
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপির কর্মীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে দুই জামায়াত কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সরদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপি কর্মী দেলোয়ার শেখ (৩৮), তার স্ত্রী আমেনা বেগম (২৬) ও ভাতিজা কাউসার শেখসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে তিনজনকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
চিকিৎসাধীন বিএনপি কর্মী দেলোয়ার শেখ বলেন, জিয়ারুল ও জামসেদ দীন ইসলামরা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি করে। আমরা বিএনপির রাজনীতি করি। নির্বাচনের আগে ওদের বাড়িতে একাধিকবার ভোট চাইতে গেলে তারা বিভিন্ন খারাপ কথা বলে, হুমকি দেয়। রোববার বিকেলে রাস্তায় গেলে কটূ কথা বলতে শুরু করে।
দেলোয়ার বলেন, প্রতিবাদ করলে ওরা কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলা করে এবং মাথায় কোপ দেয়। আমার স্ত্রী ও ভাতিজা ঠেকাতে গেলে ওদের ওপরও হামলা করে। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, খবর পেয়ে সরজমিনে পুলিশ তদন্ত করতে গেছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। তদন্তের পর বাকি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপির কর্মীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে দুই জামায়াত কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সরদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় বিএনপি কর্মী দেলোয়ার শেখ (৩৮), তার স্ত্রী আমেনা বেগম (২৬) ও ভাতিজা কাউসার শেখসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে তিনজনকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
আহতদের অভিযোগ, তাদের কোপানোর ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দীন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে। দীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
চিকিৎসাধীন বিএনপি কর্মী দেলোয়ার শেখ বলেন, জিয়ারুল ও জামসেদ দীন ইসলামরা জামায়াত-শিবিরের রাজনীতি করে। আমরা বিএনপির রাজনীতি করি। নির্বাচনের আগে ওদের বাড়িতে একাধিকবার ভোট চাইতে গেলে তারা বিভিন্ন খারাপ কথা বলে, হুমকি দেয়। রোববার বিকেলে রাস্তায় গেলে কটূ কথা বলতে শুরু করে।
দেলোয়ার বলেন, প্রতিবাদ করলে ওরা কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলা করে এবং মাথায় কোপ দেয়। আমার স্ত্রী ও ভাতিজা ঠেকাতে গেলে ওদের ওপরও হামলা করে। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, খবর পেয়ে সরজমিনে পুলিশ তদন্ত করতে গেছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। তদন্তের পর বাকি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত) তাদের মৃত্যু হয়। এদিকে, হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে ১২৫ জন শিশু।
২ দিন আগে