
বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

স্বাধীনতার পর প্রায় ৫৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো জুড়ী উপজেলা থেকে একজন প্রার্থী জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে দল-মত নির্বিশেষে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাসছে উপজেলাবাসী।
মৌলভীবাজার-১ আসনটি বড়লেখা উপজেলা ও জুড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত। স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুড়ী উপজেলা থেকে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এতদিন কেউ বিজয়ের মুখ দেখেননি। এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে।
১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুড়ী উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা তৎকালীন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আছাদ উদ্দিন আহমদ বটল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন।
পরবর্তীতে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা সাবেক জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে তিনি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের তৎকালীন সংসদের হুইপ ও বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা শাহাব উদ্দিনের কাছে পরাজিত হন।
এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আবারও নির্বাচনে অংশ নেন নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু। তিনি জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী, বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামকে ১৫ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, বড়লেখা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ৬৯টি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৭০ ভোট। আর বিএনপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৫৫ হাজার ৭৬০— অর্থাৎ বড়লেখায় তিনি ৪১০ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন।
অন্যদিকে জুড়ী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৪৪টি কেন্দ্রে নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭৭৪ ভোট। সেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী পেয়েছেন ২৩ হাজার ৪৪৯ ভোট। অর্থাৎ জুড়ীতে তিনি ১৮ হাজার ৩২৫ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন।
পোস্টাল ভোটসহ একীভূত হিসাবে ধানের শীষ প্রতীকে মোট ভোট পড়ে ৯৮ হাজার ২৮২ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮৩ হাজার ১৩ ভোট। অর্থাৎ দুই উপজেলা মিলিয়ে মৌলভীবাজার-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু জামায়াত প্রার্থীর চেয়ে ১৫ হাজার ২৬৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন।
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় নির্বাচনের ফফাফল ঘোষণার (বৃহস্পতিবার) রাত থেকেই জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষ একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
এদিকে এক ভিডিও বার্তায় নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু সবার দোয়া কামনা করে বলেন, ‘যে অঙ্গীকার নিয়ে ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করেছেন, আগামীতে সেই অঙ্গীকার যেন যথাযথভাবে পালন করতে পারি।’
স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো জুড়ী উপজেলা থেকে একজন প্রতিনিধি জাতীয় সংসদে যাওয়ায় স্থানীয়দের প্রত্যাশা— এবার উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

স্বাধীনতার পর প্রায় ৫৫ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো জুড়ী উপজেলা থেকে একজন প্রার্থী জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে দল-মত নির্বিশেষে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাসছে উপজেলাবাসী।
মৌলভীবাজার-১ আসনটি বড়লেখা উপজেলা ও জুড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত। স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত প্রতিটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুড়ী উপজেলা থেকে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এতদিন কেউ বিজয়ের মুখ দেখেননি। এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটেছে।
১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুড়ী উপজেলার পূর্বজুড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা তৎকালীন জেলা বিএনপির সহসভাপতি আছাদ উদ্দিন আহমদ বটল ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এবাদুর রহমান চৌধুরীর কাছে পরাজিত হন।
পরবর্তীতে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের বাসিন্দা সাবেক জেলা বিএনপির সহসভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে তিনি ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের তৎকালীন সংসদের হুইপ ও বড়লেখা উপজেলার বাসিন্দা শাহাব উদ্দিনের কাছে পরাজিত হন।
এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে আবারও নির্বাচনে অংশ নেন নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু। তিনি জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী, বড়লেখা উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের বাসিন্দা মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামকে ১৫ হাজার ২৬৯ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গেছে, বড়লেখা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মোট ৬৯টি কেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৭০ ভোট। আর বিএনপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ৫৫ হাজার ৭৬০— অর্থাৎ বড়লেখায় তিনি ৪১০ ভোটে পিছিয়ে ছিলেন।
অন্যদিকে জুড়ী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ৪৪টি কেন্দ্রে নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু পেয়েছেন ৪১ হাজার ৭৭৪ ভোট। সেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী পেয়েছেন ২৩ হাজার ৪৪৯ ভোট। অর্থাৎ জুড়ীতে তিনি ১৮ হাজার ৩২৫ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন।
পোস্টাল ভোটসহ একীভূত হিসাবে ধানের শীষ প্রতীকে মোট ভোট পড়ে ৯৮ হাজার ২৮২ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮৩ হাজার ১৩ ভোট। অর্থাৎ দুই উপজেলা মিলিয়ে মৌলভীবাজার-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু জামায়াত প্রার্থীর চেয়ে ১৫ হাজার ২৬৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন।
দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় নির্বাচনের ফফাফল ঘোষণার (বৃহস্পতিবার) রাত থেকেই জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। দলীয় ভেদাভেদ ভুলে সাধারণ মানুষ একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
এদিকে এক ভিডিও বার্তায় নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু সবার দোয়া কামনা করে বলেন, ‘যে অঙ্গীকার নিয়ে ভোটাররা আমাকে নির্বাচিত করেছেন, আগামীতে সেই অঙ্গীকার যেন যথাযথভাবে পালন করতে পারি।’
স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো জুড়ী উপজেলা থেকে একজন প্রতিনিধি জাতীয় সংসদে যাওয়ায় স্থানীয়দের প্রত্যাশা— এবার উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোনাবাড়ী এলাকায় একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি মালবাহী ট্রাকের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
রাজশাহীতে একটি পেট্রোল পাম্পে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে জ্বালানি তেল নেওয়ার চেষ্টা করার অপরাধে তৌহিদুর রহমান (২৯) নামে এক যুবককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
এ অগ্নিকাণ্ড ছাপিয়ে সামনে এসেছে কারখানা কর্তৃপক্ষের নিষ্ঠুরতার অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শী ও বেঁচে ফেরা শ্রমিকদের দাবি, আগুন লাগার পর তাদের বাইরে বের হতে না দিয়ে মূল ফটক তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আর সে কারণেই তারা কারখানা থেকে বের হতে পারেননি, দগ্ধ হয়ে তাদের পাড়ি জমাতে হয়েছে না ফেরার দেশে।
২ দিন আগে
হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত) তাদের মৃত্যু হয়। এদিকে, হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে ১২৫ জন শিশু।
২ দিন আগে