
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দলীয় প্রতীকবিহীন উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের দেশের ৫৯ জেলার ১৩৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। আজ বুধবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
দলীয় প্রতীক না থাকায় অধিকাংশ উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা প্রার্থী হয়েছেন। দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রার্থী হয়েছেন সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরাও।দলীয় প্রতীকবিহীন উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ আজ বুধবার। সারা দেশের ১৪০ টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে। দলীয় প্রতীক না থাকায় অধিকাংশ উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা প্রার্থী হয়েছেন। দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রার্থী হয়েছেন সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরাও।
দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে নির্বাচনে অংশ নেয়ায় এ পর্যন্ত ১৪২ জনকে বহিস্কার করেছে বিএনপি। প্রথম ধাপের নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বহিস্কার হন ৮১ জন।
সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলা ভোটগ্রহণে ২২ উপজেলায় ব্যবহার হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম।
প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে তিন পদে ১ হাজার ৬৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চেয়ারম্যান পদে ৫৭০, ভাইস চেয়ারম্যান ৬২৫ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৪০ জন প্রার্থী রয়েছেন।
নির্বাচন ভোটের মাঠে গড়ানোর আগেই ২৮ জন জয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৮, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।
প্রথম ধাপে ১১ হাজার ৫৫৬ কেন্দ্রের ৮১ হাজার ৮০৪ ভোট কক্ষে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৬৮ হাজার ১০২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ১ কোটি ৬০ লাখ ২ হাজার ২২৪, নারী ১ কোটি ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯০ এবং ১৮৮ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আওয়াল জানান, দলীয় প্রতীকে উপজেলা নির্বাচনের সুযোগ থাকলেও দলীয় মনোনয়ন না থাকায় স্বতন্ত্র হয়ে লড়ছেন প্রার্থীরা। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। স্থানীয় সরকারের ভোট হওয়ায় মন্ত্রী এমপিদের প্রভাব বিস্তার প্রতিরোধে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। প্রভাব বিস্তারের কারণে কিছু কিছু অ্যাকশন নিয়েছি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা, মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা, বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলা, ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলা ও মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে না। এ সব উপজেলার তিনটি পদে সকলেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জনিত কারণে যৌথবাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে। ওই জেলার তিনটি উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
ভোটগ্রহণের জন্য ৮ মে বুধবার ওই উপজেলাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
উপজেলা ভোটারের নিরাপত্তায় মাঠে রয়েছে ১৪ হাজার ৬১০ জন বিজিবি সদস্য। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৪১ হাজার ৫৩০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ১১ হাজার ৮৮৩ জন ভ্রাম্যমাণ টিম রয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স ও অন্যান্য দায়িত্বে রয়েছে পুলিশের ২৯ হাজার ২২০ জন সদস্য। অন্যদিকে র্যাবের ২ হাজার ৬৪৮ জন ও আনসারের ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৭৪ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন।
এদিকে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে ৪০০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছেন। আর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন ১৩৯ জন।
নির্বাচনের সাধারণ কেন্দ্রে ১৭ জন ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ বা ১৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া দুর্গম এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৯ জন ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২০ বা ২১ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। উপজেলার আয়তন, ভোটার সংখ্যা ও ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রতি উপজেলায় ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করবেন।
উপকূলীয় এলাকার দ্বীপাঞ্চলে কোস্টগার্ড, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ভোটারদের নিরাপত্তায় পুলিশ, র্যাব, বিজিবির ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল/স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোট গ্রহণের আগের দুই দিন, ভোট গ্রহণের দিন ও ভোট গ্রহণের পরের দুইদিন মোট পাঁচ দিন নিয়োজিত থাকবেন।
তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১৩৯ উপজেলায় ৮ মে বুধবার। দ্বিতীয় ধাপে ১৬০ উপজেলায় ২১ মে। তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ২৯ মে ও চতুর্থ ধাপে ৫৫ উপজেলায় ৫ জুন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রথম ধাপে ২২টি, দ্বিতীয় ধাপে ২৪টি, তৃতীয় ধাপে ২১ ও চতুর্থ ধাপে দুটি উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে।

দলীয় প্রতীকবিহীন উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের দেশের ৫৯ জেলার ১৩৯টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। আজ বুধবার (৮ মে) সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলবে একটানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
দলীয় প্রতীক না থাকায় অধিকাংশ উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা প্রার্থী হয়েছেন। দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রার্থী হয়েছেন সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরাও।দলীয় প্রতীকবিহীন উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ আজ বুধবার। সারা দেশের ১৪০ টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে। দলীয় প্রতীক না থাকায় অধিকাংশ উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা প্রার্থী হয়েছেন। দলের নির্দেশ উপেক্ষা করে প্রার্থী হয়েছেন সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের স্বজনরাও।
দলীয় সিদ্ধান্ত ভঙ্গ করে নির্বাচনে অংশ নেয়ায় এ পর্যন্ত ১৪২ জনকে বহিস্কার করেছে বিএনপি। প্রথম ধাপের নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে বহিস্কার হন ৮১ জন।
সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত চলা ভোটগ্রহণে ২২ উপজেলায় ব্যবহার হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম।
প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে তিন পদে ১ হাজার ৬৩৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। চেয়ারম্যান পদে ৫৭০, ভাইস চেয়ারম্যান ৬২৫ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪৪০ জন প্রার্থী রয়েছেন।
নির্বাচন ভোটের মাঠে গড়ানোর আগেই ২৮ জন জয়ী হয়েছেন। তাদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৮, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১০ বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন।
প্রথম ধাপে ১১ হাজার ৫৫৬ কেন্দ্রের ৮১ হাজার ৮০৪ ভোট কক্ষে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৬৮ হাজার ১০২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ১ কোটি ৬০ লাখ ২ হাজার ২২৪, নারী ১ কোটি ৫৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬৯০ এবং ১৮৮ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন।
উপজেলা নির্বাচন নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মঙ্গলবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আওয়াল জানান, দলীয় প্রতীকে উপজেলা নির্বাচনের সুযোগ থাকলেও দলীয় মনোনয়ন না থাকায় স্বতন্ত্র হয়ে লড়ছেন প্রার্থীরা। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হবে। স্থানীয় সরকারের ভোট হওয়ায় মন্ত্রী এমপিদের প্রভাব বিস্তার প্রতিরোধে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। প্রভাব বিস্তারের কারণে কিছু কিছু অ্যাকশন নিয়েছি।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা, মুন্সীগঞ্জ জেলার সদর উপজেলা, বাগেরহাট জেলার সদর উপজেলা, ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলা ও মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে না। এ সব উপজেলার তিনটি পদে সকলেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি জনিত কারণে যৌথবাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে পার্বত্য জেলা বান্দরবানে। ওই জেলার তিনটি উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন।
ভোটগ্রহণের জন্য ৮ মে বুধবার ওই উপজেলাগুলোতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।
উপজেলা ভোটারের নিরাপত্তায় মাঠে রয়েছে ১৪ হাজার ৬১০ জন বিজিবি সদস্য। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৪১ হাজার ৫৩০ জন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ১১ হাজার ৮৮৩ জন ভ্রাম্যমাণ টিম রয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স ও অন্যান্য দায়িত্বে রয়েছে পুলিশের ২৯ হাজার ২২০ জন সদস্য। অন্যদিকে র্যাবের ২ হাজার ৬৪৮ জন ও আনসারের ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮৭৪ জন সদস্য নিয়োজিত রয়েছেন।
এদিকে নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন নিশ্চিত করতে ৪০০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত রয়েছেন। আর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন ১৩৯ জন।
নির্বাচনের সাধারণ কেন্দ্রে ১৭ জন ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৮ বা ১৯ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া দুর্গম এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৯ জন ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ২০ বা ২১ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। উপজেলার আয়তন, ভোটার সংখ্যা ও ভোটকেন্দ্রের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রতি উপজেলায় ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি দায়িত্ব পালন করবেন।
উপকূলীয় এলাকার দ্বীপাঞ্চলে কোস্টগার্ড, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। ভোটারদের নিরাপত্তায় পুলিশ, র্যাব, বিজিবির ভ্রাম্যমাণ ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল/স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ভোট গ্রহণের আগের দুই দিন, ভোট গ্রহণের দিন ও ভোট গ্রহণের পরের দুইদিন মোট পাঁচ দিন নিয়োজিত থাকবেন।
তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১৩৯ উপজেলায় ৮ মে বুধবার। দ্বিতীয় ধাপে ১৬০ উপজেলায় ২১ মে। তৃতীয় ধাপে ১১২ উপজেলায় ২৯ মে ও চতুর্থ ধাপে ৫৫ উপজেলায় ৫ জুন ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রথম ধাপে ২২টি, দ্বিতীয় ধাপে ২৪টি, তৃতীয় ধাপে ২১ ও চতুর্থ ধাপে দুটি উপজেলায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নওশিন জান্নাত নামের এক আন্দোলনকারী বলেন, ‘আমরা রাস্তায় নামতে চাই না, আমরা শুধু আমাদের টাকা ফেরত চাই। এভাবে চলতে থাকলে গ্রাহকদের আস্থা হারাবে ব্যাংক খাত, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’
১ দিন আগে
গত দুদিন ভারী বৃষ্টি না হলেও মাঝে-মধ্যে রোদ উঠেছিল। এতে কৃষকের মনে ক্ষীণ আশার আলো জেগেছিল— হয়তো পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে। কিন্তু সেই আশার গুড়ে বালি।
২ দিন আগে
অন্যদিকে বিএনপির দাবি, মোটরসাইকেল ওভারটেকিংকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। সেই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জামায়াতের দুজন ছাড়াও ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান ও আরও এক বিএনপি কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন।
২ দিন আগে
রাঙ্গামটি জেলা ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত আংশিক কমিটিতে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেছেন। রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে রাঙ্গামাটি–চট্টগ্রাম সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় টায়ার জ্বালিয়ে ও সড়কে অবস্থান নিয়ে তারা কমিটি বাতিলের দাবি
২ দিন আগে