
রাজশাহী ব্যুরো

বাংলাদেশে ‘কন্সপাইরেসি, আন্ডারগ্রাউন্ড পলিটিক্স ও টেবিলের নিচের রাজনীতি’র কবর ৩৬শে জুলাই অর্থাৎ ৫ আগস্টে রচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহী কলেজ মাঠে আয়োজিত ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আমাদের কর্মকাণ্ড ও আদর্শিক অবস্থান কাছ থেকে দেখে সেই বিভ্রান্তি কাটিয়ে উঠছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, শিবিরের নবীনবরণ অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বিভিন্ন মহল থেকে ‘বহু ষড়যন্ত্র’ হয়েছে। নবীনবরণ ঠেকিয়ে কারও লাভ নেই। বরং আরও বড় আয়োজনে এসে প্রতিযোগিতা করুন—ভালো কাজের প্রতিযোগিতা হলে সমাজের পরিবেশও ভালো হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সম্প্রতি ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিবির প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্কে বহু বছর ধরে যে অপপ্রচার চলছে, বাস্তবে শিক্ষার্থীরা তার বিপরীত চিত্র দেখেছেন। তাই বিভ্রান্তি দূর হয়েছে। আমরা আমাদের সামর্থ্যের জন্য নয়, আল্লাহর করুণায় জয় পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে জেতার পর সব নারীদের জোর করে বোরকা পরানো হবে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইসলামে জবরদস্তির জায়গা নেই, ছাত্রশিবিরের দায়িত্বও নয় শরীয়তের সবকিছু বাস্তবায়ন করা।”
ছাত্রশিবিরের অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে জাহিদুল ইসলাম বলেন, সংগঠনের মূল আয়ের উৎস হলো সদস্যদের দান। ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর বর্তমানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সাবেক নেতারাও নিয়মিত আর্থিক সহায়তা করছেন।
তিনি দাবি করেন, “১০ টাকা বরাদ্দ হলে আমরা নিজেরা দুই টাকা বাড়িয়ে বারো টাকা ব্যয় করি। অন্য সংগঠনের মতো বরাদ্দের বড় অংশ ব্যক্তিগত পকেটে যায় না।”
রাজশাহী কলেজ শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান মাসুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ডাকসু ভিপি ও শিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া, কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক মো. সিফাত আলম, রাকসু ভিপি ও রাবি শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি ও শিবিরের রাজশাহী মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ শামীম উদ্দীন।
রাজশাহী কলেজ শিবিরের সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে ‘কন্সপাইরেসি, আন্ডারগ্রাউন্ড পলিটিক্স ও টেবিলের নিচের রাজনীতি’র কবর ৩৬শে জুলাই অর্থাৎ ৫ আগস্টে রচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। আজ শনিবার দুপুরে রাজশাহী কলেজ মাঠে আয়োজিত ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রশিবির আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রোপাগান্ডা চালানো হয়েছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা আমাদের কর্মকাণ্ড ও আদর্শিক অবস্থান কাছ থেকে দেখে সেই বিভ্রান্তি কাটিয়ে উঠছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, শিবিরের নবীনবরণ অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বিভিন্ন মহল থেকে ‘বহু ষড়যন্ত্র’ হয়েছে। নবীনবরণ ঠেকিয়ে কারও লাভ নেই। বরং আরও বড় আয়োজনে এসে প্রতিযোগিতা করুন—ভালো কাজের প্রতিযোগিতা হলে সমাজের পরিবেশও ভালো হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সম্প্রতি ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিবির প্যানেলের নিরঙ্কুশ বিজয় সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের সম্পর্কে বহু বছর ধরে যে অপপ্রচার চলছে, বাস্তবে শিক্ষার্থীরা তার বিপরীত চিত্র দেখেছেন। তাই বিভ্রান্তি দূর হয়েছে। আমরা আমাদের সামর্থ্যের জন্য নয়, আল্লাহর করুণায় জয় পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের বিরুদ্ধে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে জেতার পর সব নারীদের জোর করে বোরকা পরানো হবে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা। ইসলামে জবরদস্তির জায়গা নেই, ছাত্রশিবিরের দায়িত্বও নয় শরীয়তের সবকিছু বাস্তবায়ন করা।”
ছাত্রশিবিরের অর্থনৈতিক স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে জাহিদুল ইসলাম বলেন, সংগঠনের মূল আয়ের উৎস হলো সদস্যদের দান। ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর বর্তমানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থাকা সাবেক নেতারাও নিয়মিত আর্থিক সহায়তা করছেন।
তিনি দাবি করেন, “১০ টাকা বরাদ্দ হলে আমরা নিজেরা দুই টাকা বাড়িয়ে বারো টাকা ব্যয় করি। অন্য সংগঠনের মতো বরাদ্দের বড় অংশ ব্যক্তিগত পকেটে যায় না।”
রাজশাহী কলেজ শাখার সভাপতি মাহমুদুল হাসান মাসুমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন ডাকসু ভিপি ও শিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় ফাউন্ডেশন সম্পাদক আসাদুজ্জামান ভুইয়া, কেন্দ্রীয় মানবাধিকার সম্পাদক মো. সিফাত আলম, রাকসু ভিপি ও রাবি শাখা শিবিরের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি ও শিবিরের রাজশাহী মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ শামীম উদ্দীন।
রাজশাহী কলেজ শিবিরের সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে