
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা সমন্বয় কমিটি থেকে পদত্যাগের দুদিন পর একজন পদত্যাগকারী মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারধরের শিকার মোহাম্মদ উল্লাহ নান্দাইল সরকারি শহিদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ১১টার দিকে নান্দাইলের খুররম খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।
মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, সকালে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে খুররম খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে বের হওয়ার সময় কয়েকজন তরুণ আমার ওপর হামলা করে। আমাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করে।
হামলাকারীদের কয়েকজনকে চিনতে পেরেছেন বলে জানান মোহাম্মদ উল্লাহ। এনসিপি থেকে পদত্যাগের সঙ্গে এই হামলার যোগসূত্র রয়েছে বলেও দাবি করেন।
হামলার ঘটনাটি ফোনে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তারকে জানান মোহাম্মদ উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করবেন বলেও জানান তিনি।
ইউএনও সারমিনা সাত্তার বলেন, হামলার অভিযোগ পাওয়ার পর নান্দাইল সরকারি শহিদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও খুররম খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে খোঁজ নিতে বলেছি।
এর আগে নীতি-আদর্শ নিয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়ে গত সোমবার (২৫ আগস্ট) মোহাম্মদ উল্লাহসহ চারজন এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন। বাকি তিনজন হলেন— আশেক আলী মণ্ডল, কাওসার আহমেদ জিসান ও শেখ সাদি।
এনসিপির নান্দাইল শাখার প্রধান সমন্বয়ক মো. ফাইজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি কোনো পদত্যাগপত্র পাননি। বরং তিনি গণমাধ্যমে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন, যেখানে পদত্যাগকারী আশেক আলী মণ্ডলের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, সরকারি বরাদ্দ বিক্রি করে দেওয়া, অনৈতিক তদবির, মামলা বাণিজ্য, মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো, সংগঠনের প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের মতো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফাইজুল বলেন, এসব অভিযোগের বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্ত শুরু হলে এবং একাধিক ক্ষেত্রে প্রমাণ পাওয়ার পর আশেক আলী মণ্ডল পরিকল্পিতভাবে পদত্যাগের নাটক সাজান। বাকি তিনজনকেও তিনি পদত্যাগে প্ররোচিত করেন।
পদত্যাগকারী মোহাম্মদ উল্লাহর ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ফাইজুল ইসলাম বলেন, হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এনসিপি জেলা কমিটির সদস্য সুফি আবদুল্লাহও জানান, হামলার বিষয়টি তাদের কেউ জানায়নি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা সমন্বয় কমিটি থেকে পদত্যাগের দুদিন পর একজন পদত্যাগকারী মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মারধরের শিকার মোহাম্মদ উল্লাহ নান্দাইল সরকারি শহিদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী।
বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল সোয়া ১১টার দিকে নান্দাইলের খুররম খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।
মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, সকালে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষে খুররম খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ থেকে বের হওয়ার সময় কয়েকজন তরুণ আমার ওপর হামলা করে। আমাকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করে।
হামলাকারীদের কয়েকজনকে চিনতে পেরেছেন বলে জানান মোহাম্মদ উল্লাহ। এনসিপি থেকে পদত্যাগের সঙ্গে এই হামলার যোগসূত্র রয়েছে বলেও দাবি করেন।
হামলার ঘটনাটি ফোনে নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তারকে জানান মোহাম্মদ উল্লাহ। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করবেন বলেও জানান তিনি।
ইউএনও সারমিনা সাত্তার বলেন, হামলার অভিযোগ পাওয়ার পর নান্দাইল সরকারি শহিদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও খুররম খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে খোঁজ নিতে বলেছি।
এর আগে নীতি-আদর্শ নিয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়ে গত সোমবার (২৫ আগস্ট) মোহাম্মদ উল্লাহসহ চারজন এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেন। বাকি তিনজন হলেন— আশেক আলী মণ্ডল, কাওসার আহমেদ জিসান ও শেখ সাদি।
এনসিপির নান্দাইল শাখার প্রধান সমন্বয়ক মো. ফাইজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি কোনো পদত্যাগপত্র পাননি। বরং তিনি গণমাধ্যমে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়েছেন, যেখানে পদত্যাগকারী আশেক আলী মণ্ডলের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, সরকারি বরাদ্দ বিক্রি করে দেওয়া, অনৈতিক তদবির, মামলা বাণিজ্য, মানুষকে ভয়ভীতি দেখানো, সংগঠনের প্রভাব খাটিয়ে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের মতো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফাইজুল বলেন, এসব অভিযোগের বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্ত শুরু হলে এবং একাধিক ক্ষেত্রে প্রমাণ পাওয়ার পর আশেক আলী মণ্ডল পরিকল্পিতভাবে পদত্যাগের নাটক সাজান। বাকি তিনজনকেও তিনি পদত্যাগে প্ররোচিত করেন।
পদত্যাগকারী মোহাম্মদ উল্লাহর ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ফাইজুল ইসলাম বলেন, হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এনসিপি জেলা কমিটির সদস্য সুফি আবদুল্লাহও জানান, হামলার বিষয়টি তাদের কেউ জানায়নি।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) শাকিল আহমেদ (২২) নামের ওই শিক্ষার্থীকে পঞ্চগড়ের হাকিম আদালতে (দেবীগঞ্জ) হাজির করা হলে বিচারক মো. মোস্তাকিম ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বনানীতে সড়ক বিভাজকে উঠে যাওয়া একটি বাসের চাপায় দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে সড়ক ভবনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
২০ ঘণ্টা আগে
এ সময় দুই ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডে দণ্ডিতরা হলেন— শাহজাদপুর উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামের রেকাব আলীর ছেলে কামরুল ইসলাম ও একই উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের জলিল মণ্ডলের ছেলে পিকআপ ভ্যানের চালক লাভলু মণ্ডল।
১ দিন আগে
মৌলভীবাজারের বড়লেখা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপকের কার্যালয়ের লাইনম্যান কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুস বাণিজ্য, দায়িত্বে অবহেলা ও গ্রাহক হয়রানির একাধিক অভিযোগ উঠেছে। কাগজে-কলমে পদে লাইনম্যান হলেও মাঠপর্যায়ে তিনি ‘অলিখিত’ জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
১ দিন আগে