
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জে টানা দুই দিনের শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে হাওরপাড়ের কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে এত তীব্র শিলাবৃষ্টি তারা দেখেননি।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাত এবং রোববার (১৫ মার্চ) ভোরে সুনামগঞ্জ সদর, দিরাই, শাল্লা, জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলায় ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। এতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
হাওর এলাকার কৃষকদের ভাষ্য, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার শিলাবৃষ্টি অনেক বেশি হয়েছে। এভাবে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ধানের ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সদর উপজেলার দেখার হাওরসহ কয়েকটি হাওর ঘুরে দেখা গেছে, ধানগাছে ইতোমধ্যে শিষ আসতে শুরু করেছে। অনেক জায়গায় ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। এ সময় ঝড় বা শিলাবৃষ্টি বৃদ্ধি পেলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তাই তাদের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ।
সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ওমর ফারুক জানান, জেলার পাঁচটি উপজেলায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ধানের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জ জেলার ১৩৭টি হাওরে প্রায় ১০ লাখ কৃষক দুই লাখ ২৩ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। হাওর অঞ্চলে বোরো ধান এখন বৃদ্ধি পর্যায়ে রয়েছে। এই সময়ে টানা শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

সুনামগঞ্জে টানা দুই দিনের শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে হাওরপাড়ের কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে এত তীব্র শিলাবৃষ্টি তারা দেখেননি।
শনিবার (১৪ মার্চ) রাত এবং রোববার (১৫ মার্চ) ভোরে সুনামগঞ্জ সদর, দিরাই, শাল্লা, জামালগঞ্জ ও তাহিরপুর উপজেলায় ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে শুরু হয় শিলাবৃষ্টি। এতে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
হাওর এলাকার কৃষকদের ভাষ্য, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার শিলাবৃষ্টি অনেক বেশি হয়েছে। এভাবে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ধানের ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সদর উপজেলার দেখার হাওরসহ কয়েকটি হাওর ঘুরে দেখা গেছে, ধানগাছে ইতোমধ্যে শিষ আসতে শুরু করেছে। অনেক জায়গায় ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। এ সময় ঝড় বা শিলাবৃষ্টি বৃদ্ধি পেলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। তাই তাদের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ।
সুনামগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ওমর ফারুক জানান, জেলার পাঁচটি উপজেলায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ধানের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জ জেলার ১৩৭টি হাওরে প্রায় ১০ লাখ কৃষক দুই লাখ ২৩ হাজার ৪১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করেছেন। হাওর অঞ্চলে বোরো ধান এখন বৃদ্ধি পর্যায়ে রয়েছে। এই সময়ে টানা শিলাবৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া অব্যাহত থাকলে ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
৮ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে