পরিষদের পক্ষ থেকে যে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল সে দাবিগুলো হলো— কবর থেকে কাবা শরীফের আদলে করা রঙ পরিবর্তন, ‘ইমাম মাহাদী (আ.) দরবার শরীফ’ লেখা সাইনবোর্ড অপসারণ, এবং কবরের উচ্চতা কমিয়ে স্বাভাবিক করা।
নুরাল পাগলের ভক্ত ও পরিবারের সদস্যরা প্রথম দুটি দাবি মেনে নিলেও কবরের উচ্চতা স্বাভাবিক করার বিষয়ে সময় চেয়েছিলেন।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলের কবর গুঁড়িয়ে দিয়েছে তথাকথিত তৌহিদী জনতা। ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর পর কবরসহ আশপাশের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় তারা।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) একদল মুসল্লি লাঠিসোটা হাতে নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে ওই কবরে হামলা চালায়।
স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত ভিডিওতে দেখা যায়, কবরটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। এ সময় পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
এর আগে গত ২৩ আগস্ট নুরাল পাগলার (৮৫) মৃত্যুর পর পরিবারের সিদ্ধান্তে নিজ বাড়ির সামনের অংশে প্রায় ১২ ফুট উঁচু একটি কাঠামোর ভেতরে তাকে কবরস্থ করা হয়। পরে কবরটিকে কাবা শরিফের আদলে রঙ করা হয় এবং ‘হজরত ইমাম মাহাদী (আ.) দরবার শরীফ’ লেখা ব্যানার টানানো হয়।

শুক্রবার রাজবাড়ীতে নুরাল পাগলের কবর ভাঙচুর করা হয়। ছবি: রাজনীতি ডটকম
স্থানীয়রা বলছেন, এতে ওই এলাকার ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। এ নিয়ে সম্প্রতি উপজেলা মডেল মসজিদের নিচতলায় উপজেলা ইমাম কমিটি ও ‘তৌহিদী জনতা’র উদ্যোগে আলোচনা সভা হয়।
ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা ইমাম কমিটির সভাপতি মাওলানা মো. জালাল উদ্দিন প্রামাণিক। আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা ইমাম কমিটির সভাপতি মাওলানা মো. ইলিয়াস মোল্লা, গোয়ালন্দ সরকারি কামরুল ইসলাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ কে. মোহিত হীরা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মো. আইয়ুব আলী খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আমজাদ হোসেন, পৌর বিএনপি সভাপতি মো. কাশেম মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইদুল ইসলাম, ইদ্রিসিয়া মাদরাসার নায়েবে মোহতামিম মুফতি শামসুল হুদা, উপজেলা ইমাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবুল হোসাইনসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ‘তৌহিদী জনতা’।
সভায় জেলা ইমাম কমিটির সভাপতি মাওলানা মো. ইলিয়াস মোল্লা বলেন, ‘ইমাম মাহাদীর দাবিদার নুরাল পাগলের মাজার ও কবর নিয়ে আমাদের তিনটি দাবি ছিল। এর মধ্যে দুটি দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। তবে একটি দাবি এখনো বাকি আছে— ১২ ফুট উঁচু স্থানের কবর নিচু করা।’

শুক্রবার নুরাল পাগলের কবর ভাঙচুরের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ছবি: রাজনীতি ডটকম
ইলিয়াস মোল্লা বলেন, এ বিষয়ে আমরা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছি। নুরাল পাগলের পরিবার সময় চেয়েছিল। ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারা সময় পেয়েছেন।’
ওই বৈঠকে জানানো হয়, ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নুরাল পাগলের কবরস্থানের কাঠামো নিচু না করলে সেটি ভেঙে দেওয়া হবে। এ পূর্বঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। তারপর কবর ভেঙে চুরমার করা হয়।
‘তৌহিদী জনতা’ ও ইমাম পরিষদের পক্ষ থেকে যে তিনটি দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল সে দাবিগুলো হলো— কবর থেকে কাবা শরীফের আদলে করা রঙ পরিবর্তন, ‘ইমাম মাহাদী (আ.) দরবার শরীফ’ লেখা সাইনবোর্ড অপসারণ, এবং কবরের উচ্চতা কমিয়ে স্বাভাবিক করা।
নুরাল পাগলের ভক্ত ও পরিবারের সদস্যরা প্রথম দুটি দাবি মেনে নিলেও কবরের উচ্চতা স্বাভাবিক করার বিষয়ে সময় চেয়েছিলেন।

গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
১৬ ঘণ্টা আগে
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রথমদিকে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দিলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় যুবদল বিষয়টি আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বহিষ্কার করে এবং ভুক্তভোগী বিভাস ঋষির পরিবারের খোঁজখবর নেয়।
১ দিন আগে
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় নির্বাচনের ফফাফল ঘোষণার (বৃহস্পতিবার) রাত থেকেই জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষ একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
১ দিন আগে