
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বরকে (৬৬) আটক করেছে যৌথবাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি ময়েনদিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মান্নান মাতুব্বর প্রায় ১৮ মাস ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিত ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে, গত ১৪ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দেন। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে উপজেলার ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আটক করার পর তাকে বোয়ালমারী থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পলিন্স সেক জানান, মান্নান মাতুব্বর কয়েক মাস ধরে ইউনিয়ন পরিষদ ও এলাকায় আসেননি।
ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রানী বেগম বলেন, প্রায় ১৮ মাস ধরে চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকায় সদস্যদের রেজুলেশনের মাধ্যমে তাকে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি সেই অনুযায়ী পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা সার্কেল) আজম খান জানান, ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় মান্নান মাতুব্বর গ্রুপ ও জিহাদ গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে। বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, চেয়ারম্যান আটক হলেও ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না; বর্তমানে একজন সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মাতুব্বরকে (৬৬) আটক করেছে যৌথবাহিনী। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি ময়েনদিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মান্নান মাতুব্বর প্রায় ১৮ মাস ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিত ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কয়েকদিন আগে, গত ১৪ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগ দেন। নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে উপজেলার ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতার নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। আটক করার পর তাকে বোয়ালমারী থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য পলিন্স সেক জানান, মান্নান মাতুব্বর কয়েক মাস ধরে ইউনিয়ন পরিষদ ও এলাকায় আসেননি।
ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রানী বেগম বলেন, প্রায় ১৮ মাস ধরে চেয়ারম্যান অনুপস্থিত থাকায় সদস্যদের রেজুলেশনের মাধ্যমে তাকে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি সেই অনুযায়ী পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী, বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা সার্কেল) আজম খান জানান, ময়েনদিয়া বাজার এলাকায় মান্নান মাতুব্বর গ্রুপ ও জিহাদ গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তাকে আটক করা হয়েছে। বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, চেয়ারম্যান আটক হলেও ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না; বর্তমানে একজন সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিজেদের বাড়ি থেকে গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে পার্থী চক্রবর্তী (২৫) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়ির ছাদ, চিলেকোঠা ও বিভিন্ন কক্ষ থেকে মরদেহগুলো পাওয়া যায়।
১১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বাড়িটি তালাবদ্ধ অবস্থায় থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়িটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার বিভিন্ন স্থানে চারজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
১ দিন আগে
ওই নারী কয়েক দিন আগে তার দেবরের (২৫) সঙ্গে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে ঢাকার সাভারে তার খোঁজ পাওয়া যায়। সেখান থেকে আত্মীয়স্বজন তাকে ভাঙ্গায় নিয়ে যান। এরপর থানার সামনে তাকে নিয়ে দুই ভাই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
১ দিন আগে
এজাহারে বলা হয়, গত ১৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে যৌতুকের দাবিতে মাছুদার হাত-পা বেঁধে ঘরের মধ্যে উচ্চ শব্দে গান বাজান মেহেদী হাসান। পরে প্লায়ার্স (ধাতব কোনো বস্তু শক্ত করে ধরা, বাঁকানো ও চাপা দেওয়ার যন্ত্র) দিয়ে তার মুখে আঘাত করা হলে দুটি দাঁত ভেঙে যায়। এরপর কাস্তে গরম করে তার হাত ও পায়ে ছ্যাঁকা দেওয়া হয়।
১ দিন আগে